Site icon প্রিয় বন্ধু মিডিয়া

বাংলাদেশে নতুন সরকারের শপথ! ভারত থেকে প্রতিনিধি হিসেবে যাচ্ছেন কে? জানলে চমকে যাবেন!

 

 

 

 

প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-
ইতিমধ্যেই বাংলাদেশের ফলাফল সামনে এসেছে। যেখানে মন্দের ভালো হলেও জয়লাভ করেছে বিএনপি। প্রায় ২ দশক পর তারা বাংলাদেশের ক্ষমতা দখল করতে চলেছে। এবার নির্বাচনে আওয়ামী লীগ লড়াই করেনি। স্বাভাবিকভাবেই জামাত বনাম বিএনপির লড়াইয়ে শেষ পর্যন্ত কাদের জয় হয়, তার দিকে নজর ছিলো ভারতবর্ষের। জামাত জয়লাভ করলে যে ভারতের পক্ষে তা অত্যন্ত চিন্তার কারণ হয়ে উঠবে, সেই সম্পর্কে আগেভাগেই একটা ধারণা তৈরি হয়েছিল। তবে ফলাফলে বিএনপি জয়লাভ করায় অত্যন্ত খুশি ভারত। আগামীকাল নতুন সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান। যেখানে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেবেন তারিক রহমান। ইতিমধ্যেই এই শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে ভারতকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। আর সেই আমন্ত্রণ রক্ষা করতেই ভারতের পক্ষ থেকে বাংলাদেশে যাচ্ছেন লোকসভার অধ্যক্ষ ওম বিড়লা‌।

ইতিমধ্যেই বাংলাদেশের ফলাফল সামনে আসার পর ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী তারিক রহমানকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।সকলের মধ্যে একটাই কৌতুহল তৈরি হয়েছে যে, এবার কি ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্কের উন্নতি হবে? আওয়ামী লিগ যখন ক্ষমতায় ছিলো, তখন ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের যথেষ্ট মধুর সম্পর্ক ছিলো। তারপর ইউনুস সরকার ক্ষমতায় আসার পর সেই বাংলাদেশে যেভাবে সংখ্যালঘু হিন্দুদের ওপর অত্যাচার চলেছে, তাতে ভারতের সঙ্গে তাদের সম্পর্কের রসায়ন ক্রমশ অবনতির দিকে যেতে শুরু করেছিল। আর এই পরিস্থিতিতে বিএনপি জয়লাভ করে ক্ষমতা দখল করার পথে যখন এগিয়ে যাচ্ছে, তখন ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের আবার একটা মধুর সম্পর্ক তৈরি হতে পারে বলেই মনে করা হচ্ছে বিভিন্ন মহল থেকে। আর এই পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের নতুন সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে ভারতকে আমন্ত্রণ জানানোর পরেই সম্পর্কের মধ্যে যাতে আর কোনো তিক্ততা না থাকে, তার জন্য ভারত পাল্টা কৌশল অবলম্বন করলো।

সূত্রের খবর, আগামীকালই বাংলাদেশের নতুন সরকার শপথ নিতে চলেছে। যেখানে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেবেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারিক রহমান। আর সেখানেই ভারতকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কিন্তু ভারতের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী সেই অনুষ্ঠানে যাচ্ছেন না। এক্ষেত্রে লোকসভার অধ্যক্ষ ওম বিড়লা ভারতের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করবেন বলেই খবর পাওয়া যাচ্ছে। অর্থাৎ শুরু থেকেই পার্শ্ববর্তী রাষ্ট্র বাংলাদেশের নতুন সরকারের প্রতি সম্পর্কে সহযোগিতার ক্ষেত্রে একটা বার্তা দিতে চাইছে ভারত‌। আর সেই কারণেই আমন্ত্রণ রক্ষা করতে দিল্লির এই পদক্ষেপ বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

Exit mobile version