রাজ্য রাজনীতি
ভারতবর্ষ
বিজেপির খবর
রেড রোডে মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণা: ২০৪৭ সালের ‘বিকশিত ভারত’ গড়তে মূল চালিকাশক্তি হবে পশ্চিমবঙ্গ!
প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-সাড়ম্বরে উদযাপিত হলো ৮০তম স্বাধীনতা দিবস। আজ সকালে কলকাতার ঐতিহাসিক রেড রোডে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে রেড রোডের মঞ্চ থেকে এটিই ছিল তাঁর প্রথম স্বাধীনতা দিবসের ভাষণ। কুচকাওয়াজ পরিদর্শন ও অভিবাদন গ্রহণের পর রাজ্যবাসীর উদ্দেশ্যে দেওয়া ভাষণে তিনি আগামী দিনে রাজ্যের উন্নয়ন এবং দেশের অগ্রগতিতে বাংলার ভূমিকা নিয়ে এক দূরদর্শী রোডম্যাপ তুলে ধরেন। মুখ্যমন্ত্রী তাঁর ভাষণে স্পষ্ট জানান, ভারতকে বিশ্বের দরবারে উন্নত রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে হলে পশ্চিমবঙ্গকে সবার আগে এগিয়ে আসতে হবে।
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ২০৪৭ সালের মধ্যে ‘বিকশিত ভারত’ বা উন্নত ভারত গড়ার যে জাতীয় লক্ষ্য রয়েছে, তার সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গের উন্নয়নকে সরাসরি যুক্ত করেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, “২০৪৭ সালে বিকশিত ভারত তখনই সম্পূর্ণ হবে যদি বিকশিত পশ্চিমবঙ্গ গড়ে ওঠে।” তিনি মনে করিয়ে দেন, ভারতের সামগ্রিক অর্থনৈতিক ও সামাজিক অগ্রগতিতে বাংলার অবদান ঐতিহাসিক এবং সেই গৌরবকে আবার পুনরুদ্ধার করতে হবে।
পশ্চিমবঙ্গের ভৌগোলিক ও সামাজিক অস্তিত্বের প্রেক্ষাপট স্মরণ করিয়ে দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী ইতিহাস তুলে ধরেন। তিনি বলেন, “ডঃ শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় ও স্বামী প্রণবানন্দের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় পশ্চিমবঙ্গ গড়ে উঠেছিল।” দেশভাগের কঠিন সময়ে এই দুই মহামনীষীর ঐতিহাসিক ভূমিকার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, তাদের আদর্শকে পাথেয় করেই রাজ্য সরকার কাজ করছে।”
রাজ্যের যুবসমাজ ও নাগরিকদের মধ্যে দেশপ্রেম ও রাষ্ট্রবাদী চেতনা জাগ্রত করার আহ্বান জানিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রবাদের জায়গা, এটি বীর বিপ্লবী ক্ষুদিরাম বসুর মাটি।” তিনি স্পষ্ট বার্তা দেন যে, যে মাটিতে ক্ষুদিরাম বসুর মতো বীর স্বাধীনতা সংগ্রামীরা দেশের জন্য আত্মত্যাগ করেছিলেন, সেই মাটির সম্মান রক্ষা করা এবং রাজ্যকে সব দিক থেকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া বর্তমান সরকারের প্রধান লক্ষ্য।
তৃণমূলের খবর
ঋতব্রত শিবিরে চরম নাটকীয়তা! সটান ঢুকে মাইক হাতে মমতার জয়ধ্বনি কুণাল ঘোষের!
প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-স্বাধীনতা দিবসের পুণ্যলগ্নে কলকাতার রাজনীতিতে এক নজিরবিহীন নাটকীয় ঘটনার সাক্ষী থাকল রাজ্যবাসী। উৎসবের আমেজে দলীয় বিভাজন ভুলে বিবাদমান গোষ্ঠীর কার্যালয়ে সটান ঢুকে পড়লেন বেলেঘাটার তৃণমূল বিধায়ক কুণাল ঘোষ। ‘ঋতব্রত তৃণমূল’ শিবিরের স্বাধীনতা দিবসের উদযাপনে তাঁর এই আচমকা উপস্থিতি সেখানে উপস্থিত নেতা ও কর্মীদের কার্যত হতভম্ভ ও বাকরুদ্ধ করে দেয়।
আজ, ১৫ আগস্ট ২০২৬ (বৃহস্পতিবার) সকালে, বিধায়ক কুণাল ঘোষ প্রথমে কলকাতার তপসিয়ায় অবস্থিত তৃণমূলের পুরোনো ভবনে স্বাধীনতা দিবসের দলীয় কর্মসূচিতে যোগ দেন। সেখান থেকে ইএম বাইপাস হয়ে ফেরার পথে, বাইপাস সংলগ্ন মেট্রোপলিটন এলাকায় ‘ঋতব্রত তৃণমূল’-এর কার্যালয়ের সামনে আচমকাই গাড়ি থামান তিনি। সেখানে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুগামীরা স্বাধীনতা দিবস পালন করছিলেন। কুণাল ঘোষকে আচমকা কার্যালয়ে ঢুকতে দেখে উদ্যোক্তারা কিছুটা থতমত খেয়ে গেলেও রাজনৈতিক সৌজন্য বজায় রাখেন। তাঁকে মঞ্চের কাছে নিয়ে যাওয়া হয় এবং শহিদ বেদীতে মাল্যদান করার অনুরোধ জানানো হয়। কুণাল ঘোষ বীর শহিদদের উদ্দেশ্যে মাল্যদান করার পর, উদ্যোক্তাদের পক্ষ থেকে তাঁকে মাইক হাতে কিছু বলার জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়।
মাইক হাতে নিয়েই মূল চমকটি দেন কুণাল ঘোষ। ঋতব্রত শিবিরের মঞ্চে দাঁড়িয়েই তিনি সটান দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামে জয়ধ্বনি দেন। পরবর্তীকালে এই বিষয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে কুণাল ঘোষ অত্যন্ত কড়া ভাষায় বলেন, “মমতাদির নেতৃত্বে তৃণমূল তৈরি হয়েছে। সেই মমতাদিকে ওঁরা মুছে দিতে চান। ওঁদের ডেরায় দাঁড়িয়ে আমি বাঘের বাচ্চার মতো মমতাদির নামটা বলে এসেছি।”
স্বাধীনতা দিবসের এই মঞ্চ থেকে কুণাল ঘোষ দিল্লির বিজেপি সরকার ও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নীতির তীব্র সমালোচনা করেন। এর পাশাপাশি, নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুকে নিয়ে করা বিতর্কিত মন্তব্যের পরিপ্রক্ষিতে বিজেপির রাজ্যসভার সাংসদ অনন্ত মহারাজের গ্রেফতারির জোরালো দাবি তোলেন তিনি। কুণাল ঘোষ স্পষ্ট জানান, অনন্ত মহারাজের সাংসদ পদ খারিজ করতে হবে এবং তাঁকে অবিলম্বে দল থেকে বহিষ্কার করতে হবে।
কুণাল ঘোষের এই ‘সারপ্রাইজ ভিজিট’ নিয়ে যখন রাজনৈতিক মহলে তীব্র জল্পনা শুরু হয়েছে, তখন ঋতব্রত শিবিরের বর্ষীয়ান নেত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার চেষ্টা করেন। তিনি সংবাদমাধ্যমকে জানান, “আমরা গণতন্ত্রে বিশ্বাস করি। উনি (কুণাল ঘোষ) এখান দিয়ে যাচ্ছিলেন, এসেছেন, শ্রদ্ধা জানিয়েছেন, এর মধ্যে অসুবিধার কী আছে?” তবে কারণ যাই হোক না কেন, স্বাধীনতা দিবসের সকালে কুণাল ঘোষের এই পদক্ষেপ যে বিবাদমান শিবিরের অন্দরে বড়সড় ঝাঁকুনি দিয়ে গেল, তা রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের বক্তব্য থেকেই স্পষ্ট।
কলকাতা
পশ্চিমবঙ্গ
রেড রোডে মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণা: ২০৪৭ সালের ‘বিকশিত ভারত’ গড়তে মূল চালিকাশক্তি হবে পশ্চিমবঙ্গ!
প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-সাড়ম্বরে উদযাপিত হলো ৮০তম স্বাধীনতা দিবস। আজ সকালে কলকাতার ঐতিহাসিক রেড রোডে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে রেড রোডের মঞ্চ থেকে এটিই…
নজিরবিহীন ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর! কর্মসংস্থান, নারী সুরক্ষা ও আইন-শৃঙ্খলা নিয়ে রেড রোডে বড় অ্যাকশন প্ল্যান!
প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-৮০তম স্বাধীনতা দিবসের ঐতিহাসিক মঞ্চ থেকে আজ রাজ্যবাসীর উদ্দেশ্যে এক অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ প্রশাসনিক বার্তা দিলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। আজ সকালে কলকাতার রেড রোডে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের পর…
৮০তম স্বাধীনতা দিবসে দেশবাসীকে বিশেষ বার্তা মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর! সোশ্যাল মিডিয়ায় তোলপাড়!
প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-দেশজুড়ে অত্যন্ত মর্যাদার সঙ্গে পালিত হচ্ছে ভারতবর্ষের ৮০তম স্বাধীনতা দিবস। এই ঐতিহাসিক ও গৌরবময় দিনে রাজ্য তথা সমগ্র দেশবাসীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।…
৮০তম স্বাধীনতা দিবসে নজিরবিহীন ধামাকা! দময়ন্তী সেনসহ ১৪ হেভিওয়েট আইপিএস-কে ‘মুখ্যমন্ত্রী পদক’ শুভেন্দুর!
প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-রাজ্য পুলিশে কর্তব্যপরায়ণতা এবং আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় অসামান্য অবদানের বিরাট স্বীকৃতি। ভারতবর্ষের ৮০তম স্বাধীনতা দিবসের (১৫ আগস্ট ২০২৬, শনিবার) ঐতিহাসিক মঞ্চ থেকে রাজ্যের ১৪ জন আইপিএস (IPS) আধিকারিককে মর্যাদাপূর্ণ…
ঋতব্রত শিবিরে চরম নাটকীয়তা! সটান ঢুকে মাইক হাতে মমতার জয়ধ্বনি কুণাল ঘোষের!
প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-স্বাধীনতা দিবসের পুণ্যলগ্নে কলকাতার রাজনীতিতে এক নজিরবিহীন নাটকীয় ঘটনার সাক্ষী থাকল রাজ্যবাসী। উৎসবের আমেজে দলীয় বিভাজন ভুলে বিবাদমান গোষ্ঠীর কার্যালয়ে সটান ঢুকে পড়লেন বেলেঘাটার তৃণমূল বিধায়ক কুণাল ঘোষ।…