Site icon প্রিয় বন্ধু মিডিয়া

“আমার জন্য প্রাণ পেয়েছে” রাজ্যসভার প্রার্থী হয়েই তৃণমূলকে অতীত মনে করালেন রাহুল সিনহা!

 

 

 

প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট- একসময় রাজ্য রাজনীতিতে কার্যত অপ্রাসঙ্গিক থাকা তৃণমূল কংগ্রেসকে আশ্রয় দিয়েছিল ভারতীয় জনতা পার্টি। সিঙ্গুর আন্দোলনের সময় তার পাশে গিয়ে দাঁড়িয়েছিলেন বিজেপি নেতৃত্বরা। তা না হলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তৃণমূল কংগ্রেসকে যে কেউ চিনত না, এটা স্বীকার করে নেন তৃণমূলের অনেক নেতা নেত্রীরাও। তবে আজ পশ্চিমবঙ্গের সেই তৃণমূল কংগ্রেস ক্ষমতায় আর ক্ষমতায় আসার পর তারা যেভাবে বিরোধী শক্তিকে শেষ করার চেষ্টা করেছে, তা গণতন্ত্র ধ্বংসের শামিল। আর বর্তমানে বিজেপি পশ্চিমবঙ্গে বিরোধী আসনে। ২৬ এর নির্বাচনে তারা যে ক্ষমতায় আসতে পারে, সেই ব্যাপারে একটা প্রকট সম্ভাবনা দেখতে পাওয়া যাচ্ছে। আর এই পরিস্থিতিতে বিজেপিকে শেষ করে দিতে সব রকম চেষ্টা তৃণমূলের পক্ষ থেকে করা হচ্ছে। আর দীর্ঘদিন ধরে বিজেপির সঙ্গে যুক্ত থাকার রাহুল সিনহা গতকাল রাজ্যসভার আসনে প্রার্থী হওয়ার পরেই তৃণমূলকে তার অতীত স্মরণ করিয়ে দিলেন। বিজেপির থেকেও ব্যক্তিগত ভাবে তৃণমূলকে প্রাণে বাঁচানোর ক্ষেত্রে তার যে অবদান ছিলো, সেই কথা তুলে ধরে রাজ্যের বর্তমান শাসক দলকে কটাক্ষ করলেন তিনি।

অনেকেই বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে একসময় আশ্রয় দিয়েছিলেন অটল বিহারী বাজপেয়ী। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজ্য রাজনীতিতে তো বটেই, স্থানীয় এবং এলাকা গত রাজনীতিতেও অপ্রাসঙ্গিক হয়ে যেতেন, যদি সেই সময় বিজেপি তার পাশে না দাঁড়াতো। কিন্তু পরবর্তীতে তিনি পশ্চিমবঙ্গের ক্ষমতার স্বাদ পেয়ে সেই বিজেপির সঙ্গেই গদ্দারি করেছেন। এখন বিজেপির পুরোনো দিনের ঋণ শোধ না করে তিনি বিজেপি নেতৃত্বের ওপর ক্রমশ বদলার রাজনীতি নিতে শুরু করেছেন। কারণ এই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ক্ষমতা ছাড়া আর কিছুই বোঝেন না। তিনি বুঝতে পারছেন যে, এবার পশ্চিমবঙ্গের মানুষ বিজেপিকে ক্ষমতায় আনবে। তাই সব কিছু ভুলে গিয়ে তিনি এখন বিজেপি নেতাদের প্রতি প্রতিহিংসা পরায়ন আচরণ করছেন বলেই অভিযোগ গেরুয়া শিবিরের। আর এই পরিস্থিতিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তৃণমূল কংগ্রেসকে তাদের অতীত স্মরণ করিয়ে দিয়ে রাজ্যসভার প্রার্থী হওয়ার পরেই রীতিমত বিস্ফোরণ ঘটালেন রাহুল সিনহা।

গতকাল রাজ্যসভার আসনে রাহুল সিনহার নাম প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করে বিজেপি। আর তারপরেই সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন, “তৃণমূলকে ঘাড়ে তুলে আমরা নিজেরা নিজেদের সর্বনাশ করেছি। এই রাহুল সিনহার জন্য প্রাণ পেয়েছে। বিজেপির জন্য বলছি না। এই রাহুল সিনহার জন্য। ২৬ দিনের ওই যাত্রা ওখানেই শেষ হয়ে যেত।”

Exit mobile version