Site icon প্রিয় বন্ধু মিডিয়া

“এপ্রিলে তৃণমূলকে পোড়াবে মানুষ” কলকাতায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড নিয়ে সোচ্চার শুভেন্দু!

 

 

 

 

 

প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-
এই রাজ্যে সরকার বলে যে কিছু আছে, তা বুঝতে পারছে না সাধারণ মানুষ। যে সরকার মানুষের নিরাপত্তায় কাজে লাগে না, যে সরকার আইন শৃঙ্খলা সঠিকভাবে দেখভাল করতে পারে না, যে সরকার থাকা সত্ত্বেও গোডাউনে আগুন লেগে পরিস্থিতিদের বাইরে বেরিয়ে যাওয়ার পরেও মন্ত্রীদের ঘন্টার পর ঘন্টা চলে গেলেও দেখা পাওয়া যায় না, সেখানে সরকার নাকি সার্কাস চলছে, সেই প্রশ্ন বিরোধীরা করবে, এটা অত্যন্ত স্বাভাবিক। গতকাল সকাল থেকেই কলকাতায় নাজিরাবাদের গোডাউনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের খবর সামনে এসেছিল। ঘটনা ঘটার আট ঘণ্টা পরে সেখানে উপস্থিত হয়েছিলেন রাজ্যের মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস। কিন্তু যিনি দমকল মন্ত্রী রয়েছেন, তিনি গতকাল সারাদিন সেখানে যাওয়ার মত সময় পাননি। আজ তিনি গিয়েছেন। তবে গতকালই এই ঘটনা নিয়ে প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে যে আগুন লেগেছে, এপ্রিল মাসে সেই আগুনে তৃণমূলকে পোড়াবে মানুষ বলে সোচ্চার হলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।

এই রাজ্যের সমস্ত পরিকাঠামো যে ভেঙে পড়েছে এবং একের পর এক জায়গায় পচন ধরে গেলেও তৃণমূল সরকার ক্ষমতায় থাকা সত্ত্বেও যে তা পুনরুদ্ধারের বিন্দুমাত্র চেষ্টা করছে না, তা বিভিন্ন ঘটনার মধ্যে দিয়েই পরিষ্কার হয়ে যাচ্ছে। বিরোধীরা দাবি করছে, তৃণমূলের সরকার ভোট ব্যাংক রক্ষা করতে ব্যস্ত। সামনে নির্বাচন। তাই কি করে আবার মানুষকে ভুলিয়ে ক্ষমতায় ফেলা যায়, তার কৌশল অবলম্বন করছে তারা। তাই সাধারণ মানুষ আগুনে পুড়ে গেলেও তাদের সেদিকে কোনো হুশ নেই। কিন্তু মানুষের বিপদে না থেকে যারা ভোটব্যাংকের রাজনীতি করতে ব্যস্ত, এর ফলে যে তারা কতটা নিজেদের ক্ষতি নিজেরা করছেন, তা হয়ত বুঝতে পারছেন না। যার ফলে কলকাতায় এই ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের পরেও সরকারের নিষ্ক্রিয়তা নিয়ে প্রশ্ন তুললেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা।

গতকালই এই ব্যাপারে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। আর সেখানেই তিনি বলেন, “এরা আগুন লাগিয়েছে। এপ্রিল মাসে এই আগুনে তৃণমূল পুড়বে। তৃণমূলকে পোড়াবে মানুষ। দমকলের যে ভূমিকা ছিলো, তাতে অনেক মানুষকে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দেওয়া হয়েছে। বিক্ষোভের ভয়ে কোনো মন্ত্রী যাননি। ৮ ঘন্টা পরে অরূপ বিশ্বাস গিয়েছেন। দমকল মন্ত্রীর তো দেখা নেই। আমরা নজর রেখেছি। এই মুহূর্তে আমরা ওখানে গিয়ে উদ্ধারকারীদের কাজে বাধা সৃষ্টি করতে চাই না।”

Exit mobile version