প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-
এসআইআর প্রক্রিয়ার প্রথম দিন থেকে এই তৃণমূল কংগ্রেস এর বিরোধিতা করছে। দিল্লি থেকে বসে জাতীয় নির্বাচন কমিশন একের পর এক নির্দেশ দিলেও, যেভাবে এই রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস গোটা ব্যবস্থাকে ভন্ডুল করার একটা চক্রান্ত বেছে নিয়েছে, তাতে রীতিমত উত্তাল হয়ে উঠছে পরিস্থিতি। বিজেপির দাবি, পশ্চিমবঙ্গে নীচুতলায় প্রশাসনের যে সমস্ত আধিকারিকরা রয়েছেন, তাদের বেশিরভাগ এই এসআইআর প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত। তাই শুনানির নামে সাধারণ মানুষকে হয়রান করছে তৃণমূলের কথায় সেই সমস্ত আধিকারিকরাই। তাই গোটা বিষয়ে আরও বেশি করে নজর রাখতে হবে জাতীয় নির্বাচন কমিশনকে। এক্ষেত্রে অবৈধ এবং ভুয়ো ভোটারদের নাম বাদ দিয়ে স্বচ্ছ ভোটার তালিকা তৈরি করাই কমিশনের একমাত্র কর্তব্য বলেই দাবি করছেন বিজেপি নেতারা। তবে সেখানে যদি কোনো গাফিলতি থেকে থাকে, তাহলে বিজেপিও যে ছেড়ে কথা বলবে না, সেই ব্যাপারে কার্যত নিশ্চিত বিশেষজ্ঞরা। আর তার মধ্যেই আজ আবারও অতীতের মতই দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে বাংলায় এসে পরিস্থিতি সরেজমিনে তদারকি করার দাবি জানালেন রাজ্য বিজেপির সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য।
পশ্চিমবঙ্গে ইতিমধ্যেই এসআইআর প্রক্রিয়া প্রায় শেষের মুখে। শুনানির ক্ষেত্রে আর কয়েকটা দিন বৃদ্ধি করার জন্য আবেদন করেছে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক। তবে শেষ পর্যন্ত এই ব্যাপারে কি সিদ্ধান্ত নেয় জাতীয় নির্বাচন কমিশন, সেদিকেই সকলের নজর রয়েছে। তবে বাংলায় যেভাবে এসআইআর প্রক্রিয়া চলছে, তাতে অনেক ক্ষেত্রে অসন্তুষ্ট বিজেপি। তাদের বক্তব্য যে, অনেক জায়গাতেই তাদের বাধাদান করা হচ্ছে। এমনকি ফর্ম সেভেন জমা করতে গিয়েও বিজেপি নেতারা সমস্যার মুখে পড়ছেন। তাই গোটা বিষয়ে নির্বাচন কমিশনকে আরও সচেতন হওয়ার দাবি জানাচ্ছেন তারা। এক্ষেত্রে অতীতেও দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে বাংলায় এসে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখার আহ্বান করেছিলেন রাজ্য বিজেপির সভাপতি। আর আজ আবারও সেই কথাই উল্লেখ করলেন তিনি।
এদিন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন রাজ্য বিজেপির সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। আর সেখানেই তিনি বলেন, “কে ছাটলো, কে ঢোকালো, তা নিয়ে আমাদের কোনো মাথাব্যথা নেই। আমাদের ফর্ম সেভেন, যেটা দেওয়া যায়নি, সেটা যেভাবেই হোক নির্বাচন কমিশনকে দিতে হবে। নো এসআইআর, নো ভোট। পশ্চিমবঙ্গের মানুষকে একটি ত্রুটিমুক্ত ভোটার তালিকা উপহার দেওয়া নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব এবং দায়বদ্ধতা। তারা তাদের দায়িত্ব পালন করবেন। আবার বলছি, জ্ঞানেশ কুমার কলকাতায় আসুন। পশ্চিমবঙ্গ নিজে ঘুরে দেখুন।”
