রাজ্য রাজনীতি
ভারতবর্ষ
বিজেপির খবর
নবান্নে স্বস্তি? তৃণমূলের প্রতীক ফ্রিজ হতেই বিজেপির অন্দরে নতুন সমীকরণ!
প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের নাম এবং তাদের ঐতিহ্যবাহী ‘জোড়া ঘাসফুল’ প্রতীক নির্বাচন কমিশন কর্তৃক সাময়িকভাবে ফ্রিজ (স্থগিত) করার পর পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক সমীকরণ এক নাটকীয় মোড় নিয়েছে। ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে ঐতিহাসিক জয়ের পর রাজ্যে এই প্রথম গঠিত হয়েছে বিজেপি সরকার। নবান্নে মসনদ সামলানোর চার মাসের মাথায় প্রধান বিরোধী শিবিরের এই চরম বিপর্যয়কে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণভাবে দেখছে পদ্ম শিবির। বাইরে বিরোধী কোন্দলকে “দুর্নীতির অবশ্যম্ভাবী পরিণতি” বলে কটাক্ষ করলেও, পর্দার আড়ালে উপনির্বাচন জয় এবং ২০২৬-এর পরবর্তী রাজনৈতিক জমি মজবুত করতে এক মাস্টারপ্ল্যান সাজাচ্ছেন বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব।
আগামী ৬ অক্টোবর ২০২৬ রাজ্যের নন্দীগ্রাম এবং রেজিনগর বিধানসভা কেন্দ্রে উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে চলেছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, তৃণমূলের প্রতীক ফ্রিজ হয়ে যাওয়ার ঘটনাটি বিজেপির জন্য এক বিরাট রাজনৈতিক আশীর্বাদ। নন্দীগ্রাম আসনটি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর ছেড়ে দেওয়া আসন। এখানে বিজেপি প্রার্থী করেছে স্থানীয় আবেগ জড়ানো হাসিরানি রথ-কে। ঘাসফুল প্রতীক না থাকায় এবং তৃণমূলের ভোট দুটি সম্পূর্ণ নতুন ও অপরিচিত প্রতীকে ভাগ হয়ে যাওয়ার ফলে, বিজেপি এখানে অত্যন্ত সুবিধাজনক অবস্থায় রয়েছে। মুর্শিদাবাদের রেজিনগরে সংখ্যালঘু ভোটব্যাঙ্ক বড় ফ্যাক্টর। তৃণমূলের ভোট বিভাজনের ফায়দা তুলে সেখানে বিজেপি তাদের রাজ্য সম্পাদক শাখারভ সরকার-কে জিতিয়ে এক নজিরবিহীন মেরুকরণের জয় হাসিল করতে চাইছে।
তৃণমূলের মূল প্রতীক ও নাম স্তব্ধ হয়ে যাওয়ায় রাজ্য বিজেপির অন্দরে এক নতুন রাজনৈতিক চর্চা শুরু হয়েছে। বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের একাংশের মতে, এই চরম সংকটের সুযোগ নিয়ে তৃণমূলের প্রথাগত সংখ্যালঘু এবং ধর্মনিরপেক্ষ ভোটব্যাঙ্ক যেন কোনওভাবেই বাম-কংগ্রেস জোটের দিকে শিফট না হতে পারে। বিরোধী ভোট পুরোপুরি কংগ্রেস-বামের দিকে মেরুকরণ হলে তা দীর্ঘমেয়াদে বিজেপির জন্য চ্যালেঞ্জ হতে পারে। তাই নবান্নের থিঙ্ক ট্যাঙ্ক চাইছে, তৃণমূলের নিচুতলার ক্ষুব্ধ এবং বিভ্রান্ত কর্মীবাহিনীকে সরাসরি পদ্ম শিবিরে টেনে নিতে। বিজেপির এক শীর্ষ নেতার কথায়, “তৃণমূলের প্রতীক চলে যাওয়ার মানে হলো একটা তিন দশকের রাজনৈতিক আবেগের মৃত্যু। ওই দলের নিচুতলার সৎ কর্মীরা এখন নেতৃত্বহীন। আমাদের লক্ষ্য তাদের বোঝানো যে, বাংলায় বিকল্প সুশাসন কেবল বিজেপির পক্ষেই সম্ভব।”
তৃণমূলের অভ্যন্তরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের গোষ্ঠী এবং বিদ্রোহী ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের গোষ্ঠীর আইনি লড়াইকে বিজেপি সরকার কেবল দূর থেকে পর্যবেক্ষণ করছে। কারণ, বিরোধী শিবির যত বেশি আইনি ও সাংগঠনিক জাঁতাকলে ব্যস্ত থাকবে, নবান্নে প্রশাসনিক সংস্কার ও শিল্পায়নের কাজ পরিচালনা করা নতুন সরকারের পক্ষে ততটাই স্বস্তিদায়ক হবে। সব মিলিয়ে, ঘাসফুল প্রতীক স্তব্ধ হওয়ার এই ঐতিহাসিক মাহেন্দ্রক্ষণকে কাজে লাগিয়ে বিজেপি বাংলায় নিজেদের জমি এতটাই নিষ্কণ্টক করতে চায়, যাতে আগামী দিনে কোনও আঞ্চলিক শক্তি আর তাদের চ্যালেঞ্জ করতে না পারে।
তৃণমূলের খবর
ভেঙে গেল সব গোপনীয়তা! জোড়াফুল হাতছাড়া হতেই নির্বাচন কমিশনে কোন নাম পাঠাল কালীঘাট?
প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-চরম নাটকীয়তা ও টানটান স্নায়ুযুদ্ধের অবসান! নির্বাচন কমিশনের কড়া ডেডলাইন মেনে শুক্রবার সকাল ১১টার ঠিক আগেই নিজেদের নতুন নাম ও প্রতীকের তালিকা জমা দিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন ‘কালীঘাট তৃণমূল’। জোড়াফুল প্রতীক সাময়িকভাবে ‘ফ্রিজ’ হওয়ার পর, ব্যালট পেপারে নিজেদের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে কোন নাম ও চিহ্নকে প্রথম পছন্দ হিসেবে বেছে নিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, তা নিয়ে অবশেষে পর্দা সরল।
নির্বাচন কমিশনের স্পষ্ট গাইডলাইন ছিল—মূল দল ‘অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেস’ নামটি কোনো পক্ষই ব্যবহার করতে পারবে না। তবে মূল দলের নামের সাথে সংযোগ রেখে অন্য নাম চাওয়া যেতে পারে। সূত্রের খবর, কালীঘাটপন্থী তৃণমূলের পাঠানো ৩টি বিকল্প নামের তালিকায় একদম প্রথম পছন্দ হিসেবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নিজের নামের ছোঁয়া রাখা হয়েছে। দলের সম্ভাব্য নতুন নাম হিসেবে ‘তৃণমূল কংগ্রেস-মমতা’ বা ‘অল ইন্ডিয়া তৃণমূল-মমতা’-র মতো নামগুলিকে অগ্রাধিকার দিয়ে সিলমোহর চেয়েছে কালীঘাট শিবির। ঘাসফুল ও জোড়াফুল প্রতীক চলে গেলেও, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ব্যক্তিগত জনপ্রিয়তাকে পুঁজি করেই যে দল উপনির্বাচনের বৈতরণী পার করতে চাইছে, এই নাম নির্বাচন তারই বড় প্রমাণ।
কমিশনের তালিকাভুক্ত মুক্ত প্রতীক (Free Symbols)-এর মধ্য থেকে ৩টি সম্ভাব্য চিহ্নের পছন্দক্রমও ইমেলের মাধ্যমে পাঠিয়েছে কালীঘাট। যেহেতু ঘাসের ওপর জোড়াফুল প্রতীকটি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নিজের হাতে আঁকা, তাই প্রতীক হারানোর ক্ষোভের মাঝেই তারা এমন কিছু প্রতীক বেছে নিয়েছে যা সাধারণ মানুষের কাছে দ্রুত পৌঁছানো যায়।
কালীঘাটের পাশাপাশি আজ শুক্রবার সকালে নিজেদের পছন্দের নামের তালিকা নির্বাচন কমিশনে পাঠিয়েছে বিদ্রোহী ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন গোষ্ঠীও। ঋতব্রতপন্থী শিবিরের পছন্দের তালিকায় প্রথম দুটি নাম হলো: ‘ন্যাশনালিস্ট তৃণমূল কংগ্রেস”ডেমোক্রেটিক তৃণমূল কংগ্রেস’। আজ বিকেলের মধ্যেই নির্বাচন কমিশন দুই শিবিরের জমা দেওয়া তালিকা চূড়ান্তভাবে খতিয়ে দেখে নতুন অন্তর্বর্তীকালীন নাম ও প্রতীক ঘোষণা করতে পারে। আর এই আবহে আজ বিকেলেই কালীঘাটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও বিস্ফোরক সাংবাদিক বৈঠক করতে পারেন বলে রাজনৈতিক মহলে জোর গুঞ্জন তৈরি হয়েছে।
কলকাতা
পশ্চিমবঙ্গ
ভেঙে গেল সব গোপনীয়তা! জোড়াফুল হাতছাড়া হতেই নির্বাচন কমিশনে কোন নাম পাঠাল কালীঘাট?
প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-চরম নাটকীয়তা ও টানটান স্নায়ুযুদ্ধের অবসান! নির্বাচন কমিশনের কড়া ডেডলাইন মেনে শুক্রবার সকাল ১১টার ঠিক আগেই নিজেদের নতুন নাম ও প্রতীকের তালিকা জমা দিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন ‘কালীঘাট…
অন্তর্বর্তী ঝড়ের পর চূড়ান্ত রায় কবে? নির্বাচন কমিশনের প্যারা-১৫ রুলিংয়ের নেপথ্যে কী?
প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের নাম এবং তাদের সংরক্ষিত ‘জোড়া ঘাসফুল’ প্রতীক ভারতের নির্বাচন কমিশন (ECI) কর্তৃক সাময়িকভাবে ফ্রিজ (স্থগিত) করার পর, বাংলার রাজনীতির জল এবার গড়াল দীর্ঘমেয়াদি ও জটিল…
প্রতীক ফ্রিজ হতেই নিচুতলার কর্মীদের মাথায় আকাশ ভাঙল! কোন দিকে যাবেন ঘাসফুলের ‘দাদারা’?
প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-ভারতের নির্বাচন কমিশন কর্তৃক অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেসের নাম এবং তাদের সংরক্ষিত ‘জোড়া ঘাসফুল’ প্রতীক সাময়িকভাবে ফ্রিজ (স্থগিত) করার সিদ্ধান্তের পর সবচেয়ে বড় ধাক্কা এসেছে বাংলার নিচুতলার লক্ষাধিক…
“অধিকার বংশানুক্রমিক নয়!” ঋতব্রতর হুঙ্কারে স্পষ্ট ‘আসল তৃণমূল’ দখলের ব্লু-প্রিন্ট!
প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের নাম ও ‘জোড়া ঘাসফুল’ প্রতীক নির্বাচন কমিশন কর্তৃক সাময়িকভাবে ফ্রিজ (স্থগিত) করার পর, বাংলার রাজনীতিতে সবচেয়ে বড় আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু এখন অরূপ রায় এবং ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের…
ফ্রি-সিম্বলের লড়াই! ১৮ তারিখের ডেডলাইনে কোন ৩টি নাম ও প্রতীক বাছলেন মমতা?
প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের নাম এবং ‘জোড়া ঘাসফুল’ প্রতীক নির্বাচন কমিশন কর্তৃক সাময়িকভাবে ফ্রিজ (স্থগিত) করার পর আইনি লড়াই এবার পৌঁছাল এক নতুন মোড়ে। আজ, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ (শুক্রবার)…