প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-
আজ দিনভর চর্চার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে মুর্শিদাবাদে বাবরি মসজিদের শিলান্যাস। সকলেই বলছেন, মসজিদ হতেই পারে। কিন্তু বাবরের নামে কেন সেই মসজিদ হবে? যে বাবর ভারতবর্ষের শত্রু ছিলো, যে বাবর ভারতবর্ষকে ধ্বংসের চেষ্টা করেছিলো, তার নামে কেন মসজিদ করা হচ্ছে? ইতিমধ্যেই তৃণমূলের পক্ষ থেকে হুমায়ুন বাবুকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। তবে সেই সাসপেন্ড কতটা বাস্তুব এবং কতটা লোক দেখানো, তা নিয়ে যথেষ্ট সন্দেহ রয়েছে বিরোধীদের মধ্যে। তবে আগেই জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল যে, এই ৬ ডিসেম্বর মুর্শিদাবাদের বহরমপুরে রাম মন্দিরের শিলান্যাস হবে। আর সেই মতই যখন বিভিন্ন খবরের চ্যানেল ওই বাবরি মসজিদের শিলান্যাসের খবর দেখাতে শুরু করেছে, ঠিক তখনই হিন্দু সনাতনীদের উজ্জীবিত করার মত আরও এক খবর সামনে চলে এলো।
মূলত, আজ ৬ ডিসেম্বরের দিন গোটা ভারতবর্ষের হিন্দু সনাতনীরা শৌর্য দিবস হিসেবেই পালন করে। কিন্তু সেই দিনকেই বেছে নিয়েছেন ভরতপুরের বিধায়ক হুমায়ুন কবীর। যেখানে বাবরি মসজিদের শিলান্যাস করছেন তিনি। ইতিমধ্যেই তা নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে গোটা রাজ্য রাজনীতিতে। প্রচুর সংখ্যালঘু মানুষ হুমায়ুনবাবুর এই কর্মসূচিতে অংশ নিলেও, অনেকেই প্রশ্ন তুলছেন, কেন বাবরের নামেই মসজিদ করতে হবে? তবে হুমায়ুনবাবুর তৈরি এই বাবরি মসজিদের শিলান্যাস একা ফ্রেমে নেই। এর পাশাপাশি রাম মন্দিরেরও শিলান্যাস হলো সেই মুর্শিদাবাদ জেলায়।
আগেই জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল যে, মুর্শিদাবাদ জেলায় বহরমপুরে লাগোয়া একটি জায়গায় রাম মন্দিরের শিলান্যাস করা হবে। আর সেই মত আজকের দিনেই করা হলো সেই শিলান্যাস। যেখানে উপস্থিত ছিলেন শাখারভ সরকার। মূলত, ট্রাস্টের মধ্যে দিয়েই এই মন্দিরের নির্মাণ কার্য হবে বলেই জানানো হয়েছে। আর একদিকে যখন সেই মুর্শিদাবাদ জেলায় বাবরি মসজিদের শিলান্যাস হচ্ছে, ঠিক তখনই পাল্টা রাম মন্দিরের শিলান্যাস এবং সেখানে হিন্দু সনাতনীদের উৎসাহ ছিল চোখে পড়ার মতো।
