রাজ্য রাজনীতি
ভারতবর্ষ
বিজেপির খবর
শমীকের সারপ্রাইজ গিফট! শুভেন্দুর হাতে তুলে দিলেন ২০২৬-এর সেই বিশেষ রক্ষাকবচ!
প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট- বঙ্গ রাজনীতির পারদ এখন সপ্তমে! ২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণা হতেই রাজ্যজুড়ে শুরু হয়েছে প্রবল উন্মাদনা। প্রচারের ময়দানে ইতিমধ্যেই ধুলো উড়িয়ে জনসভা শুরু করে দিয়েছেন জননেতা শুভেন্দু অধিকারী। তবে আজ রাজ্য বিজেপির সদর দপ্তরে যা ঘটল, তা এক কথায় ঐতিহাসিক। কয়েক হাজার উচ্ছ্বসিত বিজেপি কর্মীর উপস্থিতিতে রাজ্য বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য অত্যন্ত গাম্ভীর্যের সঙ্গে অথচ বিজয়ের হাসি মুখে নিয়ে শুভেন্দুর হাতে তুলে দিলেন এক বিশেষ বস্তু— নন্দীগ্রাম এবং ভবানীপুর, এই দুই হেভিওয়েট কেন্দ্রের লড়ার আনুষ্ঠানিক নির্বাচনী প্রতীক!
বিজেপি আগেই ঘোষণা করেছিল যে, এবার লড়াই হবে সম্মুখসমরে। একদিকে নিজের প্রাণের গড় নন্দীগ্রাম, যেখানে ২০২১-এ ইতিহাস লিখেছিলেন তিনি। আর অন্যদিকে খোদ মুখ্যমন্ত্রীর খাসতালুক ভবানীপুর— এই দুই কেন্দ্রেই এবার পদ্ম ফোটানোর সেনাপতি স্বয়ং শুভেন্দু অধিকারী। আজ সেই রণক্ষেত্রের ‘অস্ত্র’ বা প্রতীক শুভেন্দুর হাতে তুলে দিয়ে শমীক ভট্টাচার্য বুঝিয়ে দিলেন, সেনাপতি প্রস্তুত, এবার শুধু বিজয়ের ডঙ্কা বাজার অপেক্ষা।
প্রতীক হস্তান্তরের সময় শমীক ভট্টাচার্যের দৃপ্ত কণ্ঠে ঘোষণা শোনা গেল, “শুভেন্দু অধিকারী যেখানে পা রাখেন, সেখানেই নতুন ইতিহাস তৈরি হয়। এবার নন্দীগ্রাম তো বটেই, ভবানীপুরের বুকেও ফুটবে পদ্ম। বাংলা এবার আসল পরিবর্তন দেখতে চলেছে!” প্রতীক হাতে নিয়ে শুভেন্দুর সেই চিরপরিচিত আত্মবিশ্বাসী হাসি আর কর্মীদের উদ্দেশে তাঁর সংকেত বুঝিয়ে দিল— মাঠ তৈরি, এবার শুধু গোল দেওয়ার অপেক্ষা।
প্রতীক পাওয়ার খবর সোশ্যাল মিডিয়ায় চাউর হতেই রাজ্যজুড়ে বিজেপি কর্মীদের মধ্যে উৎসবের মেজাজ। চায়ের দোকান থেকে পাড়ার মোড়, সর্বত্র একটাই আলোচনা— “একটাই বাঘ, লড়াই হবে দুই জায়গায়! এবার আর রক্ষা নেই!” নিচুতলার কর্মীদের দাবি, শমীকের মগজস্ত্র আর শুভেন্দুর লড়াকু জেদ— এই দুইয়ের মেলবন্ধনে এবার নবান্ন দখল শুধু সময়ের অপেক্ষা।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, একই সঙ্গে নন্দীগ্রাম এবং ভবানীপুরের প্রতীক শুভেন্দুর হাতে তুলে দিয়ে বিজেপি আসলে শাসক শিবিরকে এক চরম মনস্তাত্ত্বিক চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিল। একদিকে নিজের মাটি রক্ষা, আর অন্যদিকে প্রতিপক্ষের দুর্গে হানা— শুভেন্দুর এই ‘ডাবল ধামাকা’ ২০২৬-এর নির্বাচনের সমীকরণকে এক লহমায় বদলে দিয়েছে।
এখন দেখার, শমীকের দেওয়া এই ‘বিশেষ রক্ষাকবচ’ হাতে নিয়ে শুভেন্দু অধিকারী ২০২৬-এর ব্যালট বক্সে ঠিক কতটা ঝড় তোলেন। তবে একটা কথা পরিষ্কার— শমীক-শুভেন্দু জুটি যে ঝোড়ো ব্যাটিং শুরু করে দিয়েছেন, তাতে বিপক্ষ শিবিরে এখন থেকেই ত্রাহি ত্রাহি রব!
তৃণমূলের খবর
ভবানীপুরের অলিতে-গলিতে ‘নন্দীগ্রামের নায়ক’: ৭৪ নম্বর ওয়ার্ডে শুভেন্দুর মেগা জনসংযোগ!
প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-
২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনের রণক্ষেত্র এবার খাস কলকাতা। আর সেই যুদ্ধের এপিসেন্টার বা কেন্দ্রবিন্দু— ভবানীপুর। রবিবার সন্ধ্যায় ভবানীপুর বিধানসভার ৭৪ নম্বর ওয়ার্ডের অলিগলিতে যখন বিরোধী দলনেতা তথা বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী প্রবেশ করলেন, তখন এলাকা জুড়ে এক অন্যরকম উন্মাদনা। উপলক্ষ ছিল ‘গৃহ সম্পর্ক অভিযান’, কিন্তু পরিবেশ দেখে মনে হচ্ছিল এ যেন এক বিজয়ী সেনাপতির নিজের এলাকায় প্রত্যাবর্তন।
রাজনৈতিক মহলের নজর এখন ভবানীপুরের দিকে থাকলেও, স্মৃতিতে টাটকা ২০২১ সালের সেই রোমাঞ্চকর লড়াই। শুভেন্দু অধিকারী সেই নেতা, যিনি বাংলার রাজনীতির খোলনলচে বদলে দিয়ে নন্দীগ্রামের মাটিতে স্বয়ং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে পরাজিত করেছিলেন। ১৯৫৬ ভোটে সেই জয় ছিল বাংলার সমকালীন রাজনীতির সবথেকে বড় অঘটন। এবার সেই একই জেদ আর আত্মবিশ্বাস নিয়ে শুভেন্দু দাঁড়িয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের খাসতালুক বলে পরিচিত ভবানীপুরে। নন্দীগ্রামের সেই ‘জায়ান্ট কিলার’ ইমেজকে সঙ্গী করেই আজ তিনি চষে ফেললেন ৭৪ নম্বর ওয়ার্ডের প্রতিটি গলি।
এদিন কোনো মঞ্চ বা মাইকের আস্ফালন ছিল না। শুভেন্দু অধিকারীকে দেখা গেল একেবারে সাধারণ মানুষের মেজাজে। ৭৪ নম্বর ওয়ার্ডের পদ্মপুকুর থেকে শুরু করে স্থানীয় বস্তি এলাকা— সর্বত্রই তিনি পৌঁছে গেলেন মানুষের দরজায়। প্রবীণদের পা ছুঁয়ে প্রণাম করা আর শিশুদের কোলে তুলে নেওয়ার সেই পরিচিত ভঙ্গিমায় তিনি বুঝিয়ে দিলেন, তিনি শুধু নেতা নন, তিনি মানুষের ঘরের লোক। গৃহ সম্পর্ক অভিযানে স্থানীয় বাসিন্দারা তাঁদের এলাকার জল নিকাশি থেকে শুরু করে নিরাপত্তার অভাব— সমস্ত অভিযোগ উগরে দিলেন তাঁর কাছে।
প্রচার চলাকালীন শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “নন্দীগ্রামে মানুষ যেমন অহঙ্কার চূর্ণ করেছিলেন, ভবানীপুরের মানুষও এবার পরিবর্তনের সংকল্প নিয়েছেন। অনেকে ভাবছেন এটা কঠিন লড়াই, কিন্তু মনে রাখবেন লড়াই যত কঠিন হয়, জয়ের স্বাদ ততটাই মিষ্টি হয়। ৭৪ নম্বর ওয়ার্ডের এই মানুষের চোখেমুখে যে আশার আলো দেখছি, তাতে স্পষ্ট যে এবার পদ্ম ফুটবেই।”
ভবানীপুরের এই ওয়ার্ডটি মিশ্র জনবসতিপূর্ণ এলাকা হিসেবে পরিচিত। বিগত নির্বাচনগুলোতে এখানে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই দেখা গেছে। শুভেন্দু অধিকারীর এই ‘ডোর-টু-ডোর’ ক্যাম্পেইন অত্যন্ত কৌশলগত। তিনি প্রতিটি বাড়ির ড্রয়িং রুমে পৌঁছে গিয়ে ভোটারদের এটা বোঝাতে চাইলেন যে, যাঁকে পরাজিত করে তিনি নন্দীগ্রামে ইতিহাস গড়েছিলেন, তাঁকে এবার তাঁর নিজের ঘরেই চ্যালেঞ্জ জানাতে প্রস্তুত বিজেপি।
শুভেন্দু অধিকারীর এই নিবিড় জনসংযোগ এবং নন্দীগ্রামের জয়ের সেই রেফারেন্স ভবানীপুরের রাজনৈতিক সমীকরণকে নতুন মাত্রা দিচ্ছে। গেরুয়া শিবিরের কর্মীদের মধ্যে এদিন ছিল উপচে পড়া আত্মবিশ্বাস। তাঁদের দাবি, দাদা (শুভেন্দু) মানেই জয়, আর সেই জয়ের রথ এবার ভবানীপুরের রাজপথ দিয়ে বীরদর্পে এগিয়ে চলেছে। আগামী ২৯শে এপ্রিল ভবানীপুরে ভোট। তার আগে শুভেন্দু অধিকারীর এই ঝটিকা সফর ও জনসংযোগ বিরোধী শিবিরকে যে যথেষ্ট চাপে রাখবে, তা বলাই বাহুল্য।
কলকাতা
পশ্চিমবঙ্গ
শমীকের সারপ্রাইজ গিফট! শুভেন্দুর হাতে তুলে দিলেন ২০২৬-এর সেই বিশেষ রক্ষাকবচ!
প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট- বঙ্গ রাজনীতির পারদ এখন সপ্তমে! ২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণা হতেই রাজ্যজুড়ে শুরু হয়েছে প্রবল উন্মাদনা। প্রচারের ময়দানে ইতিমধ্যেই ধুলো উড়িয়ে জনসভা শুরু করে দিয়েছেন জননেতা শুভেন্দু…
ভবানীপুরের অলিতে-গলিতে ‘নন্দীগ্রামের নায়ক’: ৭৪ নম্বর ওয়ার্ডে শুভেন্দুর মেগা জনসংযোগ!
প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট- ২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনের রণক্ষেত্র এবার খাস কলকাতা। আর সেই যুদ্ধের এপিসেন্টার বা কেন্দ্রবিন্দু— ভবানীপুর। রবিবার সন্ধ্যায় ভবানীপুর বিধানসভার ৭৪ নম্বর ওয়ার্ডের অলিগলিতে যখন বিরোধী দলনেতা তথা বিজেপি…
২৯৪ আসনেই ‘একাই একশো’ দিদি! বাকিরা কি তবে শুধুই ঝাণ্ডাধারী? মমতার ঘোষণায় তৃণমূলের অন্দরে কি তবে যোগ্যতার আকাল?
প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট- রবিবাসরীয় দুপুরে পুরুলিয়ার তপ্ত রোদে মানবাজারের সভা থেকে এক অদ্ভুত ‘বিস্ফোরণ’ ঘটালেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনের দামামা বাজিয়ে দিয়ে তিনি ফের সেই পুরনো কাসুন্দি…
পুরুলিয়ার মঞ্চে হঠাৎ দিদির ‘ভীতি প্রদর্শন’: হারের ভয়ে কি তবে ফের ‘আক্রান্ত’ হওয়ার পুরনো চিত্রনাট্য?
প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট- পুরুলিয়ার লাল মাটিতে পা দিয়েই ফের চিরচেনা মেজাজে ফিরলেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে এবারের জনসভায় তাঁর তূণ থেকে উন্নয়নের খতিয়ানের বদলে বেরিয়ে এল পুরনো সেই ‘ইমোশনাল…
তৃণমূলের অন্দরে এবার মেকআপ যুদ্ধ! ‘পাউডার-স্নো’ কটাক্ষে কি ভাঙছে জোড়াফুল?
প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট- বাংলার রাজনীতিতে দলবদলের খেলা কিংবা গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব নতুন কিছু নয়। কিন্তু রাজনীতির ময়দানে এবার ঢুকে পড়ল ‘পাউডার’ আর ‘স্নো’! হুগলি লোকসভা কেন্দ্রের তৃণমূল সাংসদ রচনা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং চুঁচুড়ার…