প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট- একসময় তার নেতৃত্বে ত্রিপুরা রাজ্যে বাম শাসনের অবসান ঘটেছিল এবং বিজেপি সরকার স্থাপন হয়েছিল। এবার সেই ত্রিপুরার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা বিজেপি সাংসদ বিপ্লব দেবকে বাংলার দায়িত্ব দিয়েছে কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। সামনেই ২৬ এর বিধানসভা নির্বাচন। বাংলাকে পাখির চোখ করে একাধিক কর্মসূচি নিচ্ছে বিজেপি। লাগাতার বঙ্গ সফর করছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী থেকে শুরু করে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং বিজেপির এক ঝাঁক কেন্দ্রীয় নেতৃত্বরা। আজ সেই শীর্ষ নেতৃত্বের নির্দেশ বিজেপি বিধায়কদের কাছে পৌঁছে দিতে রাজ্য বিধানসভায় পৌঁছে গিয়েছিলেন এই রাজ্যের বিজেপির সহ পর্যবেক্ষক বিপ্লব দেব। আর তার সঙ্গে বৈঠকের পরেই রাজ্যে গেরুয়া ঝড়ের ইঙ্গিত দিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। ত্রিপুরার মত এই রাজ্যেও বিপ্লব দেবের পরামর্শ অনুযায়ী পথ চলে এখানে সোনা ফলবে বলেই মন্তব্য করলেন তিনি।
প্রসঙ্গত, আজ রাজ্য বিধানসভায় বিজেপির পরিষদীয় দলের একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। আর সেই বৈঠকেই উপস্থিত ছিলেন এই রাজ্যের বিজেপির সহ পর্যবেক্ষক বিপ্লব দেব। যেখানে কিছুদিন আগেই রাজ্যে এসেছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। যেখানে বিজেপির বিধায়কদের জন্য একাধিক গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশিকা দিয়ে দিয়েছেন তিনি। আর সেই নির্দেশিকা বিজেপি সমস্ত বিধায়কদের কাছে পৌঁছে দিতেই আজ রাজ্য বিধানসভায় বিজেপি বিধায়কদের নিয়ে একটি বৈঠক করেন বিপ্লববাবু। আর সেই বৈঠকের পরেই রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী যে ইঙ্গিত দিলেন, তাতে বড় সংখ্যা নিয়ে এবার বিজেপি যে পশ্চিমবঙ্গে ক্ষমতায় আসতে চলেছে, সেই ব্যাপারে আশাবাদী হয়ে পড়েছেন বঙ্গ বিজেপির নেতা কর্মীরা।
এদিন রাজ্য বিধানসভায় বিজেপি বিধায়কদের নিয়ে বিপ্লব দেবের বৈঠকের পরেই বাইরে বেরিয়ে আসেন শুভেন্দু অধিকারী সহ অন্যান্যরা। আর সেখানেই বিপ্লব দেবের পাশে দাঁড়িয়েই তার রাজনৈতিক ক্যারিশমার কথা উল্লেখ করেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা। শুভেন্দুবাবু বলেন, “অত্যন্ত অভ্যন্তরীণ আলোচনা। সব বিধায়কদের নির্বাচনমুখী করার জন্য বিশেষ কিছু কাজ দিয়ে গিয়েছিলেন মাননীয় অমিত শাহজী এবং মাননীয় বিএল সন্তোষজী। সেগুলো উনি বুঝিয়ে দিয়েছেন। বিধায়করা সেগুলো পালন করবেন। উনি যেভাবে ত্রিপুরাতে বিজেপিকে শূন্য থেকে ক্ষমতায় এনেছেন। এখানেও উনি হাত দিয়েছেন। বিপ্লব দেব যেখানেই যায়, সেখানেই সোনা ফলে। এখানেও ফলবে।”
