Site icon প্রিয় বন্ধু মিডিয়া

“বাংলা জয় গোটা দেশের কাছেই প্রয়োজন” ফোকাস বেঙ্গল নিয়ে বড় বার্তা অমিত শাহের!

 

 

 

 

প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-
এই রাজ্যে চুরি, দুর্নীতি, স্বজনপোষণ, আইনশৃঙ্খলার অবনতি, এই সমস্ত বিষয় যেমন চিন্তার কারণ, ঠিক তেমনই গোটা দেশের কাছে চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে পশ্চিমবঙ্গের আভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার মত পরিস্থিতি। কেননা এই রাজ্যে যে সরকার রয়েছে, তারা অনুপ্রবেশ কারীদের মদত দিচ্ছে। আর তাদের মদত দেওয়ার কারণেই ক্রমাগত সীমান্তের চিত্র বদলাতে শুরু করেছে। আর এই খবর খুব ভালো মতই রয়েছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের কাছে। প্রতিনিয়ত রাজ্যের বিরোধী দল এবং বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী সহ বিজেপির অন্যান্য নেতারা অনুপ্রবেশ ইস্যু নিয়ে তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে সোচ্চার হন। তবে তৃণমূলের নেতারা অবশ্য পালটা দাবি করেন যে, সীমান্ত দেখার দায়িত্ব তো কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের। তারা তাদের দায়িত্ব পালন করছে না জন্যই অনুপ্রবেশ হচ্ছে। কিন্তু যখনই এই রাজ্যের বুকে অমিত শাহ বা বিজেপির অন্যান্য নেতারা আসেন, তখনই তারা অনুপ্রবেশের মত গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে সোচ্চার হন। আজও ব্যারাকপুরের সভা থেকে সেই বিষয়টি উল্লেখ করে বাংলায় বিজেপির জয় শুধুমাত্র এই রাজ্যের জন্য নয়, গোটা দেশের জন্য যে অত্যন্ত প্রয়োজনীয় হয়ে দাঁড়িয়েছে, তা স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।

এই রাজ্যে অনুপ্রবেশের মত গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে বারবার করে উদ্বেগ প্রকাশ করতে দেখা গিয়েছে বিজেপি নেতাদের। এমনকি অনুপ্রবেশকারীরা যে তৃণমূলের ভোটব্যাংক হয়ে দাঁড়িয়েছে, সেই কথাও উল্লেখ করেছেন নরেন্দ্র মোদী থেকে শুরু করে রাজ্যে আসা বিজেপির হাইপ্রোফাইল নেতারা। সামনেই ২৬ এর বিধানসভা নির্বাচন। আর সেই নির্বাচন উপলক্ষে এখন থেকেই বাংলা দখলে জোরকদমে ঝাঁপিয়ে পড়েছে বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। আজ রাজ্যে এসে সেই অনুপ্রবেশ নিয়েই তৃণমূল সরকারকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। স্পষ্ট ভাষায় তিনি বুঝিয়ে দেন, বাংলায় অনুপ্রবেশের মত যে কাজকর্ম হচ্ছে, তা বন্ধ করতেই বিজেপির ক্ষমতায় আসা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

এদিন ব্যারাকপুরের সভা থেকে অনুপ্রবেশ নিয়ে সোচ্চার হন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। যেখানে তিনি বলেন, “এবার বাংলায় বিজেপির সরকার গঠন করা শুধু এই রাজ্যের জন্য নয়, এখানে যেভাবে অনুপ্রবেশ হচ্ছে, তাতে গোটা দেশের নিরাপত্তা প্রশ্নের মুখে। অনুপ্রবেশকারীদের রুখতে হবে। মমতা দিদি বলেন, কেন্দ্র কি করে? আমি সংসদে বলেছিলাম, ফেন্সিংয়ের জন্য জায়গা দিচ্ছে না এই সরকার। তাই সীমানা দেওয়া যাচ্ছে না। কলকাতা হাইকোর্টও কিছুদিন আগে নির্দেশ দিয়েছে জমি দিতে। হাইকোর্ট বলেছে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার অনুপ্রবেশ রুখতে সচেষ্ট নয়। বড় ধাক্কা লেগেছে। উনি এখনও দেবেন না। কারণ তার ভোটব্যাংক এই অনুপ্রবেশকারী।”

Exit mobile version