Site icon প্রিয় বন্ধু মিডিয়া

বাংলায় SIR এর কাজে বিচারবিভাগ! “খারাপ কিছু হবে না” সুপ্রিম নির্দেশের পরেই উচ্ছ্বসিত শুভেন্দু!

 

 

 

প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-
বাংলায় এসআইআর নিয়ে এতদিন তৃণমূল কংগ্রেস নানা অভাব অভিযোগ করলে এবং নির্বাচন কমিশনের দিকে অভিযোগের আঙুল তুললেও, এবার তৃণমূলের সেই রাস্তা বন্ধ। কারণ গতকাল সুপ্রিম কোর্ট একটি বড় নির্দেশ দিয়েছে। বাংলায় এসআইআর প্রক্রিয়ার ক্ষেত্রে যেভাবে দোষারোপের খেলা রাজ্য সরকার এবং নির্বাচন কমিশনের মধ্যে হচ্ছে, তা বন্ধ করতে এবার সুপ্রিম কোর্টের পক্ষ থেকে তথ্যগত অসংগতির ক্ষেত্রে নজরদারি এবং নথি মিলিয়ে দেখার জন্য বিচার বিভাগকে নিযুক্ত করা হয়েছে। তবে এতদিন একভাবে প্রক্রিয়া চললেও, এবার যেভাবে বিচার বিভাগ এই প্রক্রিয়ায় যুক্ত হলো, তাতে এর ফলাফল কি হবে? কোথায় গিয়ে দাঁড়াবে গোটা পরিস্থিতি? এবার সেই বিষয়েই প্রতিক্রিয়া দিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।

পশ্চিমবঙ্গে এসআইআর প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার পর থেকেই তৃণমূল কংগ্রেস এর বিরোধিতা করে আসছে। এমনকি গোটা বিষয়ে এসআইআর যাতে বন্ধ করা যায়, তার মরিয়া চেষ্টা করে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী পর্যন্ত সুপ্রিম কোর্টে ছুটে গিয়েছিলেন বলেই দাবি করে বিরোধীরা। কিন্তু কোনোভাবেই এসআইআর বন্ধ হয়নি। বরঞ্চ গতকাল যে এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়ে এতদিন তৃণমূল নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ করেছিলো এবং রাজনৈতিকভাবে আন্দোলন করে বিজেপিকে চাপে রাখার চেষ্টা করেছিল, তাদের খেলা শেষ পর্যন্ত বন্ধ হয়ে গেল। সুপ্রিম কোর্টের পক্ষ থেকে স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, তথ্যগত অসংগতির ক্ষেত্রে গোটা বিষয়টি দেখবে বিচার বিভাগ। আর একেবারে বিচার বিভাগ এই গোটা বিষয়ের মধ্যে চলে আসায় রাজ্যের শাসকদল যে আর এই এসআইআর নিয়ে কোনো অভাব, অভিযোগ তুলে রাজনৈতিকভাবে বিজেপি এবং নির্বাচন কমিশনকে চাপে রেখে আন্দোলন করতে পারবে না, তা বলাই যায়। আর এক্ষেত্রে তৃণমূল কংগ্রেস চাপে পড়লেও বিজেপির যে কোনো চাপ নেই, বরঞ্চ তাদের যে মঙ্গল হয়েছে এই সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের ফলে, সেই কথাই বুঝিয়ে দিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।

এদিন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। যেখানে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের পরিপ্রেক্ষিতে তিনি বলেন, “আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করি, এতে খারাপ কিছু হবে না। কারণ এসআইআর নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বা তৃণমূল কংগ্রেসের যেটা ইচ্ছা ছিলো, বাসনা ছিল যে ২০২৪ এর ভোটার তালিকায় ভোট করা হোক, তাতে গত ৯ ফেব্রুয়ারি জাজমেন্টে সুপ্রিম কোর্ট তাতে কর্নপাত করেনি। দ্বিতীয়ত ছিলো, মাইক্রো অবজারভার তুলে দিতে হবে। সেটা নিয়েও সুপ্রিম কোর্ট কিছু করেনি। আর যে ১৩ দফা ডকুমেন্টেশন, সেটা নিয়ে সুপ্রিম কোর্ট আগেই বলে দিয়েছে যে, আমরা এর মধ্যে ঢুকবো না। স্বাভাবিকভাবেই নির্বাচন কমিশনের যে অসুবিধাটা হচ্ছিল, আমার মনে হয়, এর ফলে তার অনেকটাই দূর হয়ে যাবে। কারণ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে ভোট চোর তৃণমূল কংগ্রেস নির্বাচন কমিশনকে বিজেপি করে দিয়েছিল। এবার বিচার ব্যবস্থার সরাসরি হস্তক্ষেপে যখন সরাসরি ডিলিশনগুলো হবে, যারা নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ অনুযায়ী ১৩ টা ডকুমেন্ট দিতে পারেননি বা পারবেন না, তাদের বাঁচাবেটা কে? আমি স্বাগত জানাই।”

Exit mobile version