Site icon প্রিয় বন্ধু মিডিয়া

নবান্ন থেকে মারাত্মক ফরমান! ১ কোটি ৪৫ লক্ষ মহিলার ‘অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার’-এর টাকা নিয়ে মন্ত্রী সুমনা সরকারের চূড়ান্ত ডেডলাইন ঘোষণা!

 

প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-রাজ্যে নতুন বিজেপি সরকারের ১০০ দিন পূর্তির পুণ্যলগ্নে ‘অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার’ (অন্নপূর্ণা যোজনা) নিয়ে অবশেষে সমস্ত ধোঁয়াশা ও বিভ্রান্তি দূর করল নবান্ন। এই প্রকল্পের টাকা দেওয়া নিয়ে বাজারে চলা ভুল প্রচার ও গুজব সম্পূর্ণ উড়িয়ে দিলেন রাজ্যের স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী সুমনা সরকার। সোমবার নবান্নে আয়োজিত একটি হাইপ্রোফাইল সাংবাদিক বৈঠকে তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, যোগ্য মহিলাদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠানোর প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ সুরক্ষিত উপায়ে শুরু হয়েছে এবং এর একটি নির্দিষ্ট সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে।

টাকা ঢোকার নির্দিষ্ট দিনক্ষণ নিয়ে মন্ত্রী আজ চূড়ান্ত সময়সীমা ঘোষণা করেছেন। সুমনা সরকার সাফ জানান, কোনো রকমের বিভ্রান্তিতে কান দেওয়ার প্রয়োজন নেই। তিনি বলেন:”অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের টাকা নিয়ে বিভিন্ন মহলে বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে, মহিলাদের মধ্যে ভুলভাল তথ্য ছড়ানো হচ্ছে। আমি স্পষ্ট জানাতে চাই, আজ সোমবার (১৭ আগস্ট) থেকেই উপভোক্তাদের অ্যাকাউন্টে সরাসরি টাকা পাঠানো শুরু হয়েছে। আগামী ১৭ থেকে ২০ আগস্টের মধ্যে সমস্ত যোগ্য আবেদনকারীর অ্যাকাউন্টে এই টাকা পৌঁছে যাবে।” তিনি আরও আশ্বস্ত করে জানান, যারা প্রকৃত অর্থে এই প্রকল্পের যোগ্য, তাঁদের প্রত্যেকের অ্যাকাউন্টে নিয়ম মেনেই টাকা ঢুকবে, কেউ বঞ্চিত হবেন না।

ধোঁয়াশা দূর করে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী সুমনা সরকার আজ বড় পরিসংখ্যান তুলে ধরেছেন। তিনি জানান, অন্নপূর্ণা যোজনা ভাণ্ডারে মোট আবেদন জমা পড়েছিল প্রায় ১ কোটি ৮০ লক্ষ। স্ক্রুটিনি ও সম্পূর্ণ সরকারি যাচাইকরণ (১০ জুলাই পর্যন্ত জমা পড়া আবেদন) প্রক্রিয়া শেষে প্রথম দফায় রাজ্যের মোট ১ কোটি ৪৫ লক্ষ যোগ্য মহিলাকে এই প্রকল্পের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। অর্থাৎ, এই বিশাল সংখ্যক মহিলাই নিশ্চিতভাবে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের আর্থিক সুবিধা পেতে চলেছেন।

মন্ত্রী স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে, ১১ জুলাই থেকে ৩১ জুলাই পর্যন্ত যত আবেদন জমা পড়েছে, সেগুলির ফিল্ড এনকোয়ারি ও ভেরিফিকেশনের কাজ বর্তমানে জেলা স্তরে চলছে। ৩১ জুলাই পর্যন্ত জমা পড়া আবেদনগুলির ভেরিফিকেশন শেষ না হওয়া পর্যন্ত আপাতত নতুন কোনো আবেদন গ্রহণ করা হবে না। নবান্নের এই স্পষ্ট ঘোষণা এবং চারদিনের নির্দিষ্ট ডেডলাইন কোটি কোটি উপভোক্তা মহিলার মনে বড়সড় স্বস্তি এনে দিল বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

Exit mobile version