এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > উত্তরবঙ্গ > প্রযুক্তির হাত ধরে এবারের ভোটে কমে গেল শ্যাডো জোন,জেনে নিন

প্রযুক্তির হাত ধরে এবারের ভোটে কমে গেল শ্যাডো জোন,জেনে নিন


প্রিয় বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট – একটা সময় মাওবাদীদের এলাকায় ভোট করানো নির্বাচন কমিশনের কাছে বড়োসড়ো চ্যালেঞ্জ বলে মনে করা হত। রীতিমতো নিরাপত্তারক্ষীদের নিয়ে মাওবাদী অধ্যুষিত ভোটকেন্দ্রে পৌঁছাতে হতো, যদিও সেখানে ভোট কেন্দ্র তৈরিসহ বিন্দুমাত্র কোন সুবিধা ছিলনা। যোগাযোগের একমাত্র ভরসা স্যাটেলাইট ফোন। কিন্তু এবার পরিস্থিতি পাল্টেছে প্রযুক্তির হাত ধরে। আর তাই 2021 এর বিধানসভা নির্বাচনে প্রথমবারের জন্য এ রাজ্যে শ্যাডো জোনের আধিক্য কমেছে। শ্যাডো জোন কথাটির সঙ্গে হয়তো সবাই পরিচিত নন। শ্যাডো জোন মানে হলো যেখানে টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থা পুরোপুরি অচল, ভরসা বলতে পুলিশ বা সরকারি আধিকারিকদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখার স্যাটেলাইট ফোন।

কিন্তু এবার রাজ্য নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, পশ্চিমবঙ্গে এধরনের এলাকা প্রায় নেই বললেই চলে। অর্থাৎ সমস্ত এলাকাতেই টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থা পৌঁছে গেছে। খুব সামান্য এলাকা রয়েছে, যেখানে অস্থায়ী টেলি যোগাযোগের ব্যবস্থা রেখে ভোট করানো হবে। এ প্রসঙ্গে রাজ্যের সিইও আরিজ আফতাব জানিয়েছেন, রাজ্যের টেলি সার্ভিস পরিষেবা প্রদানকারী সংস্থাগুলি এবার নির্বাচন কমিশনকে আশ্বস্ত করেছে। প্রসঙ্গত, এই শ্যাডো জোনকে দু’ভাগে ভাগ করা যায়। একটি হলো ইন্টারনেট শ্যাডো জোন যেখানে কোন পরিষেবা পাওয়া যায়না। এবং অন্যটি হলো ভয়েস শ্যাডো জোন যেখানে কোন টেলি পরিষেবা পাওয়া যায়না।

আমাদের নতুন ফেসবুক পেজ (Bloggers Park) লাইক ও ফলো করুন – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের টেলিগ্রাম গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের সিগন্যাল গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে



আপনার মতামত জানান -

গত লোকসভা নির্বাচনেও এরাজ্যে প্রায় 2000 ইন্টারনেট শ্যাডো জোন এবং দেড় হাজার ভয়েস শ্যাডো জোন পাওয়া গিয়েছিল। যদিও এবার সংখ্যাটা একেবারেই নিম্নমুখী। সূত্রের খবর, রাজ্যের জঙ্গলমহলের তিনটি জেলা, দুই 24 পরগনার সুন্দরবন এলাকা এবং পাহাড়ের বেশ কিছু জায়গা মিলিয়ে ভয়েস শ্যাডো জোনের সংখ্যা 750 র কাছাকাছি এবং ইন্টারনেট শ্যাডো জোনের সংখ্যা 1600। এই এলাকাগুলিতে আবার অস্থায়ী টেলি যোগাযোগের ব্যবস্থা রাখা হচ্ছে বলে খবর। প্রসংগত, শ্যাডো জোন ব্যাপারটি কোনমতেই আর রাখতে চাইছেন না নির্বাচন কমিশনের কর্তারা। এর পেছনের কারণ হিসেবে জানা যাচ্ছে সময়ের সাথে সাথে ভোট প্রক্রিয়াও প্রযুক্তি নির্ভর হয়ে পড়ছে।

সুতরাং কোথায় কখন কত ভোট পড়ছে তা একমাত্র টেক্সট মেসেজের সাহায্যে নির্বাচন কমিশনের অফিসারদের কাছে পৌঁছায়। অন্যদিকে কোন বুথে কেমন ভোট চলছে, সেটার জন্য ওয়েব কাস্টিং ভরসা। পাশাপাশি নির্বাচন কমিশনের সেক্টর অফিসাররা কে কি রকম কাজ করছেন, এলাকায় পৌঁছেছেন কিনা সেটা দেখার জন্য জিপিএস ভরসা। তাই সবকিছুর জন্য প্রয়োজন মোবাইল নেটওয়ার্ক। সে ক্ষেত্রে মোবাইল নেটওয়ার্ক কোম্পানি প্রোভাইডাররা নির্বাচন কমিশনের অফিসারদের আশ্বস্ত করেছেন বলে জানা গিয়েছে। অন্যদিকে একুশের বিধানসভা নির্বাচনে শ্যাডো জোনের কমে যাওয়াতে খুব স্বাভাবিকভাবে রাজ্যে ভোটের সংখ্যা যে বাড়বে সে কথা বলাইবাহুল্য। আর কিছুদিনের মধ্যেই রাজ্যে শুরু হচ্ছে একুশের বিধানসভা নির্বাচনের প্রথম দফা। সব মিলিয়ে রাজ্যজুড়ে তুমুল উত্তেজনা।

 

আপনার মতামত জানান -

ট্যাগড
Top
error: Content is protected !!