Site icon প্রিয় বন্ধু মিডিয়া

“বেকার যুবক-যুবতীদের কফিনে শেষ পেরেক” নয়া প্রকল্পের ঘোষনা হতেই মমতাকে ধুয়ে দিলেন শুভেন্দু!

 

 

 

 

প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-
এই রাজ্যে থাকতে গেলে এবং তৃণমূল সরকারের আমলে আপনি যদি মনে করেন যে, আপনি চাকরি পেয়ে বহাল তবিয়তে দিন কাটাবেন, তাহলে আপনি মূর্খের স্বর্গে বাস করছেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তার সরকার ভোটের আগেও আরও একবার প্রমাণ করে দিলেন যে, তারা চাকরি দিতে পারবে না। ওই সামান্য এক হাজার, দু হাজার টাকা করে মানুষের পকেটে গুঁজে দিয়ে তারা মানুষকে আরও সর্বনাশের দিকে ঠেলে নিয়ে যাবেন। আজকের রাজ্য বাজেটে যে নতুন একটি প্রকল্প মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তার সরকার ঘোষণা করেছে, যার নাম দেওয়া হয়েছে, যুবসাথী। সেই প্রকল্প ঘোষনার পর অন্তত তেমনটাই বলতে শুরু করেছেন বিরোধীরা। তাদের একটাই বক্তব্য, এই সরকারের কাছ থেকে চাকরি আশা করে কোনো লাভ নেই।

আজ বিধানসভায় রাজ্য বাজেট ঘোষণা করা হয়েছে। তবে সেখানে আবার নতুন একটি প্রকল্পের ঘোষণা করেছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার। যেখানে জানানো হয়েছে যে, আগামী ১৫ আগস্ট থেকে এই প্রকল্পের সূচনা হবে যার নাম দেওয়া হয়েছে, যুব সাথী। কিন্তু এই প্রকল্পে কি সুবিধা পাওয়া যাবে? জানা গিয়েছে, ২১ থেকে ৪০ বছর বয়সী যে সমস্ত বেকাররা রয়েছে, তাদের দেড় হাজার টাকা করে ভাতা দেওয়া হবে। আর এখানেই প্রশ্ন, এই সামান্য টাকা দিয়ে বেকারদের কি হবে? কেন একটি পার্মানেন্ট চাকরির ব্যবস্থা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই বাজেটে ঘোষণা করতে পারলেন না? তাহলে কি তিনি প্রমাণ করে দিলেন যে, তার সরকার যদি আবার ক্ষমতায় আসে, তাহলে তিনি কোনো চাকরি দেবেন না! ওই বেকারদের এই সমস্ত কিছু করে সামান্য টাকা দিয়েই তাদের সর্বনাশের মুখে ঠেলে দেবেন? এদিন এই প্রকল্পের ঘোষণা হতেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তার সরকারকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।

এদিন রাজ্য বাজেটে বেকারদের জন্য নয়া প্রকল্পের ঘোষনা করতেই তৃণমূল সরকারকে মিথ্যাচার বলে আক্রমণ করেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, “আমরা চাকরি দিতে পারবো না। ভাই, বোনেরা চাকরি চাইতে এসো না‌। আজকের এই বাজেটে ভোট অন অ্যাকাউন্টে বেকার যুবক, যুবতীদের কফিনে মমতা ব্যানার্জির নির্দেশে চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য শেষ পেরেকটা পুঁতে দিলেন।”

Exit mobile version