রাজ্য রাজনীতি
ভারতবর্ষ
বিজেপির খবর
সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ উড়িয়ে ৪ মাস পলাতক ‘খুনি বিডিও’ ধৃত খোদ কলকাতায়, মধ্যরাতে মদ্যপ তাণ্ডব নিউটাউনে!
প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-আইনের হাত থেকে কি সত্যিই চিরকাল পালিয়ে থাকা যায়? শেষরক্ষা হলো না রাজগঞ্জের অপসারিত বিতর্কিত বিডিও প্রশান্ত বর্মনের। যাকে খুঁজতে গত চার মাস ধরে হন্যে হয়ে ঘুরছিল পুলিশ, দেশের সর্বোচ্চ আদালত সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশকে যিনি বুড়ো আঙুল দেখিয়ে বেপাত্তা ছিলেন, সেই হাইপ্রোফাইল পলাতক আসামি এবার ধরা পড়লেন খোদ কলকাতার বুকে। তবে কোনো অপরাধ দমন শাখার চৌকস জালে নয়, বরং নিজের চরম ঔদ্ধত্য ও মদ্যপ অবস্থায় বেপরোয়া ড্রাইভিংয়ের কারণে নিউটাউনে হাতেনাতে গ্রেফতার হলেন এই অপসারিত সরকারি আধিকারিক।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, সোমবার (২৫ মে) রাত সাড়ে ১০টা নাগাদ নিউটাউনের শ্রাচী সিগন্যালের কাছে তীব্র গতিতে ছুটে আসছিল একটি বিলাসবহুল গাড়ি। প্রত্যক্ষদর্শীদের অভিযোগ, গাড়ির স্টিয়ারিংয়ে থাকা ব্যক্তিটি এতটাই মদ্যপ ছিলেন যে তাঁর কোনো নিয়ন্ত্রণ ছিল না গাড়ির ওপর। মুহূর্তের মধ্যে সেই বেপরোয়া গাড়ি সজোরে ধাক্কা মারে এক পথচারীকে। এর জেরে পাশে থাকা একজন মোটরসাইকেল আরোহীও ছিটকে পড়ে গুরুতর আহত ও রক্তাক্ত হন।
দুর্ঘটনার পর সাধারণ মানুষ ও কর্তব্যরত ট্রাফিক পুলিশ কর্মীরা গাড়িটি আটকাতে গেলে গাড়ি থেকে নেমে আসেন চালক। ভাইরাল হওয়া ভিডিও ক্লিপ অনুযায়ী, অপরাধবোধ তো দূর অস্ত, উল্টে মদ্যপ অবস্থায় উপস্থিত পুলিশ কর্মী এবং সাধারণ মানুষকে লক্ষ্য করে চরম ঔদ্ধত্য দেখাতে শুরু করেন তিনি। বিক্ষোভকারীদের ‘দুর্নীতিগ্রস্ত’ বলে গালিগালাজ করেন এবং থাপ্পড় মারার হুমকি দেন বলে অভিযোগ। কিন্তু ততক্ষণে ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন সাধারণ মানুষ। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে ইকো পার্ক থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী ঘটনাস্থলে এসে চালককে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।
থানায় নিয়ে গিয়ে ধৃত ব্যক্তির পরিচয় জানার পর পুলিশ আধিকারিকদের চোখ চড়কগাছ হয়ে যায়। পুলিশ জানতে পারে, ইনি কোনো সাধারণ ট্রাফিক আইন ভঙ্গকারী নন। ইনি হলেন সল্টলেকের দত্তাবাদের নামী সোনা ব্যবসায়ী স্বপন কামিল্যাকে নৃশংসভাবে অপহরণ ও খুনের মামলার মূল অভিযুক্ত এবং রাজগঞ্জের অপসারিত বিডিও প্রশান্ত বর্মন। অভিযোগ ছিল, বিডিও-র বাড়ি থেকে চুরি যাওয়া একটি সোনার বার ওই ব্যবসায়ী কিনেছিলেন। সেই আক্রোশে গত বছর ২৮ অক্টোবর ওই সোনা ব্যবসায়ীকে নীলবাতি গাড়ি চড়িয়ে অপহরণ করে, বেল্ট ও লাঠি দিয়ে পিটিয়ে খুন করার মতো হাড়হিম করা অভিযোগ রয়েছে এই প্রাক্তন সরকারি কর্তার বিরুদ্ধে। পরবর্তীতে নিউটাউনের যাত্রাগাছি খালের ধার থেকে ব্যবসায়ীর ক্ষতবিক্ষত মৃতদেহ উদ্ধার হয়।
কলকাতা হাইকোর্টে আগাম জামিনের আবেদন খারিজ হওয়ার পর সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন প্রশান্ত বর্মন। কিন্তু দেশের সর্বোচ্চ আদালতও তাঁর অপরাধের গুরুত্ব বিচার করে জামিন দেয়নি, বরং স্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছিল ২৩ জানুয়ারির মধ্যে নিম্ন আদালতে আত্মসমর্পণ করতে। সুপ্রিম কোর্টে জামিন খারিজ হতেই রাজ্য সরকার তাঁকে বিডিও পদ থেকে তড়িঘড়ি অপসারণ করে। কিন্তু ক্ষমতার দম্ভে সুপ্রিম কোর্টের সেই ডেডলাইন পার করে গত চার মাস ধরে রাজ্য পুলিশের চোখে ধুলো দিয়ে বেপাত্তা ছিলেন তিনি। পুলিশ তাঁকে খাতায়-কলমে ‘পলাতক’ (Absconding) ঘোষণা করতে বাধ্য হয়েছিল।
তৃণমূলের খবর
সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ উড়িয়ে ৪ মাস পলাতক ‘খুনি বিডিও’ ধৃত খোদ কলকাতায়, মধ্যরাতে মদ্যপ তাণ্ডব নিউটাউনে!
প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-আইনের হাত থেকে কি সত্যিই চিরকাল পালিয়ে থাকা যায়? শেষরক্ষা হলো না রাজগঞ্জের অপসারিত বিতর্কিত বিডিও প্রশান্ত বর্মনের। যাকে খুঁজতে গত চার মাস ধরে হন্যে হয়ে ঘুরছিল পুলিশ, দেশের সর্বোচ্চ আদালত সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশকে যিনি বুড়ো আঙুল দেখিয়ে বেপাত্তা ছিলেন, সেই হাইপ্রোফাইল পলাতক আসামি এবার ধরা পড়লেন খোদ কলকাতার বুকে। তবে কোনো অপরাধ দমন শাখার চৌকস জালে নয়, বরং নিজের চরম ঔদ্ধত্য ও মদ্যপ অবস্থায় বেপরোয়া ড্রাইভিংয়ের কারণে নিউটাউনে হাতেনাতে গ্রেফতার হলেন এই অপসারিত সরকারি আধিকারিক।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, সোমবার (২৫ মে) রাত সাড়ে ১০টা নাগাদ নিউটাউনের শ্রাচী সিগন্যালের কাছে তীব্র গতিতে ছুটে আসছিল একটি বিলাসবহুল গাড়ি। প্রত্যক্ষদর্শীদের অভিযোগ, গাড়ির স্টিয়ারিংয়ে থাকা ব্যক্তিটি এতটাই মদ্যপ ছিলেন যে তাঁর কোনো নিয়ন্ত্রণ ছিল না গাড়ির ওপর। মুহূর্তের মধ্যে সেই বেপরোয়া গাড়ি সজোরে ধাক্কা মারে এক পথচারীকে। এর জেরে পাশে থাকা একজন মোটরসাইকেল আরোহীও ছিটকে পড়ে গুরুতর আহত ও রক্তাক্ত হন।
দুর্ঘটনার পর সাধারণ মানুষ ও কর্তব্যরত ট্রাফিক পুলিশ কর্মীরা গাড়িটি আটকাতে গেলে গাড়ি থেকে নেমে আসেন চালক। ভাইরাল হওয়া ভিডিও ক্লিপ অনুযায়ী, অপরাধবোধ তো দূর অস্ত, উল্টে মদ্যপ অবস্থায় উপস্থিত পুলিশ কর্মী এবং সাধারণ মানুষকে লক্ষ্য করে চরম ঔদ্ধত্য দেখাতে শুরু করেন তিনি। বিক্ষোভকারীদের ‘দুর্নীতিগ্রস্ত’ বলে গালিগালাজ করেন এবং থাপ্পড় মারার হুমকি দেন বলে অভিযোগ। কিন্তু ততক্ষণে ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন সাধারণ মানুষ। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে ইকো পার্ক থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী ঘটনাস্থলে এসে চালককে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।
থানায় নিয়ে গিয়ে ধৃত ব্যক্তির পরিচয় জানার পর পুলিশ আধিকারিকদের চোখ চড়কগাছ হয়ে যায়। পুলিশ জানতে পারে, ইনি কোনো সাধারণ ট্রাফিক আইন ভঙ্গকারী নন। ইনি হলেন সল্টলেকের দত্তাবাদের নামী সোনা ব্যবসায়ী স্বপন কামিল্যাকে নৃশংসভাবে অপহরণ ও খুনের মামলার মূল অভিযুক্ত এবং রাজগঞ্জের অপসারিত বিডিও প্রশান্ত বর্মন। অভিযোগ ছিল, বিডিও-র বাড়ি থেকে চুরি যাওয়া একটি সোনার বার ওই ব্যবসায়ী কিনেছিলেন। সেই আক্রোশে গত বছর ২৮ অক্টোবর ওই সোনা ব্যবসায়ীকে নীলবাতি গাড়ি চড়িয়ে অপহরণ করে, বেল্ট ও লাঠি দিয়ে পিটিয়ে খুন করার মতো হাড়হিম করা অভিযোগ রয়েছে এই প্রাক্তন সরকারি কর্তার বিরুদ্ধে। পরবর্তীতে নিউটাউনের যাত্রাগাছি খালের ধার থেকে ব্যবসায়ীর ক্ষতবিক্ষত মৃতদেহ উদ্ধার হয়।
কলকাতা হাইকোর্টে আগাম জামিনের আবেদন খারিজ হওয়ার পর সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন প্রশান্ত বর্মন। কিন্তু দেশের সর্বোচ্চ আদালতও তাঁর অপরাধের গুরুত্ব বিচার করে জামিন দেয়নি, বরং স্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছিল ২৩ জানুয়ারির মধ্যে নিম্ন আদালতে আত্মসমর্পণ করতে। সুপ্রিম কোর্টে জামিন খারিজ হতেই রাজ্য সরকার তাঁকে বিডিও পদ থেকে তড়িঘড়ি অপসারণ করে। কিন্তু ক্ষমতার দম্ভে সুপ্রিম কোর্টের সেই ডেডলাইন পার করে গত চার মাস ধরে রাজ্য পুলিশের চোখে ধুলো দিয়ে বেপাত্তা ছিলেন তিনি। পুলিশ তাঁকে খাতায়-কলমে ‘পলাতক’ (Absconding) ঘোষণা করতে বাধ্য হয়েছিল।
কলকাতা
পশ্চিমবঙ্গ
সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ উড়িয়ে ৪ মাস পলাতক ‘খুনি বিডিও’ ধৃত খোদ কলকাতায়, মধ্যরাতে মদ্যপ তাণ্ডব নিউটাউনে!
প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-আইনের হাত থেকে কি সত্যিই চিরকাল পালিয়ে থাকা যায়? শেষরক্ষা হলো না রাজগঞ্জের অপসারিত বিতর্কিত বিডিও প্রশান্ত বর্মনের। যাকে খুঁজতে গত চার মাস ধরে হন্যে হয়ে ঘুরছিল পুলিশ,…
বাঙালি আবেগের বিশ্বজয়: রাষ্ট্রপতি ভবনে প্রসেনজিতের মুকুটে নয়া পালক, গর্বিত মোদী-শাহ!
প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-নয়াদিল্লির দরবারে ফের একবার জয়জয়কার বাংলার সংস্কৃতির। ৪ দশকেরও বেশি সময় ধরে যিনি কোটি কোটি সিনেমা প্রেমীর হৃদয়ে রাজত্ব করছেন, সেই টলিউড ‘ইন্ডাস্ট্রি’ প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় এবার পা রাখলেন…
ভাঙল ইডি-র জেরা এড়ানোর ‘রেকর্ড’, এবার কি তবে রথীনের চূড়ান্ত ভাগ্য নির্ধারণ ১ জুনের সিজিও-তে?
প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-রাজ্য রাজনীতিতে এবার আরও এক হাইভোল্টেজ মেগা ড্রামা! পুর নিয়োগ দুর্নীতির তদন্তে একের পর এক চাঞ্চল্যকর মোড়। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি-র (Enforcement Directorate) তলব ঘিরে ফের শুরু হলো…
বেলেঘাটায় ‘বিরোধী’ বিধায়ক কুণালকে ঘিরে ‘চোর’ স্লোগান, বাড়ি না মেলার অভিযোগে ক্ষোভ জনতার!
প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-নবান্ন থেকে বিদায় নিয়েছে তৃণমূল। নীল-সাদা দিন শেষ হয়ে বঙ্গে এখন পদ্ম-যুগ। কিন্তু ক্ষমতা গেলেও কি স্বভাব যায়? শাসকের তখত হারিয়ে বিরোধী বেঞ্চে বসার পরেও বিদায়ী জমানার দুর্নীতি…
“বিধায়ক পদ ছাড়লেও নন্দীগ্রামের ঋণ শোধ করব!”— আসন ছাড়া নিয়ে আবেগঘন শুভেন্দু!
প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতার কারণে নন্দীগ্রামের বিধায়ক পদ ছাড়তে হলেও, এই মাটির মানুষের সঙ্গে সম্পর্ক যে ছিন্ন হওয়ার নয়, তা অত্যন্ত আবেগঘন সুরে স্পষ্ট করে দিলেন রাজ্যের নতুন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু…