রাজ্য রাজনীতি
ভারতবর্ষ
বিজেপির খবর
দিলীপ ঘোষের কণ্ঠে কাঁপল ইকোপার্ক: ভরসকালে ঝালমুড়ির আড্ডায় এল ‘বিশেষ’ চমক!
প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-রাজনীতির ময়দান হোক কিংবা প্রাতঃভ্রমণের আড্ডা— তিনি যেখানে থাকেন, চর্চা সেখানে অবধারিত। এবার একবারে ভিন্ন অবতারে ধরা দিলেন পশ্চিমবঙ্গের পঞ্চায়েত মন্ত্রী তথা প্রবীণ রাজনীতিক দিলীপ ঘোষ। বুধবার সকালে নিউটাউনের ইকোপার্কে উপস্থিত প্রাতঃভ্রমণকারীরা যা দেখলেন এবং শুনলেন, তার জন্য একেবারেই প্রস্তুত ছিলেন না কেউ। ভরসকালে পার্কের শান্ত পরিবেশ ছাপিয়ে আচমকাই লাউডস্পিকারে বেজে উঠল এক চেনা কণ্ঠের গান।
রাজনীতি বা ভাষণ নয়, এবার সরাসরি গায়ক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করলেন দিলীপ ঘোষ। মাত্র দু’দিন আগেই চিনার পার্কের একটি স্টুডিওতে রেকর্ড হয়েছিল তাঁর বহু প্রতীক্ষিত সেই ‘ঝালমুড়ি গান’। গানটির মিক্সিং ও ফাইনাল এডিটিংয়ের কাজ শেষ হতেই বুধবার সকালে ইকোপার্কের চেনা আড্ডায় তা লাউডস্পিকারে বাজিয়ে প্রকাশ করা হয়।
গান প্রকাশের মুহূর্তটিকে স্মরণীয় করে রাখতে এদিন ইকোপার্কে এক অভিনব ঘরোয়া পার্টির আয়োজন করা হয়েছিল। একদিকে স্পিকারে বাজছে দিলীপ ঘোষের গলায় ঝালমুড়ি তৈরির মজাদার রন্ধনপ্রণালী ও চটপটা ছন্দের গান, আর অন্যদিকে প্লেটে প্লেটে পরিবেশন করা হচ্ছে টাটকা ঝালমুড়ি। শুধু ঝালমুড়িই নয়, এই বিশেষ উদযাপনে বাড়তি মাত্রা যোগ করেছিল পাকা কাঁঠালের স্বাদ। উপস্থিত সকলেই গান শোনার পাশাপাশি জিভে জল আনা খাবার দাবার চেখে দেখেন।
জানা গিয়েছে, সঙ্গীতশিল্পী লোকেশ গিরি এবং তাঁর স্ত্রী রিমাশ্রীর যৌথ প্রয়াসে তৈরি হয়েছে এই গানের কথা ও সুর। স্টুডিওতে মাত্র ৪০ মিনিটের ঝোড়ো রেকর্ডিংয়ে নিজের পার্ট শেষ করেছিলেন মন্ত্রী। গানটির সুর অত্যন্ত ক্যাচি হওয়ায় প্রথমবার শুনেই প্রাতঃভ্রমণকারীদের অনেকেই গুনগুন করতে শুরু করে দেন।
প্রসঙ্গত, ২০২৬-এর নির্বাচনী আবহে ঝাড়গ্রামে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ঝালমুড়ি খাওয়ার পর থেকেই বাংলার রাজনীতিতে এই স্ট্রিট ফুডটি চরম ট্রেন্ডিং। এবার সেই ট্রেন্ডকে হাতিয়ার করেই খোদ পঞ্চায়েত মন্ত্রীর এই সাঙ্গীতিক ধামাকা রাজ্য রাজনীতিতে এক নতুন রসদ জোগাল, তা বলাই বাহুল্য।
তৃণমূলের খবর
তৃণমূলের অন্দরে এবার মহাবিস্ফোরণ! “ক্যামাক স্ট্রিটই দলটাকে শেষ করে দিল”, প্রকাশ্যেই অভিষেকের সাম্রাজ্য গুঁড়িয়ে দেওয়ার ডাক কল্যাণের!
প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের পর বাংলার রাজনৈতিক সমীকরণ যখন চরম উত্তপ্ত, ঠিক তখনই তৃণমূল কংগ্রেসের অন্দরে ঘটে গেল এক নজিরবিহীন মহাবিস্ফোরণ। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তাঁর ক্ষমতাশালী ‘ক্যামাক স্ট্রিট’ শিবিরের বিরুদ্ধে এবার সরাসরি যুদ্ধ ঘোষণা করলেন শ্রীরামপুরের হেভিওয়েট তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। কালীঘাটের অন্দরে বসেই অভিষেকের তৈরি সমান্তরাল সাম্রাজ্যকে কার্যত ধূলিসাৎ করে দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিলেন তিনি। কল্যাণের গলায় ঝরে পড়া চরম হতাশা এবং ক্ষোভের সুর এখন স্পষ্ট বুঝিয়ে দিচ্ছে—তৃণমূলের ‘নবীন বনাম প্রবীণ’ দ্বন্দ্ব এবার আর কোনো পর্দার আড়ালে নেই, তা এখন প্রকাশ্য গৃহযুদ্ধে রূপ নিয়েছে।
দলীয় সংগঠনের বর্তমান কঙ্কালসার দশা এবং একের পর এক ভাঙনের জন্য সরাসরি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাধের ‘ক্যামাক স্ট্রিট’ অফিস এবং কর্পোরেট রাজনৈতিক সংস্কৃতিকে কাঠগড়ায় তুলেছেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। অত্যন্ত ক্ষুব্ধ গলায় বর্ষীয়ান এই সাংসদ দাবি করেন, তৃণমূলকে যদি কেউ ধ্বংসের দোরগোড়ায় এনে দাঁড় করিয়ে থাকে, তবে তা হলো এই ক্যামাক স্ট্রিটের বাস্তুতন্ত্র। সংগঠনের চাবিকাঠি নিচুতলার কর্মীদের হাত থেকে কেড়ে নিয়ে যেভাবে আইপ্যাক (I-PAC) এবং কয়েকজন নির্দিষ্ট ব্যক্তির হাতে তুলে দেওয়া হয়েছিল, তার খেসারত দিতে হচ্ছে আজ।
অভিষেকের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ এবং আপ্ত সহায়ক সুমিত রায়ের ভূমিকা নিয়ে মারাত্মক সব অভিযোগ এনেছেন কল্যাণ। তাঁর দাবি, সুমিত রায়ের কথামতো যাঁরা দল চালাতেন, আজ তাঁরাই সবচেয়ে বড় বিপদে। নিচুতলার হাজার হাজার কর্মী এবং সংগঠকদের এখন পুলিশ দিয়ে ডেকে ডেকে হুমকি দেওয়া হচ্ছে, বিভিন্ন মামলায় ফাঁসানোর ভয় দেখিয়ে জেলে ঢোকানোর ব্ল্যাকমেইল চলছে। এই চরম আতঙ্কের আবহে দলের বুথ স্তরের কর্মীরা সম্পূর্ণ দিশেহারা।
ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতো বিক্ষুব্ধ বা বিদ্রোহী নেতাদের কড়া ভাষায় আক্রমণ করে কল্যাণ বলেন, আজ যাঁরা হঠাৎ করে সাধু সাজছেন বা বিদ্রোহ করছেন, তাঁরাই একসময় অভিষেকের সবচেয়ে প্রিয় পাত্র ছিলেন। তাঁরাই নিজেদের ‘ক্যামাক স্ট্রিটের লোক’ বলে দলের পুরনো ও অনুগত নেতাদের ওপর দাদাগিরি চালাতেন। অনুব্রত মণ্ডল থেকে শুরু করে সুমিত রায়—সকলের দুর্নীতির পেছনে যে অভিষেকের পরোক্ষ ‘মাথায় হাত’ ছিল, সেই ইঙ্গিতও স্পষ্ট করেছেন শ্রীরামপুরের সাংসদ।
ক্যামাক স্ট্রিটের বিরুদ্ধে জেহাদ ঘোষণা করলেও, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতি নিজের আনুগত্যে বিন্দুমাত্র আঁচ পড়তে দেননি কল্যাণ। তিনি সাফ জানিয়েছেন, দল যত বড় সংকটের মধ্য দিয়েই যাক না কেন, তিনি আমৃত্যু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশেই থাকবেন।
২০২৬-এর নির্বাচনী ধাক্কার পর কল্যাণের এই মন্তব্য তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্বে যে বড়সড় ফাটল ধরিয়ে দিল, তা নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই। এখন দেখার, কল্যাণের এই চরম আক্রমণের জবাবে ক্যামাক স্ট্রিট তথা অভিষেক শিবির পাল্টা কী পদক্ষেপ নেয়।
কলকাতা
পশ্চিমবঙ্গ
তৃণমূলের অন্দরে এবার মহাবিস্ফোরণ! “ক্যামাক স্ট্রিটই দলটাকে শেষ করে দিল”, প্রকাশ্যেই অভিষেকের সাম্রাজ্য গুঁড়িয়ে দেওয়ার ডাক কল্যাণের!
প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের পর বাংলার রাজনৈতিক সমীকরণ যখন চরম উত্তপ্ত, ঠিক তখনই তৃণমূল কংগ্রেসের অন্দরে ঘটে গেল এক নজিরবিহীন মহাবিস্ফোরণ। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তাঁর ক্ষমতাশালী ‘ক্যামাক স্ট্রিট’…
দিলীপ ঘোষের কণ্ঠে কাঁপল ইকোপার্ক: ভরসকালে ঝালমুড়ির আড্ডায় এল ‘বিশেষ’ চমক!
প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-রাজনীতির ময়দান হোক কিংবা প্রাতঃভ্রমণের আড্ডা— তিনি যেখানে থাকেন, চর্চা সেখানে অবধারিত। এবার একবারে ভিন্ন অবতারে ধরা দিলেন পশ্চিমবঙ্গের পঞ্চায়েত মন্ত্রী তথা প্রবীণ রাজনীতিক দিলীপ ঘোষ। বুধবার সকালে…
বঙ্গে ডাবল ইঞ্জিন ধামাকা! নবান্ন থেকে একঝটকায় ১ লক্ষ বাড়ি ও ১০০০ কোটির রাস্তা দিল কেন্দ্র, ১২৫ দিনের কাজে বিরাট রেকর্ড!
প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-সদ্য সমাপ্ত বিধানসভা নির্বাচনের পর বদলে যাওয়া বঙ্গে এবার শুরু হলো ডাবল ইঞ্জিনের চরম গতি। দীর্ঘ সাড়ে তিন বছরের খরা কাটিয়ে অবশেষে বাংলার জন্য এককালীন কল্পতরু হয়ে উঠল…
রাজ্য রাজনীতিতে মহাবিস্ফোরণ! স্পিকারের সিদ্ধান্তে তীব্র ক্ষুব্ধ হাইকোর্ট, এক ঝটকায় বদলে যাচ্ছে বিরোধী দলনেতা?
প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-রাজ্য রাজনীতিতে এবার নজিরবিহীন তোলপাড়! বিধানসভার স্পিকারের একটি হাই-প্রোফাইল সিদ্ধান্তকে কেন্দ্র করে এবার সরাসরি সংঘাতে জড়িয়ে পড়ল আদালত ও বিধানসভা। ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে বিরোধী দলনেতা (LoP) হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার…
মাঝরাতে সন্দীপন সাহার ডেরায় মদন মিত্র! দেখা না পেয়ে বাবার সঙ্গে গোপন বৈঠক, মমতার হাত ছাড়ছেন ‘ওহ লাভলি’?
প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-পুরনিয়োগ দুর্নীতি মামলায় নিজের পরিবার ইডি (ED)-র স্ক্যানারে আসতেই এবার চরম নাটকীয় মোড় বাংলার রাজনীতিতে! মঙ্গলবার গভীর রাতে এন্টালির তৃণমূল বিধায়ক তথা বিদ্রোহী ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় শিবিরের অন্যতম হেভিওয়েট…