রাজ্য রাজনীতি
ভারতবর্ষ
বিজেপির খবর
চলতি মাসেই ফের বাংলায় অমিত শাহ! জেনে নিন দিনক্ষণ!
প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-
কেউ যদি কোনো কাজে সফলতা পেতে চায়, তাহলে তার আন্তরিকতা এবং আগ্রহ দেখেই স্পষ্ট হয়ে যায় যে, সে কতটা সেই কাজে সফলতা পেতে চাইছে। এই যেমন কেন্দ্রীয় বিজেপি। ২০২১ সালে কেন্দ্রীয় বিজেপি চেষ্টা করেছিল পশ্চিমবঙ্গের ক্ষমতা দখল করার। কিন্তু ২০২৬ এর আগে তাদের যে মনোভাব লক্ষ্য করা যাচ্ছে, ২০২১ এর আগে সেই রকম মনোভাব লক্ষ্য করা যেত না বলেই অনেকে মনে করেন। এবার তারা যেভাবে ঘনঘন বাংলায় আসছেন এবং যেভাবে তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে সোচ্চার হচ্ছেন এবং দফায় দফায় বিজেপি রাজ্য নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠক করছেন, তাতেই স্পষ্ট যে, বাংলা নিয়ে তারা কতটা আগ্রহী। কিছুদিন আগেই বঙ্গ সফর করে গিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। আর আবারও সেই বাংলায় আসতে চলেছেন তিনি।
আগামীকাল এসআইআরের শুনানি প্রক্রিয়া শেষ হবে। তারপর চূড়ান্ত ভোটার তালিকা চলতি মাসের শেষেই প্রকাশিত হবে। আর তারপর যে কোনো সময় যে পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণা হয়ে যাবে, তা বলার অপেক্ষা রাখে না। বিজেপি এবার আর ঢিলেঢালা মনোভাব নিয়ে কাজ করতে রাজি নয়। পশ্চিমবঙ্গের সংগঠনকে বুঝতে একাধিকবার ইতিমধ্যেই রাজ্যে এসেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রী নিজেও রাজ্যে এসে একাধিক সভা করেছেন। এমনকি বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি দায়িত্ব পাওয়ার পর প্রথম তার সফর বাংলা দিয়েই শুরু করেছিলেন নীতিন নবীন। ফলে এই সমস্ত দিক থেকেই স্পষ্ট যে, বিজেপি এই বাংলায় জয় কে নিয়ে ঠিক কতটা আগ্রহী। আর সেই আগ্রহকে মাথায় রেখেই ফের আগামী ১৮ ফেব্রুয়ারি রাজ্যে আসছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।
সূত্রের খবর, আগামী ১৮ ফেব্রুয়ারি রাজ্যে আসছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। যেখানে একাধিক কর্মসূচি রয়েছে তার। মূলত, এবারেও তিনি দলীয় কর্মীদের উজ্জীবিত করতে এবং সংগঠনকে চাঙ্গা করতে একাধিক কর্মসূচিতে যোগ দিতে পারেন। তবে এর আগে তিনি যখন এসেছিলেন, তখন সবথেকে বেশি সংগঠনকে শক্তিশালী করতে ঘরোয়া বৈঠক করেছিলেন। পরবর্তীতে রাজ্যে এসে প্রকাশ্য সভাতেও যুক্ত হয়েছিলেন। এবার সেরকম কোনো কর্মসূচি করবেন কিনা কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, সেদিকেও নজর রয়েছে গোটা রাজনৈতিক মহলের।
তৃণমূলের খবর
এসব কি চলছে সংসদে? সৌগতবাবুর কাছ থেকে কি এমনটা আশা করা যায়?
প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-
সংসদের তৃণমূলের জনপ্রতিনিতিদের গালগল্প, মিথ্যাচার, অসভ্যতা এতদিন দেখেছে ভারতবর্ষের মানুষ। কিন্তু এবার সেই পবিত্র সংসদে যে কাজকর্মটা করে বসলেন তৃণমূলের দুইজন সাংসদ, তা তো সংসদের গরিমা যেমন প্রশ্নের মুখে ফেলে দিলো, ঠিক তেমনই বাংলার মানুষকে, এই সংস্কৃতিপ্রেমী বঙ্গবাসীকেও রীতিমত লজ্জার মুখে ফেলে দিচ্ছে। গোটা দেশে এখন এই ভিডিও চর্চার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। অন্তত তেমনটাই বলছে বিরোধীরা। কি ঘটনা ঘটেছে? ইতিমধ্যেই অনেকেরই তা নজরে এসেছে। যেখানে দেখা যাচ্ছে যে, সংসদে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা চলছে, আর পেছনের বেঞ্চে বসে তৃণমূলের বর্ষিয়ান সাংসদ সৌগত রায় এবং তৃণমূলের আরও এক সাংসদ জুন মালিয়া খুনসুটি করতে ব্যস্ত রয়েছেন। যাদেরকে সংসদে পাঠানো হয়েছে মানুষের কথা তুলে ধরার জন্য, যারা সংসদে কি আলোচনা হচ্ছে, তার দিকে মনোনিবেশ করবেন, তা না করে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনার সময় এইভাবে খুনসুটি করা কি সত্যিই একজন বর্ষিয়ান সাংসদ এবং একজন নবাগত সংসদের শোভা পায়?
তৃণমূলের বেশ কয়েকজন সাংসদ রয়েছেন, যাদের কাণ্ডকারখানা সংসদের ভেতরে এর আগেও দেখতে পাওয়া গিয়েছে এবং তা নিয়ে চর্চা হয়েছে। যার মধ্যে অন্যতম কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় এবং আরও একজন রয়েছেন, তার নাম হচ্ছে সৌগত রায়। কিছুদিন আগেই সংসদ চত্বরে তাকে ধূমপান করতে দেখে ধরে ফেলেন গিরিরাজ সিং। কিন্তু তারপরেও সৌগতবাবুর সত্যিই কি শিশুসুলভ মনোভাব কাটেনি? এত বয়োজ্যেষ্ঠ একজন মানুষ, সংসদে এতটা অভিজ্ঞ একজন ব্যক্তি, তিনি কিনা সংসদে এত গুরুত্বপূর্ণ আলোচনার সময় অভিনেত্রী সাংসদের সঙ্গে খুনসুটি করতে ব্যস্ত? সকলের একটাই প্রশ্ন, এদেরকে মানুষ ভোট দিয়ে কি এই কারণেই সংসদে পাঠায়? মানুষের ভোটের যে কতটা মূল্য, তা না বুঝে সৌগতবাবুর মত বর্ষিয়ান সাংসদ সংসদে আলোচনার সময় কেন এইভাবে অন্য একজন মহিলা সংসদের সঙ্গে ঠাট্টা করতে ব্যস্ত থাকবেন? জুন মালিয়া না হয় সংসদে নবাগত। কিন্তু সৌগত বাবু তো অনেক অভিজ্ঞ একজন মানুষ। তার তো নবাগতদের শেখানো উচিত। কিন্তু সেটা না শিখিয়ে তিনি যেভাবে আচরণ করছেন এবং যা ভিডিওতে উঠে এসেছে, তা দেখে সকলেই বলছেন যে, এদের লাজ-লজ্জা বলতে কিছু নেই।
সূত্রের খবর, গতকাল লোকসভায় বাজেট অধিবেশনের পরিপ্রেক্ষিতে আলোচনা চলছিলো। আর সেখানেই বক্তব্য রাখেন সাংসদ চন্দ্রশেখর আজাদ। আর তিনি যখন বক্তব্য রাখছেন, তখন তার পেছনের বেঞ্চে বসে তৃণমূলের আরও এক মহিলা সাংসদ জুন মালিয়ার সঙ্গে খুনসুটি করতে ব্যস্ত রয়েছেন বর্ষিয়ান তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায়। ইতিমধ্যেই ভিডিওতে সেই বিষয়ে ধরা পড়তেই নানা মহলে চর্চা শুরু হয়েছে। সকলেই সৌগতবাবুর এই ধরনের মনোভাব এবং অভিব্যক্তি নিয়ে সমালোচনা করতে শুরু করেছেন। সকলের একটাই প্রশ্ন, জুন মালিয়া না হয় নতুন সংসদে গিয়েছেন। কিন্তু সৌগতবাবু তো অনেক বারের অভিজ্ঞ সাংসদ। তার কাছ থেকে কি সত্যিই এমনটা আশা করা যায়?
কলকাতা
পশ্চিমবঙ্গ
চলতি মাসেই ফের বাংলায় অমিত শাহ! জেনে নিন দিনক্ষণ!
প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট- কেউ যদি কোনো কাজে সফলতা পেতে চায়, তাহলে তার আন্তরিকতা এবং আগ্রহ দেখেই স্পষ্ট হয়ে যায় যে, সে কতটা সেই কাজে সফলতা পেতে চাইছে। এই যেমন কেন্দ্রীয়…
SIR প্রক্রিয়ার মাঝেই সেঁকে দিলো দিল্লি! ডিএমদের কড়া ধমক কমিশনের!
প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট- অবশেষে দেশের জাতীয় নির্বাচন কমিশন একদম শেষ মুহূর্তে আসল খেলাটা খেলতে শুরু করেছে। তারা বুঝতে পেরেছে যে, এতদিন ধরে তারা অনেক অনিয়ম বরদাস্ত করেছে। এতদিন ধরে তারা…
জেলাশাসকদের ওপর খাঁড়ার ঘা? সময়সীমা পার হলেই কড়া ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি কমিশনের!
প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট- এসআইআর প্রক্রিয়াকে নির্বাচন কমিশন যেভাবে পরিচালিত করার চেষ্টা করছে, ঠিক সেইভাবে পরিচালিত হচ্ছে না এই পশ্চিমবঙ্গের বুকে। অনেক ক্ষেত্রে গাফিলতি তৈরি হয়েছে বিভিন্ন জেলায়। আর তা খুব…
অবৈধ ভোটারদের নাম রাখার কোনো চান্স নেই! চালাকি বুঝেই কড়া বার্তা জ্ঞানেশ কুমারের!
প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট- এসআইআর প্রক্রিয়া যেভাবে চলছে পশ্চিমবঙ্গে, তাতে অনেকে খুশি। আবার অনেকে হতাশ। অনেকে বলছেন যে, এবারেও এসআইআর প্রক্রিয়াকে ঘেঁটে দেবে তৃণমূল কংগ্রেস। তলায় তলায় তারা অবৈধ ভোটারদের নাম…
Big breaking ঠ্যালার নাম বাবাজি! নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ অমান্য! বিকেল ৩ টের মধ্যেই দিল্লিতে তলব মুখ্যসচিবকে!
প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট- মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তার প্রশাসনের যে সমস্ত আধিকারিকরা রয়েছেন, তারা ভাবছিলেন, এভাবেই বুঝি সমস্ত কিছু চলবে। নির্বাচন কমিশন যতই কড়া পদ্ধতিতে এসআইআর পরিচালনা করুক, তারা তৃণমূলের দলদাস…