Site icon প্রিয় বন্ধু মিডিয়া

“অধীর এবং সেলিমকে জিতিয়ে আনার চেষ্টা করব” জোটে না গেলেও বড় মন্তব্য হুমায়ুনের!

 

 

 

প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-
দীর্ঘ জল্পনার পর অবশেষে একটা বিষয় স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে যে, বাম এবং আইএসএফের সঙ্গে এক জোটে থাকছে না হুমায়ুন কবীরের দল। তিনি জানিয়ে দিয়েছেন যে, তারা যে পরিমাণ আসন চাইছে, তা তাদের পক্ষে দেওয়া সম্ভব নয়। তাই সেই কারণে তারা সেই জোটে থাকবেন না। এক্ষেত্রে মিমের সঙ্গে এবং অন্যান্য বেশ কিছু দলের সঙ্গে জোট করেই যে লড়াই করবে হুমায়ুন কবীরের জনতা উন্নয়ন পার্টি, তা তিনি নিজেই জানিয়ে দিয়েছেন। ফলে একটা বিষয়ে পরিষ্কার হয়ে গিয়েছে। কিন্তু বাম, কংগ্রেস এবং আইএসএফের সঙ্গে জোটে না থাকলেও, অধীর চৌধুরী এবং মহম্মদ সেলিমের প্রতি নরম মনোভাব পোষণ করলেন হুমায়ুন কবীর। এক্ষেত্রে এই দুইজন ব্যক্তি যদি লড়াই করেন, বিধানসভা নির্বাচনে তাহলে তাদের জিতিয়ে আনতে তিনি সব রকম চেষ্টা করবেন বলেই জানিয়ে দিলেন ভরতপুরের বিধায়ক।

২৬ এর বিধানসভা নির্বাচন যত এগিয়ে আসছে, ততই একের পর এক টুইস্ট দেখতে পাওয়া যাচ্ছে পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে। সংখ্যালঘু ভোটের এবার যে সবটা তৃণমূল পাবে না, তা হুমায়ুন কবীর নতুন দল গঠন করার দিনেই স্পষ্ট হয়ে গিয়েছিল। ফলে রাজ্যের শাসক দল অত্যন্ত চাপে রয়েছে। কিন্তু হুমায়ুন কবীর কার সঙ্গে জোট করবেন, তার দিকে নজর ছিল গোটা রাজ্যবাসীর। আজ তিনি জানিয়ে দিয়েছেন, তিনি মিম সহ অন্যান্য দলের সঙ্গে জোট করছেন। কিন্তু সিপিএম এবং আইএসএফের সঙ্গে জোটে থাকবেন না। আগেই তো বামেদের সঙ্গে জোটে না থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কংগ্রেস। ফলে প্রতিমুহূর্তে বদলাচ্ছে বঙ্গ রাজনীতিল সমীকরণ। তবে বামেদের সঙ্গে এবং কংগ্রেসের সঙ্গে এক জোটে না থাকলেও এবং আলাদাভাবে অন্য জোটে থেকে তার দল লড়াই করলেও ব্যক্তি মহম্মদ সেলিম এবং ব্যক্তি অধীর চৌধুরীর প্রতি যে যথেষ্ট সফট কর্নার তার রয়েছে, তা বুঝিয়ে দিলেন হুমায়ুন কবীর।

এদিন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন হুমায়ুন কবীর। আর সেখানেই তিনি বলেন, “অধীরবাবুর মত লোকের বিধানসভায় দরকার। তিনি যদি হাত প্রতীকে লড়াই করেন, তাঁকে হারানোর জন্য কোনো পদক্ষেপ করব না। তাকে জেতানোর জন্য চেষ্টা করব। আর মহম্মদ সেলিম যদি মুর্শিদাবাদের কোনো আসনে লড়েন, তাহলে তাকে সমর্থন করব। সেলিম যাতে বিধায়ক হয়ে বিধানসভায় আসেন, সেই চেষ্টা করব।”

Exit mobile version