Site icon প্রিয় বন্ধু মিডিয়া

বাংলাদেশে সরকার গঠনের পথে বিএনপি! তবে জামাতের উত্থানে চিন্তিত শমীক!

 

 

 

প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট- অবশেষে বাংলাদেশের ফলাফল সামনে এসেছে। যেখানে ক্ষমতা দখলের পথে বিএনপি। তবে জামাত যদি ক্ষমতা দখল করতো, তাহলে যে ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্কে যথেষ্ট অবনতি হতে পারতো, তা বলার অপেক্ষা রাখে না। তাই সকলেই চাইছিলেন, জামাত যেন বাংলাদেশে ক্ষমতায় না আসে। স্বাভাবিকভাবেই তারা ক্ষমতায় আসেনি। বাংলাদেশের মানুষও নিজেদের ভালো বুঝতে পেরে বিএনপিকে সমর্থন করেছে। তবে সব থেকে বেশি ভালো হতো, যদি আওয়ামী লিগ এখানে জয়লাভ করতো। কিন্তু যেহেতু তারা এবার ভোটে লড়াই করেনি, স্বাভাবিকভাবেই তাদের বিকল্প হিসেবে মন্দের ভালো এই বিএনপি বলেই মনে করা হচ্ছে ভারতের পক্ষে। তবে যেভাবে বিরোধী শক্তি হিসেবে জামাতের উত্থান ঘটেছে, তা নিয়ে বাংলার পরিস্থিতির কথা তুলে ধরে চিন্তা প্রকাশ করলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য।

ইতিমধ্যেই বাংলাদেশে বিএনপি ক্ষমতা দখলের কাছাকাছি পৌঁছে যাওয়ায় তারেক রহমানকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ভারতের কাছে এটা খুব অ্যালার্মিং, যখন জামাতের বিরোধী শক্তি হিসেবে উত্থান ঘটেছে। এতদিন বাংলাদেশের ভোটে জামাত খুব সামান্য ভোট পেতো। কিন্তু এবার যেভাবে তাদের ভোট শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে এবং আসন সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে, তা অত্যন্ত চিন্তা জনক বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। তাই ভবিষ্যতে বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপনের ক্ষেত্রে ভারতকে আরও সাবধানী হতে হবে বলেই মনে করা হচ্ছে। আর ওপার বাংলার এই ফলাফলে চিন্তিত এপার বাংলার মানুষরাও। বাংলাতেও যেভাবে অবৈধ অনুপ্রবেশকারী ঢুকেছে এবং বিভিন্ন জায়গায় তাদের ভোটব্যাঙ্ক হিসেবে কাজে লাগাচ্ছে এখানকার সরকার, তাতে দীর্ঘদিন ধরেই পশ্চিমবঙ্গ পশ্চিম বাংলাদেশ হতে পারে এই আশঙ্কা করছেন বিজেপি নেতারা। আর গতকালের ফলাফলের পর বিএনপি জয়লাভ করলেও জামাতের উত্থান নিয়ে বলতে গিয়ে পশ্চিমবঙ্গের মানুষের নিজেদের পরিস্থিতি উপলব্ধি করা উচিত বলেই মন্তব্য করলেন রাজ্য বিজেপির সভাপতি।

এদিন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন রাজ্য বিজেপির সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। আর সেখানেই তিনি বলেন, “পশ্চিমবঙ্গের মানুষকে চিন্তা করতে হবে। তাদের ভাবার সময় এসেছে। এটা তো মানব সভ্যতার অভিশাপ। মানব সভ্যতার ক্যান্সার। এই ধরনের মৌলবাদের উত্থান শুধু হিন্দুদের জন্য নয়, শিক্ষিত, সুস্থ মুসলমানদের জন্যও বিপদজনক। ভারতবর্ষের আভ্যন্তরী নিরাপত্তা যাতে বিঘ্নিত না হয়, সীমান্তে নতুন করে ধর্মান্ধরা যাতে উত্তেজনা না ছড়াতে পারে, তৃণমূলী হুমায়ুনদের বাড়বাড়ন্ত না হয়, তার জন্য যারা অত্যন্ত নিরাপদ আশ্রয় বসে নিজেদের নিরাপত্তা নিয়ে চিন্তিত হচ্ছেন না, এবার তাদেরও ভাববার সময় এসে গিয়েছে।”

Exit mobile version