রাজ্য রাজনীতি
ভারতবর্ষ
বিজেপির খবর
চারটি নাড়ুর মধ্যে খেলেন মাত্র দুটি! সুদীপ-নয়নার আতিথেয়তায় মুগ্ধ মুখ্যমন্ত্রী, তুঙ্গে ‘নাড়ু কূটনীতি’র চর্চা!
প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোর সন্ধ্যায় উত্তর কলকাতার তালতলায় এনসিপিআই (NCPI) সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাসভবনে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর হাইপ্রোফাইল সফরকে ঘিরে যেমন রাজনৈতিক পারদ চড়েছে, ঠিক তেমনই খবরের শিরোনাম কেড়ে নিয়েছে বন্দ্যোপাধ্যায় পরিবারের স্পেশাল আতিথেয়তা। উৎসবের আবহে ঘরোয়া আড্ডার খুঁটিনাটি এবং সুদীপ-নয়নার দেওয়া নাড়ু মুখে তুলে মুখ্যমন্ত্রীর রসিকতা এখন রাজনৈতিক মহলে ‘নাড়ু কূটনীতি’ নামে দেদার চর্চায় উঠে এসেছে। উত্তর কলকাতার এই ঐতিহ্যবাহী পুজোয় মুখ্যমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে কোনও ত্রুটি রাখেনি বন্দ্যোপাধ্যায় পরিবার। বিধায়ক তথা সুদীপ-জায়া নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়ের নিজস্ব তত্ত্বাবধানে মুখ্যমন্ত্রীর জন্য তৈরি করা হয়েছিল বিশেষ পুজো ভোগ।
সূত্রের খবর, আরতি শেষ করে সোফায় বসার পর মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সামনে একটি রুপোর থালায় করে বাড়ির তৈরি সুস্বাদু নারকেলের নাড়ু ও তিলের নাড়ু পরিবেশন করেন নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়। সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেই যত্ন করে মুখ্যমন্ত্রীকে চারটি নাড়ু খাওয়ার অনুরোধ জানান।
ঘর থেকে বেরিয়ে গাড়িতে ওঠার সময় এক রসাল প্রশ্নের জবাবে হাসিমুখে মুখ্যমন্ত্রী সাংবাদিকদের জানান, “সুদীপদা এবং বৌদি অত্যন্ত যত্ন করে থালায় চারটে বড় বড় নাড়ু দিয়েছিলেন। আমি তার মধ্যে থেকে মাত্র দুটো খেয়েছি।” মুখ্যমন্ত্রীর এই ঘরোয়া মেজাজের মন্তব্য মুহূর্তের মধ্যে রাজনৈতিক অলিন্দে ছড়িয়ে পড়ে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বাংলার রাজনীতিতে যখন আক্রমণ ও প্রতি-আক্রমণের সুর অত্যন্ত চড়া, তখন লক্ষ্মীপুজোর সন্ধ্যায় এই ধরণের ঘরোয়া আতিথেয়তা এবং ‘নাড়ু কূটনীতি’ এক অদ্ভুত সৌজন্যের বাতাবরণ তৈরি করে। একদিকে যখন দলবদল এবং আইনি লড়াই নিয়ে দিল্লি-কলকাতা তোলপাড়, তখন সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ড্রয়িংরুমে বসে মুখ্যমন্ত্রীর এই নাড়ু খাওয়া আসলে এক গভীর রাজনৈতিক রসায়নেরই ইঙ্গিত দেয়, যা আগামী দিনে কলকাতার ভোট সমীকরণে বড় ভূমিকা নিতে পারে।
তৃণমূলের খবর
৩ নভেম্বরের ডেডলাইনের আগেই সুদীপের পাশে শুভেন্দু! লোকসভার স্পিকারের চিঠির মাঝেই নয়া মোড়!
প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-দলবদলকারী ২০ জন লোকসভা সাংসদের ভাগ্য নির্ধারণ নিয়ে যখন দিল্লির রাজনৈতিক অলিন্দে চরম আইনি টানাপোড়েন চলছে, ঠিক তখনই কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোর সন্ধ্যায় উত্তর কলকাতার তালতলায় এনসিপিআই (NCPI) সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাসভবনে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সফর এক বিরাট রাজনৈতিক মাস্টারস্ট্রোক বলে মনে করছে বিশেষজ্ঞ মহল। লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার দেওয়া ৩ নভেম্বরের চরম সময়সীমার (Deadline) ঠিক মুখে খোদ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর সুদীপ বাবুর ঘরে গিয়ে পাশে দাঁড়ানো অত্যন্ত বড় কৌশলগত বার্তা। তৃণমূল কংগ্রেসের আপত্তির জেরে দলত্যাগ বিরোধী আইনের (Anti-Defection Law) আওতায় এই ২০ জন সাংসদের পদ খারিজের দাবিতে সরব হয়েছে বিরোধী শিবির, যার প্রেক্ষিতেই স্পিকারের তরফ থেকে জবাবদিহি চেয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছিল।
তৃণমূলের টিকিটে জিতে পরবর্তীতে এনসিপিআই-তে যোগ দেওয়া ২০ জন সাংসদের মধ্যে সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় অন্যতম প্রধান মুখ। লোকসভার স্পিকারের পাঠানো চিঠির উত্তর দেওয়ার জন্য সুদীপ বাবুরা আগামী ৩ নভেম্বর পর্যন্ত সময় চেয়েছেন। এই চরম আইনি ও রাজনৈতিক সঙ্কটের মাঝেই খোদ রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধান শুভেন্দু অধিকারীর তাঁর বাড়িতে পদার্পণ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজনৈতিক অবস্থানকে অনেকটাই মজবুত করল। বৈঠক শেষে শুভেন্দু অধিকারী স্পষ্ট করে দেন যে, জাতীয় স্বার্থে এবং দিল্লির এনডিএ (NDA) সরকারকে শক্তিশালী করতে সুদীপ বাবুরা যে পদক্ষেপ নিয়েছেন, তার পাশে রাজ্য সরকার ও কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব সম্পূর্ণভাবে রয়েছে। রাজনৈতিক মহলের মতে, এই সফরের মাধ্যমে শুভেন্দু অধিকারী আসলে সুদীপ বাবুকে এই বার্তাই দিলেন যে, দিল্লির আইনি লড়াইয়ে নবান্ন তাঁর সাথে সমানভাবে লড়বে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ৩ নভেম্বরের ডেডলাইনের ঠিক এক সপ্তাহ আগে এই হাই-প্রোফাইল সাক্ষাৎ বিরোধী শিবিরের ওপর একটি তীব্র মনস্তাত্ত্বিক চাপ তৈরি করল। এর মাধ্যমে স্পষ্ট হয়ে গেল যে, এনসিপিআই সাংসদদের আইনি জটিলতা থেকে বের করে আনতে বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব ও আইনি সেল ইতিমধ্যেই ব্যাক-চ্যানেলে সক্রিয়। লক্ষ্মীপুজোর আবহে এই মাস্টারস্ট্রোক আগামী ৩ নভেম্বর সংসদের স্পিকারের ঘরে সুদীপ বাবুদের কী আইনি স্বস্তি এনে দেয়, এখন সেটাই দেখার।
কলকাতা
পশ্চিমবঙ্গ
চারটি নাড়ুর মধ্যে খেলেন মাত্র দুটি! সুদীপ-নয়নার আতিথেয়তায় মুগ্ধ মুখ্যমন্ত্রী, তুঙ্গে ‘নাড়ু কূটনীতি’র চর্চা!
প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোর সন্ধ্যায় উত্তর কলকাতার তালতলায় এনসিপিআই (NCPI) সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাসভবনে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর হাইপ্রোফাইল সফরকে ঘিরে যেমন রাজনৈতিক পারদ চড়েছে, ঠিক তেমনই খবরের শিরোনাম কেড়ে নিয়েছে…
৩ নভেম্বরের ডেডলাইনের আগেই সুদীপের পাশে শুভেন্দু! লোকসভার স্পিকারের চিঠির মাঝেই নয়া মোড়!
প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-দলবদলকারী ২০ জন লোকসভা সাংসদের ভাগ্য নির্ধারণ নিয়ে যখন দিল্লির রাজনৈতিক অলিন্দে চরম আইনি টানাপোড়েন চলছে, ঠিক তখনই কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোর সন্ধ্যায় উত্তর কলকাতার তালতলায় এনসিপিআই (NCPI) সাংসদ সুদীপ…
সল্টলেকে এলাহি কাণ্ড! নামী ধাবায় হানা দিতেই চক্ষু চড়কগাছ আধিকারিকদের! বন্ধের নোটিশ দিয়ে ঝুলল তালা!
প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-আপনি কি সল্টলেকের সিটি সেন্টারের আশেপাশে গেলেই জম্পেশ করে খাওয়াদাওয়া করেন? তবে আপনার জন্য রয়েছে অত্যন্ত চাঞ্চল্যকর ও চোখ কপালে ওঠার মতো খবর! সল্টলেকের সেক্টর ১-এর অন্যতম জনপ্রিয়…
“মা কালীর অভিশাপেই এই হাল!” কাকদ্বীপে দাঁড়িয়ে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীকে নজিরবিহীন নিশানা শুভেন্দুর!
প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-“কাকদ্বীপে মা কালীকে প্রিজন ভ্যানে তোলা হয়েছিল। যে আইপিএস (IPS) অফিসার দায়িত্বে ছিলেন, তাঁকে সাসপেন্ড করেছি। আর যে মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে তা হয়েছিল, তাঁকে মহালয়ার দিন দিল্লিতে প্রিজন ভ্যানে…
“ভোটের আগেই পালিয়েছে পুষ্পা!” কাকদ্বীপে দাঁড়িয়ে হুঙ্কার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর! নয়া FIR-এর হুঁশিয়ারি!
প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-দক্ষিণ ২৪ পরগনার কাকদ্বীপে প্রশাসনিক বৈঠক শেষে এক মেগা জনসভা থেকে ফের চেনা মেজাজে বিরোধীদের তুলোধোনা করলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। নাম না করে তৃণমূল নেতৃত্বকে নিশানা করে…