রাজ্য রাজনীতি
ভারতবর্ষ
বিজেপির খবর
ক্ষমতার বদলে ঘুচল অহংকার! ওড়িশার চাপে দিঘার ‘ধাম’ বিতর্ক ধুয়ে সাফ করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু!
প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-কথায় বলে, ধর্মের কল বাতাসে নড়ে! আর ক্ষমতার অহংকারে অন্ধ হয়ে শাস্ত্রের বিধানকে বুড়ো আঙুল দেখালে যে শেষমেশ মুখ থুবড়ে পড়তে হয়, তা আজ প্রমাণ হয়ে গেল নবান্নে। কোটি কোটি টাকা ওড়ালেই কি রাতারাতি ‘ধাম’ তৈরি হয়ে যায়? পূর্বতন তৃণমূল জমানার সেই খামখেয়ালি দম্ভকে এক ঝটকায় ধূলিসাৎ করে দিলেন রাজ্যের নতুন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। নবান্ন থেকে সাফ জানিয়ে দেওয়া হলো— দিঘার মন্দিরকে আর ‘ধাম’ বলা যাবে না। মন্দিরটির নাম থেকে ‘ধাম’ শব্দটি চিরতরে মুছে ফেলা হলো। ২০২৫ সালের এপ্রিলে দিঘার এই মন্দির উদ্বোধনের সময় থেকেই তীব্র বিতর্ক দানা বেঁধেছিল। ওড়িশার বিজেপি সরকারের মুখ্যমন্ত্রী মোহন চরন মাঝির কড়া আপত্তি আর কোটি কোটি জগন্নাথ ভক্তের ক্ষোভের পর অবশেষে পূর্বতন সরকারের সেই বিতর্কিত সিদ্ধান্ত সংশোধন করতে বাধ্য হলো বর্তমান প্রশাসন। ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রীর পাঠানো সেই আপত্তির চিঠি পুরীর সাংসদ সম্বিত পাত্র আজ নবান্নে এসে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর হাতে তুলে দিতেই এই ঐতিহাসিক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
শাস্ত্রের অমোঘ নিয়ম অনুযায়ী চার ধামের অন্যতম হলো পুরীর শ্রীক্ষেত্র। গায়ের জোরে দিঘায় পুরীর ‘রেপ্লিকা’ বানিয়ে তাকে ‘ধাম’ তকমা দিয়ে দেওয়া কি ওড়িশা এবং সনাতনীদের ধর্মীয় ভাবাবেগে চরম আঘাত করা ছিল না? কেন এই বিকৃতি? পর্যটন ব্যবসা আর সস্তার চমক দেওয়ার জন্য সনাতন ধর্মের ঐতিহ্যকে খাটো করার যে নির্লজ্জ চেষ্টা পূর্বতন তৃণমূল সরকার করেছিল, তা আজ বাংলায় ক্ষমতা বদলের পর কেন সংশোধন করতে হলো? এটা কি শুদ্ধিকরণ নয়?কোথায় গেল সেই একগুঁয়ে জেদ? ওড়িশার পুরোহিত সমাজ ও গজপতি মহারাজ যখন সাফ জানিয়ে দিলেন— পুরীই একমাত্র জগন্নাথ ধাম, ওড়িশা সরকার যখন কড়া চিঠি পাঠাল, ঠিক তখনই কেন পিছু হটতে হলো? ক্ষমতার পালাবদলে কি অবশেষে বাংলায় সত্যের জয় হলো না?
আইনি জটিলতা আর ধর্মীয় বিতর্ক এড়াতে রাজ্য সরকার এখন এই ড্যামেজ কন্ট্রোলে নেমেছে। পুরো চত্বরটির নতুন সরকারি নাম দেওয়া হয়েছে ‘শ্রীশ্রী জগন্নাথ সাংস্কৃতিক কেন্দ্র’। আর মূল মন্দিরটি যেখানে ভক্তরা পুজো দেবেন, তা পরিচিত হবে ‘শ্রী জগন্নাথদেব মন্দির’ হিসেবে। যাক, ‘ধাম’ শব্দটার সস্তা অহংকার অন্তত ঘুচল! তবে স্বস্তির বিষয় এটাই যে, নামবদল হলেও সেখানে সনাতন ধর্মের সংস্কৃতি ও শাস্ত্রীয় রীতিনীতি মেনেই নিত্য পূজাপাঠ সম্পন্ন হবে। কলকাতার ইসকনের সহ-সভাপতি তথা মন্দিরের প্রধান পুরোহিত ও ট্রাস্টি রাধারমণ দাসও সরকারের এই ঐতিহাসিক সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন।
রাজনীতি নিজের জায়গায়, কিন্তু সনাতন ধর্মের ঐতিহ্য আর শাস্ত্রের মর্যাদা সবার উপরে। পূর্বতন জমানের যে ‘ভুল’ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে সরব ছিলেন স্বয়ং শুভেন্দু অধিকারী, আজ মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে নবান্নে বসেই তিনি সেই ভুলের প্রায়শ্চিত্ত করলেন। দেরিতে হলেও সত্য এবং সনাতন সংস্কৃতির জয় হলো, এটাই আসল কথা।
তৃণমূলের খবর
ক্ষমতার বদলে ঘুচল অহংকার! ওড়িশার চাপে দিঘার ‘ধাম’ বিতর্ক ধুয়ে সাফ করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু!
প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-কথায় বলে, ধর্মের কল বাতাসে নড়ে! আর ক্ষমতার অহংকারে অন্ধ হয়ে শাস্ত্রের বিধানকে বুড়ো আঙুল দেখালে যে শেষমেশ মুখ থুবড়ে পড়তে হয়, তা আজ প্রমাণ হয়ে গেল নবান্নে। কোটি কোটি টাকা ওড়ালেই কি রাতারাতি ‘ধাম’ তৈরি হয়ে যায়? পূর্বতন তৃণমূল জমানার সেই খামখেয়ালি দম্ভকে এক ঝটকায় ধূলিসাৎ করে দিলেন রাজ্যের নতুন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। নবান্ন থেকে সাফ জানিয়ে দেওয়া হলো— দিঘার মন্দিরকে আর ‘ধাম’ বলা যাবে না। মন্দিরটির নাম থেকে ‘ধাম’ শব্দটি চিরতরে মুছে ফেলা হলো। ২০২৫ সালের এপ্রিলে দিঘার এই মন্দির উদ্বোধনের সময় থেকেই তীব্র বিতর্ক দানা বেঁধেছিল। ওড়িশার বিজেপি সরকারের মুখ্যমন্ত্রী মোহন চরন মাঝির কড়া আপত্তি আর কোটি কোটি জগন্নাথ ভক্তের ক্ষোভের পর অবশেষে পূর্বতন সরকারের সেই বিতর্কিত সিদ্ধান্ত সংশোধন করতে বাধ্য হলো বর্তমান প্রশাসন। ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রীর পাঠানো সেই আপত্তির চিঠি পুরীর সাংসদ সম্বিত পাত্র আজ নবান্নে এসে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর হাতে তুলে দিতেই এই ঐতিহাসিক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
শাস্ত্রের অমোঘ নিয়ম অনুযায়ী চার ধামের অন্যতম হলো পুরীর শ্রীক্ষেত্র। গায়ের জোরে দিঘায় পুরীর ‘রেপ্লিকা’ বানিয়ে তাকে ‘ধাম’ তকমা দিয়ে দেওয়া কি ওড়িশা এবং সনাতনীদের ধর্মীয় ভাবাবেগে চরম আঘাত করা ছিল না? কেন এই বিকৃতি? পর্যটন ব্যবসা আর সস্তার চমক দেওয়ার জন্য সনাতন ধর্মের ঐতিহ্যকে খাটো করার যে নির্লজ্জ চেষ্টা পূর্বতন তৃণমূল সরকার করেছিল, তা আজ বাংলায় ক্ষমতা বদলের পর কেন সংশোধন করতে হলো? এটা কি শুদ্ধিকরণ নয়?কোথায় গেল সেই একগুঁয়ে জেদ? ওড়িশার পুরোহিত সমাজ ও গজপতি মহারাজ যখন সাফ জানিয়ে দিলেন— পুরীই একমাত্র জগন্নাথ ধাম, ওড়িশা সরকার যখন কড়া চিঠি পাঠাল, ঠিক তখনই কেন পিছু হটতে হলো? ক্ষমতার পালাবদলে কি অবশেষে বাংলায় সত্যের জয় হলো না?
আইনি জটিলতা আর ধর্মীয় বিতর্ক এড়াতে রাজ্য সরকার এখন এই ড্যামেজ কন্ট্রোলে নেমেছে। পুরো চত্বরটির নতুন সরকারি নাম দেওয়া হয়েছে ‘শ্রীশ্রী জগন্নাথ সাংস্কৃতিক কেন্দ্র’। আর মূল মন্দিরটি যেখানে ভক্তরা পুজো দেবেন, তা পরিচিত হবে ‘শ্রী জগন্নাথদেব মন্দির’ হিসেবে। যাক, ‘ধাম’ শব্দটার সস্তা অহংকার অন্তত ঘুচল! তবে স্বস্তির বিষয় এটাই যে, নামবদল হলেও সেখানে সনাতন ধর্মের সংস্কৃতি ও শাস্ত্রীয় রীতিনীতি মেনেই নিত্য পূজাপাঠ সম্পন্ন হবে। কলকাতার ইসকনের সহ-সভাপতি তথা মন্দিরের প্রধান পুরোহিত ও ট্রাস্টি রাধারমণ দাসও সরকারের এই ঐতিহাসিক সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন।
রাজনীতি নিজের জায়গায়, কিন্তু সনাতন ধর্মের ঐতিহ্য আর শাস্ত্রের মর্যাদা সবার উপরে। পূর্বতন জমানের যে ‘ভুল’ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে সরব ছিলেন স্বয়ং শুভেন্দু অধিকারী, আজ মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে নবান্নে বসেই তিনি সেই ভুলের প্রায়শ্চিত্ত করলেন। দেরিতে হলেও সত্য এবং সনাতন সংস্কৃতির জয় হলো, এটাই আসল কথা।
কলকাতা
পশ্চিমবঙ্গ
ক্ষমতার বদলে ঘুচল অহংকার! ওড়িশার চাপে দিঘার ‘ধাম’ বিতর্ক ধুয়ে সাফ করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু!
প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-কথায় বলে, ধর্মের কল বাতাসে নড়ে! আর ক্ষমতার অহংকারে অন্ধ হয়ে শাস্ত্রের বিধানকে বুড়ো আঙুল দেখালে যে শেষমেশ মুখ থুবড়ে পড়তে হয়, তা আজ প্রমাণ হয়ে গেল নবান্নে।…
কৃষ্ণনগরে ধুন্ধুমার: প্রাক্তন তৃণমূল মন্ত্রী উজ্জ্বল বিশ্বাসের বাড়ি ঘিরে তুমুল বিক্ষোভ, ধেয়ে এল ডিম! উঠল ত্রাণ চুরির গুরুতর অভিযোগ!
প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-সরকারি ত্রাণ সামগ্রী আত্মসাতের গুরুতর অভিযোগে এবার সরাসরি আমজনতার তীব্র ক্ষোভের মুখে পড়লেন প্রাক্তন মন্ত্রী তথা কৃষ্ণনগরের প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক উজ্জ্বল বিশ্বাস। তাঁর বাড়িতে বিপুল পরিমাণ সরকারি ত্রাণ…
“মমতা দি দিল্লিতে জেনেই বাড়িতে হানা, ওনার নামে তো এফআইআরও নেই!” সিআইডি অভিযানের ‘টাইমিং’ নিয়ে প্রশ্ন তুললেন কল্যাণ!
প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-বিধানসভায় বিধায়কদের সই জাল করার মামলার তদন্তে কালীঘাটে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কার্যালয়ে সিআইডি-র তল্লাশি অভিযান ঘিরে রাজনৈতিক উত্তেজনা তুঙ্গে। আর এই অভিযানের ‘টাইমিং’ বা সময় নির্বাচন নিয়ে…
“তল্লাশির নামে বিজেপির লোকেদের সাক্ষী করে এনেছে সিআইডি!” কালীঘাটে পৌঁছেই বিস্ফোরক দাবি কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের!
প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-বিধানসভায় বিধায়কদের সই জাল মামলার তদন্তে কালীঘাটে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কার্যালয়ে সিআইডি-র হানা ঘিরে ছড়ালো তীব্র চাঞ্চল্য। তবে এই তল্লাশি অভিযানের আইনি প্রক্রিয়া নিয়েই এবার এক নজিরবিহীন…
কালীঘাটে সিআইডি হানা দিতেই শুভেন্দুর বিরুদ্ধে ‘প্রতিহিংসার’ অভিযোগ কল্যাণের, তীব্র প্রতিক্রিয়া পদ্ম শিবিরের!
প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-বিধানসভায় বিধায়কদের সই জাল করার মামলার তদন্তে আজ এক বড় পদক্ষেপ নিল রাজ্য গোয়েন্দা সংস্থা সিআইডি। আজ বিকেলে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কালীঘাটের ৩০ বি হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিটের…