প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-
২০২১ এ হয়নি। তবে ২০২৬ এ বিধানসভা নির্বাচনের আগে যেভাবে এসআইআর হচ্ছে, যেভাবে অবৈধ ভোটার, মৃত ভোটার, ভুয়ো ভোটার এবং বাংলাদেশী মুসলমানদের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ যাচ্ছে, তাতে পশ্চিমবঙ্গে এবার পরিবর্তনের ব্যাপারে নিশ্চিত বিরোধী দল বিজেপি। ২০২১ এ তারা বিরোধী দলের ক্ষমতা দখল করার পর যেভাবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তার সরকারকে প্রতিনিয়ত চাপে রেখেছে, তা অতীতে বাম এবং কংগ্রেস বিরোধী দলের মর্যাদা পেয়েও করে দেখাতে পারেনি। তবে শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে বর্তমান বিজেপি যেভাবে লড়াই করছে তৃণমূলের বিরুদ্ধে, তাতে জমজমাট হয়ে উঠেছে রাজ্য রাজনীতি। অনেকেই বলেন, পশ্চিমবঙ্গের তৃণমূলের বিকল্প এখনও কোনো রাজনৈতিক দল হয়ে উঠতে পারেনি। তবে যারা এই কথা বলেন, তাদের মুখে ঝামা ঘষে তৃণমূলের বিকল্প কারা, তা জানিয়ে দিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।
পশ্চিমবঙ্গে বর্তমানে এসআইআর চলছে। আর সেই এসআইআরের ফলে তৃণমূল কতটা আতঙ্কিত, তা তাদের নেতা-নেত্রীদের বক্তব্যের মধ্যে দিয়েই স্পষ্ট হয়ে যাচ্ছে। প্রথম দিন থেকে শুভেন্দু অধিকারী দাবি করছেন, পশ্চিমবঙ্গে ১০০ শতাংশ এসআইআর হবে না। তবে যদি ৮০ শতাংশ এসআইআর ঠিকভাবে হয়, তাহলে আর তৃণমূলের ক্ষমতায় ফিরে আসা মুশকিল। এদিনও সেই দাবি করে তৃণমূলকে আক্রমণ করার পাশাপাশি বাম, কংগ্রেস নয়, রাজ্যে তৃণমূলের বিকল্প দল হিসেবে একমাত্র যে বিজেপিই সেই লড়াইটা দিচ্ছে, তা স্পষ্ট করে দিলেন শুভেন্দু অধিকারী।এদিন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। আর সেখানেই এসআইআর নিয়ে তৃণমূলের অস্বস্তি বাড়িয়ে দেন তিনি। শুভেন্দুবাবু বলেন, “যদি ৮০ শতাংশ ঠিকঠাক এসআইআর হয়, তাহলে পশ্চিমবঙ্গে আগামী নির্বাচনে পদ্মফুল আসবে। আর তৃণমূলের বিকল্প একমাত্র বিজেপি, এটা সবাই জানে। সিপিএম এবং কংগ্রেস তাদের বিশ্বাসযোগ্যতা অনেক আগেই নষ্ট হয়ে গিয়েছে।” অর্থাৎ যে বাম এবং কংগ্রেসের পক্ষ থেকে আবার নতুন করে জেগে ওঠার একটা চেষ্টা দেখা যাচ্ছে, তারা আবার ভোট কাটার জন্য ময়দানে নেমে তৃণমূলকে সুবিধা করে দিতে চাইছে। আর তাদের পাল্টা জবাব দিয়ে মানুষ যে তৃণমূলের বিকল্প দল হিসেবে একমাত্র বিজেপিকেই বেছে নিয়েছে, সেই কথা উল্লেখ করে বিরোধী ভোট এক ছাতার তলায় আনার কৌশল নিলেন শুভেন্দু অধিকারী বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।
