প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-বিধায়কদের দস্তখত জালিয়াতি মামলায় ভবানী ভবনে ম্যারাথন জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি হতে হয়েছিল তৃণমূলের শীর্ষ নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে। কিন্তু তদন্তকারী সংস্থা সিআইডি (CID)-র অভ্যন্তরীণ সূত্রের দাবি, দীর্ঘ সাড়ে পাঁচ ঘণ্টার এই প্রক্রিয়ায় বহু গুরুত্বপূর্ণ জিজ্ঞাসার কোনো স্পষ্ট উত্তর দেননি ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ। বিশেষ করে জালিয়াতি রহস্যভেদের মূল চাবিকাঠি তথা ‘রেজোলিউশন বুক’ সংক্রান্ত প্রসঙ্গ উঠতেই নাকি সম্পূর্ণ নীরবতার কৌশল নেন তিনি। আর এই বিষয়টিকে হাতিয়ার করেই এবার তথ্য গোপনের তত্ত্ব খাড়া করে সুর চড়িয়েছে বিরোধী শিবির।
পদ্ম শিবিরের নেতাদের অভিযোগ, যদি কোনো অনিয়ম বা অপরাধ নাই ঘটে থাকে, তবে নথিপত্র সংক্রান্ত বিষয়ে এত জড়তা কেন? রাজনৈতিক মহলের মতে, খোদ শীর্ষ নেতৃত্বের এই এড়িয়ে যাওয়ার মানসিকতা আসলে কেলেঙ্কারির গভীরতাকেই প্রমাণ করে। সত্যকে আড়াল করার জন্যই কি তদন্তকারীদের বিভ্রান্ত করার এই চেনা ছক—সেই প্রশ্নই এখন চারদিকে ঘুরপাক খাচ্ছে।
বিজেপির পক্ষ থেকে কটাক্ষ করে বলা হচ্ছে, আদালতের কড়া অবস্থানের কারণে সশরীরে হাজিরা দিলেও, কৌশলে প্রকৃত সত্যকে ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা চলছে। নিজের দলের জনপ্রতিনিধিদের সই জালিয়াতির মতো চাঞ্চল্যকর বিষয়ে খোদ সেকেন্ড-ইন-কমান্ডের এই রহস্যজনক অবস্থানকে সাধারণ মানুষও ভালো চোখে দেখছেন না।
আগামী ১৪ জুন পুনরায় তলবের দিনেও যদি এই অসহযোগিতার ধারা বজায় থাকে, তবে তদন্তকারীদের আরও কড়া আইনি পদক্ষেপ নেওয়া উচিত বলে দাবি বিরোধীদের।
