Site icon প্রিয় বন্ধু মিডিয়া

‘ঔপনিবেশিক দাসত্বের’ অবসান! আজ থেকে বদলে গেল বাংলার বিচার ব্যবস্থা; মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর ‘মাস্টারস্ট্রোকে’ ইতিহাস গড়ল পশ্চিমবঙ্গ!

 

প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-মে মাসের রোদেলা সকালে আজ পশ্চিমবঙ্গ এক নয়া সূর্যোদয় দেখল। ব্রিটিশ আমলের পুরনো আইনি শৃঙ্খল ঝেড়ে ফেলে আজ থেকে রাজ্যে সম্পূর্ণভাবে কার্যকর হলো ‘ভারতীয় ন্যায় সংহিতা’ (BNS)। এক ঐতিহাসিক সিদ্ধান্তে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ঘোষণা করেছেন যে, আজ থেকে আইপিসি (IPC) ও সিআরপিসি (CrPC)-এর মতো পুরনো আইনের দিন শেষ। এখন থেকে দেশের মূল ধারার বিচার ব্যবস্থার সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে চলবে বাংলার প্রশাসন।

আজ নবান্নে আয়োজিত প্রথম মন্ত্রিসভার বৈঠকের পরই এক তাৎপর্যপূর্ণ বার্তা দেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি স্পষ্টভাবে জানান, দীর্ঘদিন ধরে কেন্দ্রীয় সরকারের নির্দেশ অমান্য করে যেভাবে পুরনো আইন চালানো হচ্ছিল, তা ছিল কার্যত ‘অবৈধ’ এবং অসাংবিধানিক। সাধারণ মানুষের ন্যায়বিচার পাওয়ার পথে যা ছিল এক বড় বাধা। আজকের এই সিদ্ধান্তের পর বাংলা থেকে পাকাপাকিভাবে বিদায় নিল ঔপনিবেশিক শাসনের চিহ্ন।

নতুন মন্ত্রিসভার যুক্তি, ২০২৪ সালের ১ জুলাই থেকে গোটা দেশে ভারতীয় ন্যায় সংহিতা চালু হলেও তৎকালীন পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সদিচ্ছার অভাবে এ রাজ্য পিছিয়ে ছিল। এতে বিচার প্রক্রিয়ায় জটিলতা বাড়ছিল। আজ থেকে নতুন আইন চালু হওয়ার ফলে: ডিজিটাল প্রমাণের ওপর জোর দিয়ে বিচার প্রক্রিয়া দ্রুত হবে।মামলা জট কমবে এবং পুলিশি ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা আসবে।সন্ত্রাসবাদ এবং মহিলাদের বিরুদ্ধে অপরাধের ক্ষেত্রে কড়া শাস্তির বিধান নিশ্চিত হবে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশ মনে করছেন, মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শুভেন্দু অধিকারীর এই প্রথম পদক্ষেপটি অত্যন্ত সাহসী। এর মাধ্যমে তিনি বার্তা দিলেন যে, দিল্লি এবং কলকাতার মধ্যে আইনি সংঘাতের অবসান ঘটল। বিজেপি-ঘনিষ্ঠ মহলের দাবি, এই একটি সিদ্ধান্তেই প্রশাসন প্রমাণ করল যে রাজ্যে ‘ডাবল ইঞ্জিন’ শাসনের আসল রূপ ঠিক কেমন হয়।

বিকেল থেকেই রাজ্য পুলিশের সদর দপ্তর ভবানী ভবনে নতুন আইনের কপি পৌঁছানোর তোড়জোড় শুরু হয়েছে। আজকের এই দিনটি বাংলার প্রশাসনিক ইতিহাসে এক ‘মাইলফলক’ হয়ে থাকবে বলেই মনে করা হচ্ছে।

Exit mobile version