এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলকাতা > পুরভোটের আগেই গেরুয়া শিবিরের কোন্দল প্রকাশ্যে, তীব্র চাপানউতোর রাজনৈতিক মহলে

পুরভোটের আগেই গেরুয়া শিবিরের কোন্দল প্রকাশ্যে, তীব্র চাপানউতোর রাজনৈতিক মহলে


প্রিয় বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট সামনে আসছে পুরসভার ভোট। ইতিমধ্যেই রাজ্য সরকার ঘোষণা করেছে, পুরসভার ভোটের নির্ঘণ্ট। কিন্তু এই নির্বাচনে যখন ঝাঁপিয়ে পড়ার কথা, ঠিক তখন গেরুয়া শিবিরে শুরু হয়েছে অন্তর্কলহ। একুশের বিধানসভা নির্বাচন এবং উপনির্বাচনে পরাজয়ের পর গেরুয়া শিবির পুরভোটে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টায়। তার মধ্যেই আদি নেতাদের ক্ষোভ আবার প্রকাশ্যে। কার্যত দলবদলকারী নেতাদের বিরুদ্ধে আরো একবার ক্ষোভ উগরে দিলেন দলের আদি নেতারা। মঙ্গলবার দলের রাজ্য অফিসে কলকাতা এবং হাওড়ার কর্পোরেশন ভোটের প্রস্তুতি নিয়ে একটি শীর্ষ পর্যায়ের গোপন বৈঠক হয়েছিল।

এই বৈঠকে দিলীপ ঘোষ, সুকান্ত মজুমদার, শুভেন্দু অধিকারীসহ গেরুয়া শিবিরের একাধিক হেভিওয়েট উপস্থিত ছিলেন। আর এই বৈঠকেই বার্তা দেওয়া হয়েছে, বিধানসভা নির্বাচনে যেসব প্রার্থী পরাজিত হয়েছে তাঁদেরকে কাউন্সিলর পদে জিতে নিজেদের যোগ্যতা প্রমাণ করতে হবে। প্রসঙ্গত বিভিন্ন সময়ে আদি নেতারা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন একুশের বিধানসভা নির্বাচনে দলবদলকারি নেতাদের টিকিট দেওয়ার জন্য। এই নিয়েই বিধানসভা নির্বাচনের আগেও আদি এবং নব্য বিজেপির ব্যাপক সংঘাত প্রকাশ্যে আসে। অন্যদিকে দলের সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি দিলীপ ঘোষ কিন্তু আদি বিজেপি নেতাদের এই দাবির মধ্যে কোন অন্যায় দেখছেন না।

আমাদের নতুন ফেসবুক পেজ (Bloggers Park) লাইক ও ফলো করুন – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের টেলিগ্রাম গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের সিগন্যাল গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে



আপনার মতামত জানান -

বরং তিনি পাল্টা এই দাবিকে সমর্থন করেছেন। তবে তিনি জানিয়েছেন, যে কোনো নির্বাচনে প্রার্থী বাছাইয়ে বিজেপির সুনির্দিষ্ট নীতি এবং পদ্ধতি রয়েছে। সেই অনুযায়ী প্রার্থী তালিকা প্রকাশিত হবে। প্রসঙ্গত, পুরভোটে কখনোই দিল্লি নেতৃত্ব নাক গলায় না। যাবতীয় সিদ্ধান্ত নেয় রাজ্য নেতৃত্ব। আর সেই সূত্রে গতকাল বৈঠকে বসেছিলেন বঙ্গ বিজেপির হেভিওয়েটরা। ইতিমধ্যেই কলকাতা উত্তর ও দক্ষিণ সাংগঠনিক জেলাকে বিজেপি ভোটের জন্য আরও দুটি ভাগে ভেঙে মোট চারটি জোন তৈরি করেছে।

যেমন বিজেপির কলকাতা দক্ষিণ সাংগঠনিক জেলার অধীনে থাকা টালিগঞ্জ, যাদবপুর, কসবা, বালিগঞ্জ, রাসবিহারী বিধানসভা কেন্দ্র নিয়ে একটি জোন তৈরি হয়েছে। আবার বেহালা পূর্ব-পশ্চিম, মেটিয়াবুরুজ, কলকাতা পোর্ট এবং ভবানীপুর কেন্দ্র নিয়ে আরেকটি জোন তৈরি হয়েছে। এবং সেই জোনের আহ্বায়ক করা হয়েছে ভবানীপুরের পরাজিত প্রার্থী রুদ্রনীল ঘোষকে। এদিকে আবার শোনা যাচ্ছে, পুরসভা নির্বাচনের আগেই গেরুয়া শিবিরের সম্পূর্ণ রদবদল হতে পারে। তবে তাতে কি গেরুয়া শিবিরের অন্তর্দ্বন্দ্ব মিটবে? সেদিকেই এখন নজর রেখেছেন ওয়াকিবহাল মহল।

আপনার মতামত জানান -

ট্যাগড
Top
error: Content is protected !!