Site icon প্রিয় বন্ধু মিডিয়া

আরও চাপে তৃণমূল? বিজেপির মতই এক দফায় ভোটের দাবি সিপিএমের!

 

 

 

প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট- রাজ্যে যত বেশি দফায় ভোট হবে, ততই তৃণমূল কংগ্রেস তাদের দুষ্কৃতীদের বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে দিতে একটা পদ্ধতি অবলম্বন করতে পারে। তাই দফা কমলে তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা, যারা রাজ্য জুড়ে ঘুরে ঘুরে হিংসার ঘটনা ঘটিয়ে মানুষকে ভয় দেখায়, তাদের বাড়বাড়ন্ত অনেকটাই কমে যাবে। আর সেই কথা মাথায় রেখেই রাজ্যে দফা না বাড়িয়ে এক থেকে দুই দফায় ভোট করানো হোক বলে দীর্ঘদিন ধরেই দাবি করছে বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলো। শেষ পর্যন্ত এই ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেবে নির্বাচন কমিশন। তবে আজ সেই নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে সর্বদলীয় বৈঠকে বিজেপি পক্ষ থেকে দাবি জানানো হয়েছে, এক থেকে দুই দফায় ভোট করানো হোক। আর বিজেপির সুরেই সুর মিলিয়ে একই দাবি করেছে সিপিএমও। যার ফলে ক্রমশ দফা কমানোর ক্ষেত্রে বিরোধীদের পাল্লা বেশি ভারী হচ্ছে বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

মাঝে শোনা গিয়েছিল যে, রাজ্যে এবারের বিধানসভা ভোট এক দফায় হতে পারে। তবে তারপর আবার শোনা যায় যে, এক দফায় নয়, দুই থেকে চার দফায় ভোটের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিতে পারে নির্বাচন কমিশন। আর আজ কমিশনের ফুল বেঞ্চের সঙ্গে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলগুলির বৈঠক ছিলো। আর সেখানেই বিজেপির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এক দফায় ভোট করানো হোক। তবে এক দফায় যদি সম্ভব না হয়, তাহলে দুই দফার বেশি যেন ভোট রাজ্যে না হয়, এই দাবি করেছেন বিজেপি নেতারা। আর আজ সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে সিপিএমের প্রতিনিধি দলের পক্ষ থেকেও একই কথা বলতে শোনা গেল।

সূত্রের খবর, এদিন নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চের সঙ্গে বৈঠকে অংশ নেয় সিপিএম। আর সেখানেই তারা জানিয়ে দেন যে, এক দফায় রাজ্যে ভোট হোক। তবে এক দফায় যদি সম্ভব না হয়, তাহলে দুই দফায় ভোট করানো হোক পশ্চিমবঙ্গে। অর্থাৎ বিজেপির পক্ষ থেকে দফা কমানোর ব্যাপারে যে দাবি করা হয়েছে, সেই একই কথা নির্বাচন কমিশনের কাছে জানিয়েছে সিপিএম। স্বাভাবিকভাবেই তৃণমূল কংগ্রেস মুখে যতই কিছু না বলুক, তারা যে দফা বাড়ানোর পক্ষে, সেই সম্পর্কে দ্বিমত নেই বিশেষজ্ঞদের মধ্যে। তবে যেভাবে বিরোধীরা দফা কমানোর ব্যাপারে নির্বাচন কমিশনের কাছে দাবি জানিয়েছে, তাতে কমিশন শেষ পর্যন্ত কি সিদ্ধান্ত নেয়, সেদিকেই নজর থাকবে সকলের।

Exit mobile version