প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-
মালদহে নদী ভাঙ্গন স্বাভাবিক বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। তবে যখনই এই ভাঙ্গনের ঘটনা ঘটে, তখনই কেন্দ্রীয় সরকারকে দায়ী করে আন্দোলনে নামে তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা মন্ত্রী থেকে শুরু করে জনপ্রতিনিধিরা। তবে পাল্টা বিজেপির পক্ষ থেকে বলা হয় যে, ইচ্ছাকৃতভাবে মানুষের অসুবিধে করে এই বাঁধে ভাঙ্গনের বিষয়টি নিয়েও দুর্নীতি করছে রাজ্যের শাসক দল। আর এবার সিএজি রিপোর্টের কথা উল্লেখ করে বাঁধে ভাঙ্গন নিয়ে তৃণমূল কতটা ভয়ংকর দুর্নীতি করেছে, তার পর্দা ফাঁস করে দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।
মালদহের মানুষের জীবনে মাঝেমধ্যেই নেমে আসে বিপর্যয়। নদী ভাঙনের কারণে প্রচুর মানুষ সমস্যার মুখে পড়েন। বারবার প্রশাসনের কাছে আবেদন করেও কাজের কাজ কিছুই হয়নি। তাই এবার বাধ্য হয়েই যখন তৃণমূল কংগ্রেস এবং তাদের প্রশাসনের কোনো সুরাহা করতে পারেনি। তাই বাঁধের টাকা পাঠানো হলেও তা কিভাবে দুর্নীতির জন্য ব্যবহৃত হয় এবং কিভাবে তৃণমূল নেতাদের পকেটে যায়, সেই কথাই তুলে ধরলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। যার ফলে অত্যন্ত অস্বস্তিতে পড়ে গেল রাজ্যের শাসক দল বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
এদিন মালদহের সভা থেকে বাঁধে ভাঙ্গন এবং তার দুর্নীতি নিয়ে সোচ্চার হন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তিনি বলেন, “মালদহ তৃণমূলের দুর্নীতির কারণে মার খাচ্ছে। প্রতিবছর এখানে অসংখ্য ঘর নদীতে তলিয়ে যায়। লক্ষ লক্ষ মানুষ তৃণমূল সরকারের কাছে আবেদন করেছেন, যাতে নদীর পাড়টা বাঁধিয়ে দেওয়া যায়। কিন্তু বাঁধের নামে কত যে খেলা হয়, আমার থেকে বেশি আপনারা জানেন। সিএজি রিপোর্ট দেখছিলাম, আপনাদের বাঁধের টাকা দেয়নি। কিন্তু তৃণমূলের নিজের লোকেদের খাতায় ৪০ বার বাঁধের টাকা পাঠানো হয়েছে। তৃণমূলের ঘনিষ্ঠরা টাকা লুট করেছে। বাংলায় বিজেপির সরকার হলেই এই কালো দুর্নীতি বন্ধ হবে।”
