Site icon প্রিয় বন্ধু মিডিয়া

“আমরা সরকার ফেলে দেওয়ার পক্ষে নই” রাজ্যপাল এবং রাষ্ট্রপতির কাছে বড় প্রশ্ন শমীকের!

 

 

 

প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-
এই রাজ্যে এত কিছু ঘটনা ঘটছে। একের পর এক আইন শৃঙ্খলা ভেঙে পড়ার মত ঘটনা সামনে আসছে। তার পরেও কেন এই রাজ্যের সরকারের ক্ষমতা খর্ব করছে না কেন্দ্রীয় সরকার? কেন তারা চুপচাপ বসে রয়েছে, এই নিয়ে অনেকের মধ্যেই প্রশ্ন রয়েছে। অনেকের মধ্যেই এই গুঞ্জন তৈরি হয়েছে যে, কি করে কেন্দ্রীয় সরকার তৃণমূলের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেবে! কারণ তাদের দুজনের মধ্যে তো সেটিং রয়েছে। তবে এই প্রশ্ন যখনই উঠেছে তখনই বিজেপির পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে যে তারা কোন গণতান্ত্রিক সরকারকে ফেলে দেওয়ার পক্ষে নয় তারা গণতান্ত্রিকভাবে মানুষের সমর্থন নিয়েই ভোটে জিতে এই সরকারকে উৎখাত করবে। কিন্তু বিজেপি নেতারা যে কথাই বলুন না কেন সাধারণ মানুষের মধ্যে প্রশ্ন উঠছে যে তাহলে রাজ্যের সাংবিধানিক প্রধান হিসেবে রাজ্যপাল কি করছেন? যে রাজ্যের প্রশাসন দলদাসে পরিপূর্ণ, যে রাজ্যে পুলিশের কাছ থেকে মানুষ সহযোগিতা পায় না, যে রাজ্যের পুলিশ তৃণমূলের কথায় চলে, সেখানে পুলিশের ক্ষমতা খর্ব করে এই সরকারকে টাইট দেওয়ার মত পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য কেন রাজ্যপালের পক্ষ থেকে রাষ্ট্রপতির কাছে কোনো সুপারিশ যাচ্ছে না? এদিন সরকার ফেলার বিপক্ষে মতামত দিলেও, সেই কথাই তুলে ধরলেন রাজ্য বিজেপির সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য।

এই রাজ্যে একের পর এক নারী নির্যাতন, নিয়োগ দুর্নীতি থেকে শুরু করে এসআইআর প্রক্রিয়া যখন চলছে, তখন দেখা যাচ্ছে, কিছু মানুষ আইন হাতে তুলে নিচ্ছেন তার পরেও সংবিধান যেখানে আক্রান্ত, যেখানে সংবিধানের রক্ষা কর্তারা কেন নীরব ভূমিকায় রয়েছেন, তা নিয়ে সকলের মধ্যেই প্রশ্ন রয়েছে। বিজেপি অন্য উপায় অবলম্বন করে সরকার ফেলার পক্ষে না থাকলেও সাংবিধানিক দায়িত্বে থাকা মানুষদের নিয়ে তাদের মধ্যেও বিভিন্ন প্রশ্ন মাথাচাড়া দিচ্ছে। তারাও বলাবলি করছেন যে, রাজ্যের রাজ্যপাল কেন চুপচাপ করে বসে রয়েছেন? তিনি সংবিধানকে রক্ষা করার জন্য কেন পদক্ষেপ নিচ্ছেন না? আর মানুষের সেই কথাই শোনা গেল এবার বিজেপির রাজ্য সভাপতির গলায়।

এদিন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন রাজ্য বিজেপির সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। আর সেখানেই তিনি বলেন, “আমরা নীতিগতভাবে কোনো নির্বাচিত সরকারকে ৩৫৬ ধারা প্রয়োগ করে ফেলে দেওয়ার পক্ষে নই। আমাদের প্রশ্ন রাজ্যপালের কাছে, পশ্চিমবঙ্গে কি সংবিধান আছে? এই প্রশ্ন রাজ্যপালের মধ্যে দিয়ে রাষ্ট্রপতির কাছে যে, এখানে সমস্ত সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলো আক্রান্ত হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বলে কিছু নেই।”

Exit mobile version