এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলকাতা > সাম্প্রদায়িকতা ও বিজেপি বিরোধী হয়ে হয়েও কেন্দ্র বিরোধী ধর্মঘট কেন ও কিভাবে ব্যর্থ করা হবে জানালেন পার্থ চ্যাটার্জি

সাম্প্রদায়িকতা ও বিজেপি বিরোধী হয়ে হয়েও কেন্দ্র বিরোধী ধর্মঘট কেন ও কিভাবে ব্যর্থ করা হবে জানালেন পার্থ চ্যাটার্জি


দেশ থেকে বিজেপিকে উৎখাত করতে প্রায় উঠতে বসতেই গেরুয়া শিবিরের উদ্দেশ্যে এখন তোপ দাগেন রাজ্যের শাসক দল তৃণমূলের নেতারা। এবার বিজেপির বিরুদ্ধেই গর্জে উঠে আগামী ৮ এবং ৯ জানুয়ারি সারা দেশ জুড়ে বাম এবং দক্ষিণপন্থী ট্রেড ইউনিয়নের পক্ষ থেকে দু’দিনব্যাপী এক ধর্মঘটের ডাক দেওয়া হয়েছে। কিন্তু বিজেপি বিরোধী সেই ধর্মঘট হলেও সেখানে শামিল হচ্ছে না তৃণমূল কংগ্রেস। আর যা নিয়ে তৃণমূলকে প্রবল কটাক্ষ করছে সেই ধর্মঘট সমর্থনকারীরা।

অন্যদিকে বাম এবং অন্যান্য ট্রেড ইউনিয়নের পক্ষ থেকে এই ধর্মঘটকে ব্যর্থ করতে বাংলার শাসকদল তৃণমূলের পক্ষ থেকে নানা ব্যবস্থা নেওয়া শুরু হয়েছে। বনধকে সমর্থন করার বদলে তাকে ব্যর্থ করতে ইতিমধ্যেই নবান্নের তরফে সরকারি কর্মচারীদের এই দুই দিন অফিসে হাজিরা বাধ্যতামূলক করার নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। এই দুইদিন স্কুল, কলেজ খোলা রাখার পাশাপাশি অতিরিক্ত বাস, ট্রাম ভেসেলেরও ব্যবস্থা করছে রাজ্য। পাশাপাশি গন্ডগোল এড়াতে ইতিমধ্যেই রাজ্যের পরিবহণ দপ্তরের পক্ষ থেকে চালু করা হয়েছে হেল্পলাইনও।

আমাদের নতুন ফেসবুক পেজ (Bloggers Park) লাইক ও ফলো করুন – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের টেলিগ্রাম গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের সিগন্যাল গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে



আপনার মতামত জানান -

গতকাল এই বনধের ব্যাপারে বনধ সমর্থনকারীদের উদ্দেশ্যে প্রবল কটাক্ষ ছুড়ে দেন তৃণমূল মহাসচিব তথা রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। এদিন তিনি বলেন, “দু দিনের ধর্মঘটে বাংলায় হতে দেওয়া যাবে না। আমাদের নেত্রী তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় গোটা দেশের কাছে বিজেপির বিরোধিতার প্রধান মুখ। তাই তৃণমূলকে পৃথকভাবে ধর্মঘট করে বিজেপি বিরোধী অবস্থান প্রমান করতে হয় না। যারা দীর্ঘদিন ধর্মঘট করে বাংলায় কর্মের সংস্কৃতি নষ্ট করে দিয়েছিল তাঁদের রেয়াত করার কোনো প্রশ্নই আসে না”।

অন্যদিকে এদিনের সাংবাদিক বৈঠক থেকে বিজেপির উদ্দেশ্যেও প্রবল তোপ দাগেন তৃণমূল মহাসচিব। রাম ও বামকে এক আসনে বসিয়ে পার্থ চট্টোপাধ্যায় বলেন, “একদিকে দাঙ্গাবাজ আর অন্যদিকে ধর্মঘটীরা একযোগে বাংলার উন্নয়নকে বাধা দিতে চাইছে। ধর্মঘট কি কারনে সেটাই মানুষ বুঝতে পারছে না। শুধুমাত্র জনজীবনকে বিপর্যস্ত করতেই বিরোধীদের এই পরিকল্পনা”।

রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, বিজেপি বিরোধিতায় বামেদের ডাকা ধর্মঘটকে তৃনমূল সমর্থন না করায় এতদিন বামেদের পক্ষ থেকে রাজ্যের শাসকদলের উদ্দেশ্যে প্রবল কটাক্ষ করা হচ্ছিল, আর এদিন তাই তৃণমূলের পক্ষ থেকে মুখ খুলে একদিকে যেমন বিজেপি বিরোধী তেমনই অন্যদিকে ধর্মঘট সমর্থনকারীদের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানালেন পার্থ চট্টোপাধ্যায় – স্পষ্ট করলেন রাজ্যের শাসকদলের অবস্থান।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!