রাজ্য রাজনীতি
ভারতবর্ষ
বিজেপির খবর
ভেঙে যাচ্ছে কলকাতা পুরসভার বর্তমান বোর্ড? আমজনতার কৌতূহল মেটাতে বিশেষ এক্সরে রিপোর্ট!
প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-মহানাগরিকের ইস্তফার খবরটি সামনে আসার পর থেকেই কলকাতার সাধারণ মানুষের মনে এখন একটাই সবচেয়ে বড় প্রশ্ন—তাহলে কি এবার সত্যিই ভেঙে যেতে চলেছে কলকাতা পুরসভা? কর্পোরেশনের ভবিষ্যৎ, প্রশাসনিক কাজকর্ম এবং বর্ষার মুখে শহরের নাগরিক পরিষেবা ঠিক কোন দিকে এগোবে, তা নিয়ে আমজনতার মনে তীব্র কৌতূহল সৃষ্টি হয়েছে। রাজ্যের সাম্প্রতিক বিধানসভা নির্বাচনের পর তৈরি হওয়া নতুন রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে এই সমীকরণ অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। কলকাতা পুরনিগম আইন (KMC Act, 1980) এবং বর্তমান প্রশাসনিক জটিলতা খতিয়ে দেখলে পুরসভার ভবিষ্যৎ নিয়ে মূলত ৩টি সম্ভাবনা সামনে আসছে।
আইন অনুযায়ী, মেয়রের পদ শূন্য বা পদত্যাগ হওয়া মানেই বর্তমান ‘মেয়ার-ইন-কাউন্সিল’ বা পরিচালন বোর্ডটি আইনিভাবে ভেঙে যাওয়া। পুরপ্রশাসনের নিয়মানুযায়ী এই পদত্যাগের সাথে সাথেই বর্তমান বোর্ডটি বাতিলের আইনি ও প্রশাসনিক প্রক্রিয়া শুরু হয়ে গেছে। ফলে কলকাতা পুরসভায় এতদিনের তৃনমূলের একচ্ছত্র বোর্ডের রাজনৈতিক নিয়ন্ত্রণ কার্যত শেষ হতে চলেছে। সামনে বর্ষা, তাই কলকাতার নিকাশি ব্যবস্থা, পাম্পিং স্টেশন সচল রাখা এবং পানীয় জলের মতো জরুরি নাগরিক পরিষেবা যাতে একদিনের জন্যও ব্যাহত না হয়, সে বিষয়ে রাজ্য সরকারের দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া অত্যন্ত জরুরি। আইনি নিয়ম মেনে, নতুন পুরবোর্ড গঠন বা নির্বাচন না হওয়া পর্যন্ত পুরসভার দৈনন্দিন কাজ সচল রাখতে রাজ্য সরকার খুব দ্রুত কোনো অভিজ্ঞ আইএএস (IAS) অফিসার বা বর্তমান মিউনিসিপ্যাল কমিশনারকে সরকারি প্রশাসক (Administrator) হিসেবে নিয়োগ করতে পারে। বিজেপি নেতৃত্বের দাবি, পুরসভাকে সম্পূর্ণ রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত করে অবিলম্বে প্রশাসক বসিয়ে সাধারণ মানুষের পরিষেবা নিশ্চিত করা হোক।
রাজনৈতিক মহলের একাংশের খবর, কলকাতা পুরসভার বর্তমান তৃণমূল বোর্ডের মেয়াদ এমনিতেই আগামী ডিসেম্বর মাসে শেষ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু রাজ্যের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পটপরিবর্তন এবং তৃণমূল শিবিরের অন্দরে লাগাতার ভাঙন ও একের পর এক মেয়রের ইস্তফার জেরে পরিস্থিতি ভিন্ন দিকে মোড় নিয়েছে। গেরুয়া শিবিরের দাবি, বর্তমান পুরবোর্ডের ব্যর্থতার কারণে কলকাতার মানুষ দ্রুত পরিবর্তন চাইছে। পরিস্থিতি বিবেচনা করে নির্বাচন কমিশন যদি রাজ্য সরকারের পরামর্শে চলতি বছরের শেষেই কলকাতা ও পার্শ্ববর্তী পুরসভাগুলিতে একযোগে আগাম নির্বাচনের ঘোষণা করে, তবে বিজেপি পূর্ণ শক্তিতে লড়াই করতে প্রস্তুত।
সব মিলিয়ে এটা স্পষ্ট যে, বর্তমান পুরবোর্ডের বিদায়ের সাথে সাথে কলকাতা পুরসভার পুরনো শাসনকাঠামোয় বড়সড় ধাক্কা লেগেছে। আইনি পথে বর্তমান পুরবোর্ড ভেঙে দিয়ে প্রথমে সরকারি প্রশাসক বসানো এবং তারপর গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় ভোটের মাধ্যমেই কলকাতার ভবিষ্যৎ বোর্ড নির্ধারিত হবে।
তৃণমূলের খবর
ভেঙে যাচ্ছে কলকাতা পুরসভার বর্তমান বোর্ড? আমজনতার কৌতূহল মেটাতে বিশেষ এক্সরে রিপোর্ট!
প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-মহানাগরিকের ইস্তফার খবরটি সামনে আসার পর থেকেই কলকাতার সাধারণ মানুষের মনে এখন একটাই সবচেয়ে বড় প্রশ্ন—তাহলে কি এবার সত্যিই ভেঙে যেতে চলেছে কলকাতা পুরসভা? কর্পোরেশনের ভবিষ্যৎ, প্রশাসনিক কাজকর্ম এবং বর্ষার মুখে শহরের নাগরিক পরিষেবা ঠিক কোন দিকে এগোবে, তা নিয়ে আমজনতার মনে তীব্র কৌতূহল সৃষ্টি হয়েছে। রাজ্যের সাম্প্রতিক বিধানসভা নির্বাচনের পর তৈরি হওয়া নতুন রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে এই সমীকরণ অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। কলকাতা পুরনিগম আইন (KMC Act, 1980) এবং বর্তমান প্রশাসনিক জটিলতা খতিয়ে দেখলে পুরসভার ভবিষ্যৎ নিয়ে মূলত ৩টি সম্ভাবনা সামনে আসছে।
আইন অনুযায়ী, মেয়রের পদ শূন্য বা পদত্যাগ হওয়া মানেই বর্তমান ‘মেয়ার-ইন-কাউন্সিল’ বা পরিচালন বোর্ডটি আইনিভাবে ভেঙে যাওয়া। পুরপ্রশাসনের নিয়মানুযায়ী এই পদত্যাগের সাথে সাথেই বর্তমান বোর্ডটি বাতিলের আইনি ও প্রশাসনিক প্রক্রিয়া শুরু হয়ে গেছে। ফলে কলকাতা পুরসভায় এতদিনের তৃনমূলের একচ্ছত্র বোর্ডের রাজনৈতিক নিয়ন্ত্রণ কার্যত শেষ হতে চলেছে। সামনে বর্ষা, তাই কলকাতার নিকাশি ব্যবস্থা, পাম্পিং স্টেশন সচল রাখা এবং পানীয় জলের মতো জরুরি নাগরিক পরিষেবা যাতে একদিনের জন্যও ব্যাহত না হয়, সে বিষয়ে রাজ্য সরকারের দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া অত্যন্ত জরুরি। আইনি নিয়ম মেনে, নতুন পুরবোর্ড গঠন বা নির্বাচন না হওয়া পর্যন্ত পুরসভার দৈনন্দিন কাজ সচল রাখতে রাজ্য সরকার খুব দ্রুত কোনো অভিজ্ঞ আইএএস (IAS) অফিসার বা বর্তমান মিউনিসিপ্যাল কমিশনারকে সরকারি প্রশাসক (Administrator) হিসেবে নিয়োগ করতে পারে। বিজেপি নেতৃত্বের দাবি, পুরসভাকে সম্পূর্ণ রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত করে অবিলম্বে প্রশাসক বসিয়ে সাধারণ মানুষের পরিষেবা নিশ্চিত করা হোক।
রাজনৈতিক মহলের একাংশের খবর, কলকাতা পুরসভার বর্তমান তৃণমূল বোর্ডের মেয়াদ এমনিতেই আগামী ডিসেম্বর মাসে শেষ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু রাজ্যের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পটপরিবর্তন এবং তৃণমূল শিবিরের অন্দরে লাগাতার ভাঙন ও একের পর এক মেয়রের ইস্তফার জেরে পরিস্থিতি ভিন্ন দিকে মোড় নিয়েছে। গেরুয়া শিবিরের দাবি, বর্তমান পুরবোর্ডের ব্যর্থতার কারণে কলকাতার মানুষ দ্রুত পরিবর্তন চাইছে। পরিস্থিতি বিবেচনা করে নির্বাচন কমিশন যদি রাজ্য সরকারের পরামর্শে চলতি বছরের শেষেই কলকাতা ও পার্শ্ববর্তী পুরসভাগুলিতে একযোগে আগাম নির্বাচনের ঘোষণা করে, তবে বিজেপি পূর্ণ শক্তিতে লড়াই করতে প্রস্তুত।
সব মিলিয়ে এটা স্পষ্ট যে, বর্তমান পুরবোর্ডের বিদায়ের সাথে সাথে কলকাতা পুরসভার পুরনো শাসনকাঠামোয় বড়সড় ধাক্কা লেগেছে। আইনি পথে বর্তমান পুরবোর্ড ভেঙে দিয়ে প্রথমে সরকারি প্রশাসক বসানো এবং তারপর গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় ভোটের মাধ্যমেই কলকাতার ভবিষ্যৎ বোর্ড নির্ধারিত হবে।
কলকাতা
পশ্চিমবঙ্গ
ভেঙে যাচ্ছে কলকাতা পুরসভার বর্তমান বোর্ড? আমজনতার কৌতূহল মেটাতে বিশেষ এক্সরে রিপোর্ট!
প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-মহানাগরিকের ইস্তফার খবরটি সামনে আসার পর থেকেই কলকাতার সাধারণ মানুষের মনে এখন একটাই সবচেয়ে বড় প্রশ্ন—তাহলে কি এবার সত্যিই ভেঙে যেতে চলেছে কলকাতা পুরসভা? কর্পোরেশনের ভবিষ্যৎ, প্রশাসনিক কাজকর্ম…
পরাজয়ের ট্রফি মাথায় নিয়ে অভিষেকের ডানা ছাঁটা? কালীঘাটের সিদ্ধান্তে কি কোণঠাসা ক্যামাক স্ট্রিট?
প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-রাজনীতিতে শেষ কথা বলে কিছু হয় না, কিন্তু শেষ চালটা যে সবসময় মীরজাফর বা চাণক্যের নয়, বরং কালীঘাটের ‘দিদি’-র হাত দিয়েই বেরোয়, তা কি আজ আরও একবার প্রমাণিত…
দিল্লিতে হাইপ্রোফাইল বৈঠক: নীতিন নবীনের দরবারে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু, আজ রাতেই কি চূড়ান্ত হচ্ছে নতুন মন্ত্রিসভার দফতর?
প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-ঐতিহাসিক রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর পশ্চিমবঙ্গে প্রথম বিজেপি সরকার গঠিত হলেও, এখনও চূড়ান্ত হয়নি মন্ত্রিসভার দফতর বণ্টন। গত ১ জুন লোক ভবনে নতুন সরকারের ৩৫ জন বিধায়ক মন্ত্রী হিসেবে…
মেয়াদ শেষের আগেই রণে ভঙ্গ! ‘নিধিরাম সর্দার’ সেজে ববি হাকিমের নাটকীয় ইস্তফা, রাজনৈতিক মহলে তীব্র চর্চা!
প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-আজকের সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক খবর— মেয়াদের আগেই কলকাতা পুরসভার মহানাগরিকের পদ ছেড়ে দিলেন ফিরহাদ হাকিম। কলকাতা পুরসভার বর্তমান বোর্ডের মেয়াদ শেষ হতে এখনও প্রায় ছ’টা মাস বাকি ছিল।…
ক্ষমতা থাকতে মমতার ‘রাইট হ্যান্ড’, ক্ষমতা ফুরোতেই ইস্তফার পারমিশন! ববি হাকিমের ‘মাথা উঁচু’র তত্ত্বে হাসছে রাজ্যবাসী!
প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-আজকের আরও একটি বড় রাজনৈতিক খবর— মেয়াদের আগেই কলকাতা পুরসভার মহানাগরিকের পদ থেকে বিদায় নিলেন ফিরহাদ হাকিম। তবে এই বিদায়ের পেছনে তিনি কোনো বিদ্রোহ বা কোন্দলের কথা মানতে…