Site icon প্রিয় বন্ধু মিডিয়া

বাংলাই বিজেপির পাখির চোখ, নয়া সভাপতির দায়িত্ব গ্রহণের দিনেই বুঝিয়ে দিলেন মোদী!

 

 

 

প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট- বর্তমানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী যেখানেই যে রাজনৈতিক কর্মসূচিতে বক্তব্য রাখছেন, সেখানেই তার মুখ থেকে উঠে আসছে বাংলার কথা। এতদিন ধরে বঙ্গ বিজেপি ক্ষমতা পরিবর্তনের জন্য লড়াই করলেও, কেন্দ্রীয় বিজেপি বাংলায় আসতে চায় কিনা, তা নিয়ে একটা বড় প্রশ্নবোধক চিহ্ন ছিল সকলের মধ্যেই।‌ কিন্তু বাংলার নির্বাচনের যখন আর কয়েক মাস বাকি রয়েছে, তখন প্রধানমন্ত্রী থেকে শুরু করে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং গোটা বিজেপি উঠে পড়ে লেগেছে বাংলা দখলের জন্য। যার ফলে একটা বিষয় স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে যে, বাংলাকে পাখির চোখ করেই এখন লড়াই করছে বঙ্গ বিজেপি থেকে শুরু করে কেন্দ্রীয় বিজেপি। আর গতকাল বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি পদে দায়িত্ব নিলেন সর্বকনিষ্ঠ নীতিন নবীন। আর সেই দায়িত্ব গ্রহণের অনুষ্ঠানেই বক্তব্য রাখতে গিয়ে পশ্চিমবঙ্গ যে বিজেপির পাখির চোখ, তা স্পষ্ট করে দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।

গতকাল বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি দায়িত্ব গ্রহণের অনুষ্ঠান ছিলো। যেখানে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়লাভ করেন সর্বকনিষ্ঠ নীতিন নবীন। এত কম বয়সে বিজেপি সর্বভারতীয় সভাপতি আর কেউ হয়নি। স্বাভাবিকভাবেই তার নেতৃত্বেই এখন বিজেপি গোটা দেশ জুড়ে লড়াই করবে। সামনেই রয়েছে পশ্চিমবঙ্গ থেকে শুরু করে একাধিক রাজ্যের নির্বাচন। যেখানে বাংলায় কোনোদিন ক্ষমতা দখল করতে পারেনি বিজেপি, সেখানে এবার তাদের এই পশ্চিমবঙ্গে পদ্ম ফোটানো একমাত্র টার্গেট। ফলে সর্বভারতীয় সভাপতি দায়িত্ব নেওয়া নীতিন নবীনের কাছে বাংলায় ভালো ফল করানো চ্যালেঞ্জের বলেই মনে করা হচ্ছে। আর সেই নয়া সভাপতির দায়িত্ব গ্রহণের অনুষ্ঠানের দিনেই আরও একবার বাংলার কথা তুলে ধরলেন প্রধানমন্ত্রী।

এদিন বিজেপির নয়া কেন্দ্রীয় সভাপতির দায়িত্ব গ্রহণের অনুষ্ঠানে উপস্থিত হন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। আর সেখানেই বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি বলেন, “অনেকদিন ক্ষমতায় থাকলে মানুষের আস্থা কমে যায়। তবে সেই ট্রেন্ড বিজেপি ভেঙে দিয়েছে। গুজরাট, মধ্যপ্রদেশ, মহারাষ্ট্র, বিহার এই সমস্ত রাজ্যে আগের থেকে আরও বেশি ভোট পেয়ে বিজেপি ক্ষমতায় এসেছে। একইভাবে পশ্চিমবঙ্গ এবং তেলেঙ্গানায় বিজেপি মানুষের কণ্ঠস্বর হিসেবে উঠে এসেছে।” আর কেন্দ্রীয় সভাপতির পদে নয়া নীতিন নবীন দায়িত্ব নেওয়ার দিনেও প্রধানমন্ত্রী যেভাবে বাংলার কথা উত্থাপন করলেন, তাতেই স্পষ্ট হয়ে গেল যে, এবার গোটা বিজেপি পরিবার পশ্চিমবঙ্গে পদ্ম ফোটানোর জন্য রীতিমত মরিয়া হয়ে উঠেছে।

Exit mobile version