Site icon প্রিয় বন্ধু মিডিয়া

বাংলায় SIR এ ১ কোটি ২০ লক্ষ নাম বাদ? মমতা আশঙ্কা করতেই পাল্টা দিলেন দিলীপ!

 

 

 

 

 

প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-
এই রাজ্যে এসআইআর শুরুর প্রথম দিন থেকেই এর বিরোধিতা করে আসছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তার দল তৃণমূল কংগ্রেস। বিরোধীদের দাবি ছিল, তারা বুঝতে পেরেছেন যে, এসআইআর সঠিকভাবে হলে প্রচুর অবৈধ ভোটারের নাম বাদ যাবে। আর সংখ্যাটা প্রায় এক থেকে দেড় কোটি কাছাকাছি বলেই প্রথম দিন থেকে দাবি করে আসছেন শুভেন্দু অধিকারী সহ বিজেপি নেতারা। আর সেই আতঙ্কেই ভোটার লিস্ট থেকে এতদিন যে অবৈধ ভোটারদের কাজে লাগিয়ে তৃণমূল ভোট বৈতরণী পার হয়েছে, তাদের নাম বাদ গেলে তৃণমূলের পরাজয় কার্যত নিশ্চিত। আর সেই কারণেই এসআইআরের এত বিরোধিতা করতে দেখা যাচ্ছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে বলেই দাবি করছিলেন বিরোধী নেতারা। আর এই পরিস্থিতিতে বিজেপির সেই দাবিকে যতই অস্বীকার করুক তৃণমূল, সম্প্রতি নিজের বিধানসভা কেন্দ্রে জৈনদের একটি অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে যে মন্তব্য করে ফেলেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, তার পরিপ্রেক্ষিতে পাল্টা হাতিয়ার পেয়ে গিয়েছে বিজেপি। যার ফলে এবার বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ কড়া ভাষায় আক্রমণ করলেন তৃণমূল কংগ্রেস এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে।

২৬ এর বিধানসভা নির্বাচনের আগে রীতিমত সরগরম রাজ্য রাজনীতি। সব থেকে বেশি এখন আলোচনা হচ্ছে, এসআইআর নিয়ে। আগামীকাল চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশিত হবে। আর তার আগে বিভিন্ন মহলে চর্চার বিষয় একটাই যে, কত মানুষের নাম বাদ যাবে। এখনও পর্যন্ত খসড়া ভোটার তালিকায় ৫৮ লক্ষ মানুষের নাম বাদ দিয়েছে। স্বাভাবিকভাবে আগামীকাল চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ হওয়ার পর স্পষ্ট হয়ে যাবে যে, সেই সংখ্যাটা কত হচ্ছে। আর এই পরিস্থিতিতে সম্প্রতি একটি অনুষ্ঠানে গিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজের মুখেই বলে ফেলেছেন যে, এসআইআরের ফলে প্রায় ১ কোটি ২০ লক্ষর কাছাকাছি মানুষের নাম বাদ যেতে পারে। আর মুখ্যমন্ত্রী নিজের মুখ থেকেই সেই কথা স্বীকার করে নেওয়ায় এবার কটাক্ষ করতে ছাড়ছেন না বিরোধী নেতারা।

এদিন মুখ্যমন্ত্রীর এই মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষকে একটি প্রশ্ন করা হয়। আর সেই ব্যাপারে প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে তিনি বলেন, “তার মানে আমরা যেটা বলেছিলাম, সেটা তো উনি মেনে নিয়েছেন। আমরা বলছি, এক থেকে দেড় কোটি ভুয়ো নাম আছে। এই নামগুলোকে বাঁচানোর জন্য এত নাটক মমতা ব্যানার্জি লোকেরা করেছেন। দেড় কোটি লোককে ওনার লোকেরা নোটিশ দিয়েছেন। যাতে গোটা ব্যবস্থাটা ভেস্তে যায় এবং নির্বাচন কমিশনের লোকেরা বলে দেয় যে, আর ভেরিফিকেশনের দরকার নেই, সবার নাম ঢুকিয়ে দাও। সেই আশায় ছিলেন। কিন্তু সেটা হচ্ছে না। তারপর ওনারা কোর্টে গেলেন। কোর্টও ওনাদের চালাকিটা বুঝে গিয়েছে। তাই আমরাও চাইছি এসআইআর ঠিকঠাকভাবে হোক। এত অবৈধ লোক, এত বিদেশি লোক এখানে ঢুকে গিয়েছে যে, পশ্চিমবঙ্গ একটা থ্রেট হয়ে গিয়েছে।”

Exit mobile version