প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট- বাংলায় সিভি আনন্দ বোস রাজ্যপাল হওয়ার পর থেকে একাধিক অনভিপ্রেত ঘটনা ঘটে গিয়েছে। কিন্তু রাজ্যপাল হিসেবে তিনি বড় পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন, কড়া পদক্ষেপ নেবেন, এমনটা আশা করা হলেও রিপোর্টের পর রিপোর্ট তৈরি করেছেন, সেই রিপোর্ট তিনি পাঠিয়েছেন। কিন্তু লাভের লাভ কিছুই হয়নি। বারবার করে কড়া বার্তা হয়ত দিয়েছেন। কিন্তু রাজ্যপাল হিসেবে তার কাছ থেকে বাংলার মানুষ যে কড়া অ্যাকশন দেখতে চাইছে, তা দেখতে না পাওয়ায় অনেকেই হতাশ। যার ফলে রাজ্যপাল হিসেবে সিভি আনন্দ বোসের ভূমিকা নিয়ে বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন উঠেছে। আর বাংলায় যখন এসআইআরের শুনানি প্রতিবাদে কিছু মানুষ আইন হাতে তুলে নিচ্ছেন, যখন বিভিন্ন জায়গায় সরকারি সম্পত্তি ভাঙচুর করা হচ্ছে, যখন বেলডাঙায় উত্তপ্ত পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে, ঠিক তখনই রাজ্যের সাংবিধানিক প্রধান হিসেবে সেই রাজ্যপালকেই ঘুরিয়ে কথা শুনিয়ে দিলেন রাজ্য বিজেপির সভাপতি।
এই রাজ্যের বুকে আইনশৃঙ্খলা অবনতি থেকে শুরু করে হিংসাত্মক একাধিক ঘটনা ঘটেছে। সামনেই নির্বাচন। তার আগে যেভাবে বিশৃঙ্খলা পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে, তাতে রাজ্যপালের অবিলম্বে করা পদক্ষেপ গ্রহণ করা উচিত বলেই বিভিন্ন মহল থেকে দাবি উঠছে। কিন্তু রাজ্যের সাংবিধানিক প্রধান হিসেবে বর্তমান রাজ্যপালের ভূমিকা যে খুব একটা সুখকর নয়, সেই বিষয়টি নিয়েও অনেকে চর্চা করছেন। আর তার মাঝেই গতকাল সাংবাদিক বৈঠক থেকে রাজ্যের এই উত্তপ্ত পরিস্থিতির মাঝে রাজ্যপালের যে আরও বেশি করে সদর্থক ভূমিকা পালন করা উচিত, সেই কথাই বুঝিয়ে দিলেন রাজ্য বিজেপির সভাপতি।
এদিন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন রাজ্য বিজেপির সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। আর সেখানেই রাজ্যপালের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, “রাজ্যপালের শুধু রাজভবনে বসে থাকলে চলবে না। সংবিধানের তো রক্ষাকর্তা তিনি। তার নামে রাজ্য সরকার পরিচালিত হয়। তিনি একটু মুর্শিদাবাদ যান, গোয়ালপোখর যান। তিনি দক্ষিণ ২৪ পরগনা, উত্তর ২৪ পরগনা, বিভিন্ন জায়গায় যান। বিএলওদের সঙ্গে কথা বলুন। সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলুন। পশ্চিমবঙ্গে এখন সাংবিধানিক সংকট নয়। সাংবিধানিক ব্যবস্থাটাই ভেঙে গিয়েছে।”
