রাজ্য রাজনীতি
ভারতবর্ষ
বিজেপির খবর
খেল খতম বাম-তৃণমূলের ভোট-ব্যাঙ্কের! স্কুলকে ‘দলীয় কার্যালয়’ বানানোর দিন শেষ করলেন শুভেন্দু!
প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-পশ্চিমবঙ্গের স্কুল শিক্ষাকে কয়েক দশক ধরে গ্রাস করে রাখা রাজনৈতিক পঙ্কিলতা থেকে মুক্ত করতে সবচেয়ে বড় সার্জিক্যাল স্ট্রাইকটি চালিয়ে দিল রাজ্যের বর্তমান বিজেপি সরকার। বুধবার নবান্নে রাজ্য ক্যাবিনেটের ঐতিহাসিক বৈঠক শেষে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, আজকের পর থেকে যারা নতুন শিক্ষক বা শিক্ষিকা হিসেবে নিযুক্ত হবেন, তাঁদের প্রত্যক্ষ রাজনীতি এবং ভোটে লড়া কঠোরভাবে নিষিদ্ধ। রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, এই একটি সিদ্ধান্ত বাংলার শিক্ষাঙ্গনের বুক থেকে বামফ্রন্ট এবং তৃণমূলের দীর্ঘ ৪৫ বছরের নোংরা রাজনীতির বিষবৃক্ষকে সমূলে উপড়ে ফেলল।
নবান্নের এই নজিরবিহীন সিদ্ধান্ত সামনে আসতেই রাজনৈতিক ও শিক্ষা মহলে তীব্র চর্চা শুরু হয়েছে। বিজেপির ঘনিষ্ঠ রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশ রীতিমতো কড়া ভাষায় পূর্বতন দুই জমানাকে কাঠগড়ায় দাঁড় করাচ্ছেন। সমালোচকদের তীব্র আক্রমণ, দীর্ঘ ৩৪ বছরের বাম জমানায় বাংলার স্কুলগুলিকে পঠনপাঠনের চেয়ে সিপিএমের দলীয় কার্যালয় হিসেবে বেশি ব্যবহার করা হতো।শিক্ষকদের একাংশ ক্লাসরুমে পড়ানোর চেয়ে পার্টির ‘লেভি’ আদায়, মিছিলে লোক জড়ো করা এবং বুথ দখলের ভোট-ম্যানেজার হিসেবে কাজ করতেন। মেধার তোয়াক্কা না করে শুধুমাত্র ‘পার্টির বিশ্বস্ত ক্যাডার’দের শিক্ষকতার চাকরি দিয়ে গোটা শিক্ষা ব্যবস্থার মেরুদণ্ড ভেঙে দিয়েছিল বামেরা, এমনটাই অভিযোগ ওয়াকিবহাল মহলের। বামেদের সেই ক্যাডার রাজকে আরও কয়েক ধাপ এগিয়ে নিয়ে গিয়ে বিগত ১৫ বছরে তৃণমূল কংগ্রেস বাংলার শিক্ষাকে দুর্নীতির আঁতুড়ঘর বানিয়ে ফেলেছিল বলে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করছেন বিশ্লেষকেরা। ওএমআর শিট জালিয়াতি, কোটি কোটি টাকার বিনিময়ে অযোগ্যদের চাকরি বিক্রি এবং তার জেরে ২৬,০০০ শিক্ষকের চাকরি বাতিলের মতো নজিরবিহীন কেলেঙ্কারি বাংলার মাথা বিশ্ব দরবারে হেঁট করে দিয়েছিল।
স্কুলগুলো হয়ে উঠেছিল স্থানীয় তৃণমূল নেতাদের তোলাবাজি ও সিন্ডিকেট রাজের চারণভূমি। রাজনৈতিক মহলের দাবি, বাম এবং তৃণমূল—উভয় সরকারই শিক্ষকদের নিজেদের রাজনৈতিক আখের গোছানোর সস্তা দাবার ঘুঁটি হিসেবে ব্যবহার করে বাংলার ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জীবন অন্ধকারের দিকে ঠেলে দিয়েছিল। শুভেন্দুর এই সিদ্ধান্ত সেই দীর্ঘস্থায়ী অশুভ ক্ষমতার লোভকে চিরতরে চুরমার করে দিল।
মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জননেতা হিসেবে খুব ভালো করেই বোঝেন যে, শিক্ষা ব্যবস্থার আমূল সংস্কার ছাড়া নতুন বাংলা গড়া অসম্ভব। স্কুল সার্ভিস কমিশন (SSC)-এর নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়ার নিয়মাবলীর মধ্যেই তিনি এই অরাজনৈতিক থাকার শর্তটি বাধ্যতামূলক করেছেন। তবে তাঁর রাজনৈতিক দূরদর্শিতার চরম প্রমাণ পাওয়া গেল অন্য জায়গায়। তিনি অতীতে যারা রাজনীতি করেছেন বা করছেন, তাদের বর্তমান জনপ্রতিনিধিত্বের ক্ষমতা বা আইনি অধিকার খর্ব করেননি। অর্থাৎ, কোনো রকম আইনি প্যাঁচে না জড়িয়ে অত্যন্ত চতুর ও পরিপক্ক উপায়ে তিনি ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে সুরক্ষিত করে দিলেন। শুভেন্দুর এই সিদ্ধান্তকে বাংলার অভিভাবক সমাজ একটি ‘ঐতিহাসিক মাস্টারস্ট্রোক’ হিসেবে দেখছে, যা শিক্ষকদের আবার দলদাসের ভূমিকা থেকে মুক্ত করে শ্রদ্ধেয় ‘গুরু’র আসনে ফিরিয়ে দেবে।
তৃণমূলের খবর
খেল খতম বাম-তৃণমূলের ভোট-ব্যাঙ্কের! স্কুলকে ‘দলীয় কার্যালয়’ বানানোর দিন শেষ করলেন শুভেন্দু!
প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-পশ্চিমবঙ্গের স্কুল শিক্ষাকে কয়েক দশক ধরে গ্রাস করে রাখা রাজনৈতিক পঙ্কিলতা থেকে মুক্ত করতে সবচেয়ে বড় সার্জিক্যাল স্ট্রাইকটি চালিয়ে দিল রাজ্যের বর্তমান বিজেপি সরকার। বুধবার নবান্নে রাজ্য ক্যাবিনেটের ঐতিহাসিক বৈঠক শেষে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, আজকের পর থেকে যারা নতুন শিক্ষক বা শিক্ষিকা হিসেবে নিযুক্ত হবেন, তাঁদের প্রত্যক্ষ রাজনীতি এবং ভোটে লড়া কঠোরভাবে নিষিদ্ধ। রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, এই একটি সিদ্ধান্ত বাংলার শিক্ষাঙ্গনের বুক থেকে বামফ্রন্ট এবং তৃণমূলের দীর্ঘ ৪৫ বছরের নোংরা রাজনীতির বিষবৃক্ষকে সমূলে উপড়ে ফেলল।
নবান্নের এই নজিরবিহীন সিদ্ধান্ত সামনে আসতেই রাজনৈতিক ও শিক্ষা মহলে তীব্র চর্চা শুরু হয়েছে। বিজেপির ঘনিষ্ঠ রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশ রীতিমতো কড়া ভাষায় পূর্বতন দুই জমানাকে কাঠগড়ায় দাঁড় করাচ্ছেন। সমালোচকদের তীব্র আক্রমণ, দীর্ঘ ৩৪ বছরের বাম জমানায় বাংলার স্কুলগুলিকে পঠনপাঠনের চেয়ে সিপিএমের দলীয় কার্যালয় হিসেবে বেশি ব্যবহার করা হতো।শিক্ষকদের একাংশ ক্লাসরুমে পড়ানোর চেয়ে পার্টির ‘লেভি’ আদায়, মিছিলে লোক জড়ো করা এবং বুথ দখলের ভোট-ম্যানেজার হিসেবে কাজ করতেন। মেধার তোয়াক্কা না করে শুধুমাত্র ‘পার্টির বিশ্বস্ত ক্যাডার’দের শিক্ষকতার চাকরি দিয়ে গোটা শিক্ষা ব্যবস্থার মেরুদণ্ড ভেঙে দিয়েছিল বামেরা, এমনটাই অভিযোগ ওয়াকিবহাল মহলের। বামেদের সেই ক্যাডার রাজকে আরও কয়েক ধাপ এগিয়ে নিয়ে গিয়ে বিগত ১৫ বছরে তৃণমূল কংগ্রেস বাংলার শিক্ষাকে দুর্নীতির আঁতুড়ঘর বানিয়ে ফেলেছিল বলে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করছেন বিশ্লেষকেরা। ওএমআর শিট জালিয়াতি, কোটি কোটি টাকার বিনিময়ে অযোগ্যদের চাকরি বিক্রি এবং তার জেরে ২৬,০০০ শিক্ষকের চাকরি বাতিলের মতো নজিরবিহীন কেলেঙ্কারি বাংলার মাথা বিশ্ব দরবারে হেঁট করে দিয়েছিল।
স্কুলগুলো হয়ে উঠেছিল স্থানীয় তৃণমূল নেতাদের তোলাবাজি ও সিন্ডিকেট রাজের চারণভূমি। রাজনৈতিক মহলের দাবি, বাম এবং তৃণমূল—উভয় সরকারই শিক্ষকদের নিজেদের রাজনৈতিক আখের গোছানোর সস্তা দাবার ঘুঁটি হিসেবে ব্যবহার করে বাংলার ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জীবন অন্ধকারের দিকে ঠেলে দিয়েছিল। শুভেন্দুর এই সিদ্ধান্ত সেই দীর্ঘস্থায়ী অশুভ ক্ষমতার লোভকে চিরতরে চুরমার করে দিল।
মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জননেতা হিসেবে খুব ভালো করেই বোঝেন যে, শিক্ষা ব্যবস্থার আমূল সংস্কার ছাড়া নতুন বাংলা গড়া অসম্ভব। স্কুল সার্ভিস কমিশন (SSC)-এর নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়ার নিয়মাবলীর মধ্যেই তিনি এই অরাজনৈতিক থাকার শর্তটি বাধ্যতামূলক করেছেন। তবে তাঁর রাজনৈতিক দূরদর্শিতার চরম প্রমাণ পাওয়া গেল অন্য জায়গায়। তিনি অতীতে যারা রাজনীতি করেছেন বা করছেন, তাদের বর্তমান জনপ্রতিনিধিত্বের ক্ষমতা বা আইনি অধিকার খর্ব করেননি। অর্থাৎ, কোনো রকম আইনি প্যাঁচে না জড়িয়ে অত্যন্ত চতুর ও পরিপক্ক উপায়ে তিনি ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে সুরক্ষিত করে দিলেন। শুভেন্দুর এই সিদ্ধান্তকে বাংলার অভিভাবক সমাজ একটি ‘ঐতিহাসিক মাস্টারস্ট্রোক’ হিসেবে দেখছে, যা শিক্ষকদের আবার দলদাসের ভূমিকা থেকে মুক্ত করে শ্রদ্ধেয় ‘গুরু’র আসনে ফিরিয়ে দেবে।
কলকাতা
পশ্চিমবঙ্গ
খেল খতম বাম-তৃণমূলের ভোট-ব্যাঙ্কের! স্কুলকে ‘দলীয় কার্যালয়’ বানানোর দিন শেষ করলেন শুভেন্দু!
প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-পশ্চিমবঙ্গের স্কুল শিক্ষাকে কয়েক দশক ধরে গ্রাস করে রাখা রাজনৈতিক পঙ্কিলতা থেকে মুক্ত করতে সবচেয়ে বড় সার্জিক্যাল স্ট্রাইকটি চালিয়ে দিল রাজ্যের বর্তমান বিজেপি সরকার। বুধবার নবান্নে রাজ্য ক্যাবিনেটের…
রাজ্য ক্যাবিনেটের নজিরবিহীন সিদ্ধান্ত! শিক্ষকদের ভোটের ময়দানে নামা নিষিদ্ধ করলেন মুখ্যমন্ত্রী!
প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-পশ্চিমবঙ্গের শিক্ষাঙ্গনকে সম্পূর্ণ রাজনীতিমুক্ত করতে এক ঐতিহাসিক ও নজিরবিহীন সিদ্ধান্ত নিল রাজ্যের নতুন বিজেপি সরকার। আজ, ২৮ অক্টোবর ২০২৬ (বুধবার), নবান্নে আয়োজিত রাজ্য ক্যাবিনেটের (মন্ত্রিসভা) এক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ…
নজিরবিহীন নাটক সল্টলেকে! ইডি দফতর থেকে বেরোতেই প্রাক্তন মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেনকে গ্রেফতার করল কলকাতা পুলিশ!
প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্সে (CGO Complex) আজ বিকেলে ঘটে গেল এক নজিরবিহীন নাটকীয় ঘটনা। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি (ED)-র জেরা সামলে বেরোতেই রাজ্যের প্রাক্তন তথ্য ও সংস্কৃতি মন্ত্রী তথা…
বিধানসভায় তুলকালাম! হামিদুল-শিউলির পর এবার কি কাজল শেখ? মিষ্টি-মুখে ফাটল ‘ঋত’ শিবিরে!
প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে ফের একবার বড়সড় ভাঙনের জল্পনা তুঙ্গে! হামিদুল রহমান, সন্দীপন এবং শিউলি সাহার পর এবার রাজ্য রাজনীতির আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে বীরভূমের দাপুটে নেতা তথা হাসন বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক…
শপথ নিলেন নন্দীগ্রামের হাসিরানি রথ ও রেজিনগরের শাখারভ সরকার! বিধানসভায় চাঁদের হাট!
প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-উপনির্বাচনে ঐতিহাসিক জয়ের পর আজ পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় আনুষ্ঠানিকভাবে বিধায়ক পদের শপথ নিলেন নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরের দুই নবনির্বাচিত প্রতিনিধি। বুধবার (২৮ অক্টোবর) বেলা ঠিক ১১টায় বিধানসভার স্পিকারের কক্ষে আয়োজিত…