রাজ্য রাজনীতি
ভারতবর্ষ
বিজেপির খবর
নজিরবিহীন রণক্ষেত্র বারাসত বিশ্ববিদ্যালয়! রাখিবন্ধন ঘিরে ছাত্র সংঘর্ষে ঝরল রক্ত!
প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের উত্তেজনার রেশ কাটতে না কাটতেই এবার তীব্র ছাত্র সংঘর্ষে রক্তাক্ত হয়ে উঠল বারাসতের ওয়েস্ট বেঙ্গল স্টেট ইউনিভার্সিটি (WBSU)। আসন্ন রাখিবন্ধন উৎসবের আয়োজন ও চাঁদা তোলাকে কেন্দ্র করে গতকাল, ২৫ আগস্ট ২০২৬ (মঙ্গলবার) সন্ধ্যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের হস্টেল চত্বরে অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদ (ABVP) এবং তৃণমূল ছাত্র পরিষদ (TMCP) সমর্থকদের মধ্যে এই সংঘাতের সূত্রপাত ঘটে। দুই পক্ষের বেপরোয়া লাঠি ও ব্লেড নিয়ে হামলায় দুই শিবিরের বেশ কয়েকজন জখম হয়েছেন। এর মধ্যে এবিভিপি-র ২ জন এবং টিএমসিপির ১ জন কর্মী আহত হওয়ার খবর পাওয়া গিয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় দত্তপুকুর থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী। এই ঘটনায় ইতিমধ্যেই টিএমসিপির ৩ সমর্থককে আটক করা হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয় ও স্থানীয় পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ক্যাম্পাসে বড় করে রাখিবন্ধন উৎসব পালন করার তোড়জোড় করছিল এবিভিপি। কিন্তু টিএমসিপির অভিযোগ ছিল, এই উৎসব আয়োজনের নামে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ নিরপেক্ষ না থেকে পক্ষপাতমূলকভাবে এবিভিপি-কে মদত দিচ্ছে। এই বিষয়টিকে কেন্দ্র করেই মঙ্গলবার সন্ধ্যায় প্রথমে দুই পক্ষের মধ্যে তীব্র বাকবিতণ্ডা শুরু হয় এবং মুহূর্তের মধ্যে তা হস্টেল চত্বরে রক্তক্ষয়ী রূপ নেয়। এবিভিপির বারাসত নগর সম্পাদক প্রীতম পাঠকের অভিযোগ, রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের প্রথম বর্ষের ছাত্র অরূপ বিশ্বাসকে কথা বলার নাম করে হস্টেলে ডেকে বেধড়ক মারধর করেন টিএমসিপি কর্মী আলতাফ ও তাঁর সহযোগীরা। এই খবর ছড়াতেই এবিভিপির কর্মীরা হস্টেলে পৌঁছালে তাঁদের ওপর ব্লেড ও ধারালো অস্ত্র দিয়ে হামলা চালানো হয়। ব্লেডের কোপে অরূপ বিশ্বাস ও অভিষেক পাল নামের দুই এবিভিপি কর্মীর বুকে ও কপালে গভীর ক্ষত তৈরি হয় এবং তাঁদের বারাসত মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে। অন্যদিকে তৃণমূল ছাত্র পরিষদের নেতা গিয়াস আলি ও রহমত মণ্ডলের পাল্টা দাবি, এবিভিপির কর্মীরাই বিনা প্ররোচনায় হস্টেলে ঢুকে সাধারণ ছাত্রদের ওপর হামলা চালিয়েছে এবং ভাঙচুর করেছে। সংঘর্ষে তাঁদের সংগঠনেরও প্রায় ১০-১২ জন ছাত্র জখম হয়েছেন বলে দাবি করেছেন টিএমসিপি নেতৃত্ব।
ঘটনার খবর পাওয়া মাত্রই দত্তপুকুর থানার পুলিশ ক্যাম্পাসে গিয়ে লাঠি উঁচিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। দুই পক্ষের লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে এবং অশান্তি ছড়ানোর অভিযোগে ইতিমধ্যেই টিএমসিপি-র ৩ জনকে আটক করেছে পুলিশ। অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
তৃণমূলের খবর
নজিরবিহীন রণক্ষেত্র বারাসত বিশ্ববিদ্যালয়! রাখিবন্ধন ঘিরে ছাত্র সংঘর্ষে ঝরল রক্ত!
প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের উত্তেজনার রেশ কাটতে না কাটতেই এবার তীব্র ছাত্র সংঘর্ষে রক্তাক্ত হয়ে উঠল বারাসতের ওয়েস্ট বেঙ্গল স্টেট ইউনিভার্সিটি (WBSU)। আসন্ন রাখিবন্ধন উৎসবের আয়োজন ও চাঁদা তোলাকে কেন্দ্র করে গতকাল, ২৫ আগস্ট ২০২৬ (মঙ্গলবার) সন্ধ্যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের হস্টেল চত্বরে অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদ (ABVP) এবং তৃণমূল ছাত্র পরিষদ (TMCP) সমর্থকদের মধ্যে এই সংঘাতের সূত্রপাত ঘটে। দুই পক্ষের বেপরোয়া লাঠি ও ব্লেড নিয়ে হামলায় দুই শিবিরের বেশ কয়েকজন জখম হয়েছেন। এর মধ্যে এবিভিপি-র ২ জন এবং টিএমসিপির ১ জন কর্মী আহত হওয়ার খবর পাওয়া গিয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় দত্তপুকুর থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী। এই ঘটনায় ইতিমধ্যেই টিএমসিপির ৩ সমর্থককে আটক করা হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয় ও স্থানীয় পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ক্যাম্পাসে বড় করে রাখিবন্ধন উৎসব পালন করার তোড়জোড় করছিল এবিভিপি। কিন্তু টিএমসিপির অভিযোগ ছিল, এই উৎসব আয়োজনের নামে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ নিরপেক্ষ না থেকে পক্ষপাতমূলকভাবে এবিভিপি-কে মদত দিচ্ছে। এই বিষয়টিকে কেন্দ্র করেই মঙ্গলবার সন্ধ্যায় প্রথমে দুই পক্ষের মধ্যে তীব্র বাকবিতণ্ডা শুরু হয় এবং মুহূর্তের মধ্যে তা হস্টেল চত্বরে রক্তক্ষয়ী রূপ নেয়। এবিভিপির বারাসত নগর সম্পাদক প্রীতম পাঠকের অভিযোগ, রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের প্রথম বর্ষের ছাত্র অরূপ বিশ্বাসকে কথা বলার নাম করে হস্টেলে ডেকে বেধড়ক মারধর করেন টিএমসিপি কর্মী আলতাফ ও তাঁর সহযোগীরা। এই খবর ছড়াতেই এবিভিপির কর্মীরা হস্টেলে পৌঁছালে তাঁদের ওপর ব্লেড ও ধারালো অস্ত্র দিয়ে হামলা চালানো হয়। ব্লেডের কোপে অরূপ বিশ্বাস ও অভিষেক পাল নামের দুই এবিভিপি কর্মীর বুকে ও কপালে গভীর ক্ষত তৈরি হয় এবং তাঁদের বারাসত মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে। অন্যদিকে তৃণমূল ছাত্র পরিষদের নেতা গিয়াস আলি ও রহমত মণ্ডলের পাল্টা দাবি, এবিভিপির কর্মীরাই বিনা প্ররোচনায় হস্টেলে ঢুকে সাধারণ ছাত্রদের ওপর হামলা চালিয়েছে এবং ভাঙচুর করেছে। সংঘর্ষে তাঁদের সংগঠনেরও প্রায় ১০-১২ জন ছাত্র জখম হয়েছেন বলে দাবি করেছেন টিএমসিপি নেতৃত্ব।
ঘটনার খবর পাওয়া মাত্রই দত্তপুকুর থানার পুলিশ ক্যাম্পাসে গিয়ে লাঠি উঁচিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। দুই পক্ষের লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে এবং অশান্তি ছড়ানোর অভিযোগে ইতিমধ্যেই টিএমসিপি-র ৩ জনকে আটক করেছে পুলিশ। অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
কলকাতা
পশ্চিমবঙ্গ
নজিরবিহীন রণক্ষেত্র বারাসত বিশ্ববিদ্যালয়! রাখিবন্ধন ঘিরে ছাত্র সংঘর্ষে ঝরল রক্ত!
প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের উত্তেজনার রেশ কাটতে না কাটতেই এবার তীব্র ছাত্র সংঘর্ষে রক্তাক্ত হয়ে উঠল বারাসতের ওয়েস্ট বেঙ্গল স্টেট ইউনিভার্সিটি (WBSU)। আসন্ন রাখিবন্ধন উৎসবের আয়োজন ও চাঁদা তোলাকে কেন্দ্র…
অনাস্থার পরেই ওলটপালট! দক্ষিণ ২৪ পরগনার এই পঞ্চায়েত এখন বিজেপির দখলে!
প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-দক্ষিণ ২৪ পরগনায় পঞ্চায়েত স্তরে ফের এক বড়সড় রাজনৈতিক রদবদল ঘটে গেল। মথুরাপুর ১ নম্বর ব্লকের লক্ষ্মীনারায়ণপুর দক্ষিণ গ্রাম পঞ্চায়েতে এবার উড়ল গেরুয়া পতাকা। অনাস্থা প্রস্তাবের পর কড়া…
বাজারজুড়ে পুলিশের নজিরবিহীন হানা! চিনি-সবজির অগ্নিমূল্য রুখতে রাজ্যজুড়ে অ্যাকশনে এনফোর্সমেন্ট ব্রাঞ্চ!
প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-রাজ্যজুড়ে আলু, পেঁয়াজসহ বিভিন্ন নিত্যপ্রয়োজনীয় সবজি এবং চিনির লাগামছাড়া মূল্যবৃদ্ধি ঠেকাতে এবার সরাসরি ময়দানে নামল প্রশাসন। সাধারণ মানুষের পকেটে টান পড়া রুখতে এবং কৃত্রিম সংকট তৈরি করা আটকাতে…
তদন্ত শুরুর আগেই চরম বিপর্যয়! যাদবপুর কাণ্ডে নজিরবিহীন ধাক্কা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের!
প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-ক্যাম্পাসে ছাত্র সংঘর্ষ ও ভাঙচুরের ঘটনার পর পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে গিয়ে নজিরবিহীন আইনি ও প্রশাসনিক সংকটে পড়ল যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। গত ২০ আগস্ট ক্যাম্পাসে ঘটে যাওয়া ঘটনার তদন্তে…
হাইকোর্টের নজিরবিহীন রায়! ধর্মতলায় এক ইঞ্চি জমিও পেল না তৃণমূলের কোনো গোষ্ঠী!
প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-একুশে জুলাইয়ের পর এবার আগামী ২৮ অগাস্টের মেগা কর্মসূচি নিয়েও বড়সড় ধাক্কা খেল তৃণমূলের দুই বিবদমান শিবির। দীর্ঘ বছর ধরে ধর্মতলার মেয়ো রোডের গান্ধী মূর্তির পাদদেশে সমাবেশ করে…