রাজ্য রাজনীতি
ভারতবর্ষ
বিজেপির খবর
গণেশ পুজোর উদ্বোধনে গিয়েই হুলুস্থুল! মঞ্চ থেকেই শমীক ভট্টাচার্যের এই কড়া বার্তা কার উদ্দেশ্যে? কাঁপছে বাংলা!
প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-উৎসবের প্রাক্কালে কলকাতার এক হাইপ্রোফাইল পুজো মণ্ডপে গিয়েই এক নজিরবিহীন কড়া অবস্থান নিলেন ক্ষমতাসীন দলের শীর্ষ নেতৃত্ব। কলকাতার কেষ্টপুর অঞ্চলে একটি গণেশ পুজোর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করতে যান বিজেপির রাজ্য সভাপতি তথা রাজ্যসভার সাংসদ শমীক ভট্টাচার্য। আর সেই উৎসবের মঞ্চ থেকেই তিনি এমন এক চরম বার্তা দেন, যা নিয়ে এই মুহূর্তে রাজ্য রাজনীতি এবং শিল্প মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।
কেষ্টপুরের পুজো মণ্ডপ থেকে সরাসরি হুঙ্কার ছেড়ে শমীক ভট্টাচার্য স্পষ্ট জানান, রাজ্যে ব্যবসা ও বিনিয়োগের পরিবেশ নষ্ট করতে চাওয়া অপরাধীদের বিরুদ্ধে এবার ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি নিয়ে চলবে প্রশাসন। দলের কর্মীদের উদ্দেশ্যে এক কড়া ও চূড়ান্ত হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি বলেন: “আমাদের দলের কোনও কর্মী বা সমর্থক যেন কোনওভাবে হিংসা, অশান্তি কিংবা ব্যবসায়ীদের থেকে জোরপূর্বক তোলাবাজিতে লিপ্ত না হন। বিজেপি এই ধরণের সমাজবিরোধী কার্যকলাপের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি নিয়ে চলে।” বিগত তৃণমূল জমানার সিন্ডিকেট রাজের প্রসঙ্গ টেনে তিনি অত্যন্ত কড়া ভাষায় যোগ করেন যে, বাংলার মানুষ বিপুল জনসমর্থন দিয়ে এই নতুন বিজেপি সরকারকে ক্ষমতায় এনেছেন। তাই বিগত জমানার সেই তোলাবাজি বা অশান্তির সংস্কৃতি যেন কোনও অবস্থাতেই এই সরকারের আমলে ফিরে না আসে। কেউ যদি ব্যবসায়ীদের কোনওরকম হেনস্থা বা কাজে বাধা সৃষ্টি করে, তবে প্রশাসন তার বিরুদ্ধে অত্যন্ত কঠোর আইনি পদক্ষেপ নেবে।
রাজ্য বিজেপি সভাপতি এদিন স্পষ্ট করে দেন যে, কেবল উৎসব বা পুজোর আমেজে মেতে থাকা নয়, তাঁদের মূল লক্ষ্য রাজ্যের অর্থনৈতিক চেহারা বদলে দেওয়া। রাজ্য সরকারের মূল ফোকাস এখন রাজ্যে নতুন মেগা বিনিয়োগ টানা এবং যুবসমাজের জন্য ব্যাপক কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা। সিদ্ধিদাতা গণেশের চরণে প্রার্থনা জানিয়ে সাংসদ শমীক ভট্টাচার্য বলেন, “ভগবান গণেশ যেন বাংলায় নতুন বিনিয়োগের জোয়ার নিয়ে আসেন, যাতে বাংলার যুবসমাজকে কাজের জন্য ভিনরাজ্যে পরিযায়ী শ্রমিক হিসেবে ছুটে যেতে না হয়।” নতুন বিজেপি সরকারের হাত ধরে বাংলা যেন আবার দেশের প্রথম সারির শিল্পোন্নত রাজ্যগুলির মধ্যে শীর্ষে উঠে আসে, সেটাই তাঁদের প্রধান লক্ষ্য। পুজো মণ্ডপের আনন্দমুখর পরিবেশের মধ্যে শমীক ভট্টাচার্যের এই হঠাৎ কড়া ডিক্লেয়ারেশন এবং ওয়ান-ম্যান আর্মি স্টাইলে হুঁশিয়ারি ঘিরে এই মুহূর্তে তোলপাড় রাজ্য রাজনীতি।
তৃণমূলের খবর
‘কবে ফিরবে জানি না, মেঘনাদের মতো তাকে…’ সুমিত গ্রেফতার হতেই অভিষেককে নিয়ে এ কী মারাত্মক কথা বললেন মদন মিত্র?
প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আপ্ত সহায়ক (PA) সুমিত রায় সিআইডি-র (CID) হাতে গ্রেফতার হতেই তোলপাড় শুরু হয়েছে রাজ্য রাজনীতিতে। শালবনি জমি দুর্নীতি মামলায় সুপ্রিম কোর্টের আইনি সুরক্ষাকবচ সরতেই সুমিতকে নিজেদের হেফাজতে নিয়েছে তদন্তকারী সংস্থা। আর এই ঘটনার পরেই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিদেশযাত্রা ও তাঁর লাইফস্টাইল নিয়ে একের পর এক নজিরবিহীন বিস্ফোরক মন্তব্য করে চলেছেন কামারহাটির বিধায়ক মদন মিত্র। এবার মাইকেল মধুসূদন দত্তের মেঘনাদবধ কাব্যের কবিতা আউড়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে বেনজির নিশানা করলেন মদন মিত্র।
সুমিত রায়ের গ্রেফতারির পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তীব্র ক্ষোভ উগরে দেন মদন মিত্র। তিনি কবিতা আউড়ে বলেন, “আমার একটা কবিতা মনে পড়ে গেল। মেঘনাদপুত্র মোর, স্বামী লঙ্কেশ্বর… সুমিত চলে যাওয়ার পর অভিষেক কবে আসবে, আমি জানি না। এটা কোর্টের ব্যাপার। তবে মেঘনাদের মতো তাঁকে আমাদের বুঝে নিতে হবে।” রাজনীতির অলিন্দে মদন মিত্রের এই মন্তব্য অত্যন্ত ইঙ্গিতপূর্ণ এবং শাসক শিবিরের অভ্যন্তরীণ ফাটলকে স্পষ্ট করছে বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।
চোখের চিকিৎসার কারণে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বর্তমানে দেশের বাইরে রয়েছেন। তাঁর এই বিদেশ সফরের টাইমিং নিয়েই প্রশ্ন তুলেছেন মদন। তিনি দাবি করেন, সুমিত রায় গ্রেফতার হওয়ার ঠিক আগেই অভিষেক দেশ ছেড়েছেন। একে সরাসরি “সেটিং” বলে আখ্যা দিয়েছেন তিনি। মদন মিত্রের বক্তব্য, “অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় যতদিন ছিলেন, সুমিত রায় কিন্তু অ্যারেস্ট হননি। এর মধ্যে তো আর বেটিং নেই, এর মধ্যে সেটিং রয়েছে। তাঁর যাওয়া আর সুমিতের অ্যারেস্ট হওয়া—এই দুইয়ের মধ্যে একটা ২ প্লাস ২ চার খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে।” তিনি আরও দাবি করেন, নিউ জার্সির লং আইল্যান্ডের মতো পৃথিবীর অন্যতম ব্যয়বহুল এলাকায় একটি আস্ত বিলাসবহুল ‘হাভেলি’ বা প্রাসাদ ভাড়া নিয়ে থাকছেন অভিষেক। বাংলার সাধারণ মানুষ যখন বন্যায় ভাসছে, তখন এই রাজকীয় জীবনযাত্রার খরচের উৎস কী, তা খতিয়ে দেখতে রাজ্য প্রশাসনের কাছে তদন্তের দাবি জানিয়েছেন মদন মিত্র।
এখানেই থামেননি কামারহাটির বিধায়ক। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ক্যামাক স্ট্রিটের অফিসকে সরাসরি ‘ভুলভুলাইয়া’ বলে তোপ দেগেছেন তিনি। মদন মিত্রের মারাত্মক অভিযোগ, “ক্যামাক স্ট্রিট আসলে একটি ভুলভুলাইয়া। ওখানে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় কোথায় বসতেন তা কেউ জানত না, সবাই আসলে সুমিতের সাথেই দেখা করত।” এই গ্রেফতারি এবং দুর্নীতিতে কোটি কোটি টাকার লেনদেনের পেছনে আরও বড় কোনো চক্র রয়েছে কি না, তা নিয়ে মেদিনীপুর আদালতেও সিআইডি চাঞ্চল্যকর দাবি পেশ করেছে।
কলকাতা
পশ্চিমবঙ্গ
‘কবে ফিরবে জানি না, মেঘনাদের মতো তাকে…’ সুমিত গ্রেফতার হতেই অভিষেককে নিয়ে এ কী মারাত্মক কথা বললেন মদন মিত্র?
প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আপ্ত সহায়ক (PA) সুমিত রায় সিআইডি-র (CID) হাতে গ্রেফতার হতেই তোলপাড় শুরু হয়েছে রাজ্য রাজনীতিতে। শালবনি জমি দুর্নীতি মামলায় সুপ্রিম কোর্টের আইনি…
প্রতীক সংঘাতের চরম মুহূর্তেই বিস্ফোরক পদক্ষেপ! হাইপ্রোফাইল নন্দীগ্রামে আচমকাই প্রার্থীর নাম নামিয়ে দিল ‘কালীঘাট-তৃণমূল’!
প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-জাতীয় নির্বাচন কমিশনের অন্দরে যখন প্রতীক আর দলের দখল নিয়ে দুই শিবিরের আইনি খণ্ডযুদ্ধ চূড়ান্ত সীমায় পৌঁছেছে, ঠিক তখনই এক নজিরবিহীন ও বিস্ফোরক পদক্ষেপ নিল ‘কালীঘাট-তৃণমূল’। বামফ্রন্ট এবং…
গণেশ পুজোর উদ্বোধনে গিয়েই হুলুস্থুল! মঞ্চ থেকেই শমীক ভট্টাচার্যের এই কড়া বার্তা কার উদ্দেশ্যে? কাঁপছে বাংলা!
প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-উৎসবের প্রাক্কালে কলকাতার এক হাইপ্রোফাইল পুজো মণ্ডপে গিয়েই এক নজিরবিহীন কড়া অবস্থান নিলেন ক্ষমতাসীন দলের শীর্ষ নেতৃত্ব। কলকাতার কেষ্টপুর অঞ্চলে একটি গণেশ পুজোর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করতে যান বিজেপির…
তৃণমূলের অন্দরে এ কীসের খেলা? কমিশনের ওয়েবসাইটে থাকা কোন গোপন সত্য ফাঁস করলেন ডেরেক?
প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের (AITC) নাম ও প্রতীক ‘জোড়াফুল’-এর মালিকানা এবং দলের রাশ কার হাতে থাকবে, তা নিয়ে জাতীয় রাজনীতিতে তোলপাড় শুরু হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের (ECI) শুনানির আবহে হঠাৎ…
রাজ্যে একযোগে ২৫২টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে চিরতরে ঝুলল তালা! নবান্নের নজিরবিহীন ‘অ্যাকশনে’ তোলপাড় গোটা বাংলা!
প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-পশ্চিমবঙ্গের শিক্ষা ও প্রশাসনিক মহলে এক অভূতপূর্ব ও তোলপাড় ফেলা মেগা অ্যাকশন নিল রাজ্য সরকার। রাজ্যজুড়ে তীব্র স্ক্রুটিনি এবং মাঠপর্যায়ে তদন্তের পর প্রথম দফায় সরাসরি ২৫২টি মাদ্রাসা অবিলম্বে…