Site icon প্রিয় বন্ধু মিডিয়া

ভবানীপুরে হারের ভয়ে কাঁপছেন মমতা? রাতের অন্ধকারে বিজেপির পতাকা খোলার ভিডিও পোস্ট শুভেন্দুর!

 

 

 

 

প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-
তাহলে এতদিন শুভেন্দু অধিকারী যে কথা বলতেন ভবানীপুর নিয়ে, সেটাই কি সত্যি হতে চলেছে? সত্যিই কি ভবানীপুর হাতছাড়া হয়ে যেতে চলেছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের? যে বিধানসভা কেন্দ্রের তিনি বিধায়ক, এবার সেই বিধানসভা কেন্দ্রেও কি ফুটতে চলেছে পদ্মফুল? নন্দীগ্রামে ২০২১ এ পরাজিত হয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তারপর তিনি ভবানীপুর থেকে প্রতিদ্বন্দিতা করে মুখ্যমন্ত্রী হয়েছেন। কিন্তু ২০২৬ এর বিধানসভা নির্বাচনের আগে প্রতিনিয়ত রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী দাবি করছেন, এবার ভবানীপুরেও তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে পরাজিত করবেন। আর এই পরিস্থিতিতে সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ভিডিও পোস্ট করে শুভেন্দুবাবু বুঝিয়ে দিলেন যে, তিনি এতদিন যে কথা বলতেন, সেটাই সত্যি। ভবানীপুর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাতের বাইরে বেরিয়ে যাচ্ছে। আর সেই কারণেই আতঙ্কিত হয়ে রাতের অন্ধকারে খোলা হচ্ছে বিজেপির পতাকা।

তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বোচ্চ নেত্রীর নাম মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তৃণমূলের নেতা কর্মীরা মনে করেন যে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কোনো জায়গায় প্রচারে গেলেই তারা জিতে যাবেন। কিন্তু সেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেও ২০২১ এ নন্দীগ্রামে শুভেন্দু অধিকারীর কাছে পরাজিত হতে হয়েছে। একটা জিনিস স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে যে, রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী অপরাজেয় নন। কিন্তু এতদিন শুভেন্দুবাবু যখন দাবি করতেন যে, এবার ভবানীপুরেও তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে পরাজিত করবেন, তখন অনেকেই ভাবতেন, এটা বুঝি কথার কথা। রাজনীতিতে এরকম কথা অনেক নেতারাই বলে থাকেন‌। কিন্তু না, এবার শুভেন্দুবাবু নিজের সোশ্যাল মিডিয়ায় যে ভিডিও পোস্ট করলেন, তারপর কিছুটা হলেও সেই বিষয় নিয়ে সিরিয়াস হতে শুরু করেছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরাই।

সূত্রের খবর, এদিন সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ভিডিও পোস্ট করেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। আর সেখানেই তিনি লেখেন, “ইঙ্গিত স্পষ্ট – ভবানীপুরে পরাজয়ের আতঙ্ক গ্রাস করেছে তৃণমূলকে !!! আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে ভবানীপুর যে, আর মাননীয়ার জন্যে নিরাপদ আসন নয়, তা তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মকাণ্ডে স্পষ্ট। গভীর রাতে ভারতীয় জনতা পার্টির পতাকা খুলে নিয়ে পোড়াচ্ছে তৃণমূল দুষ্কৃতীরা। এই ভাবে বিজেপিকে আটকানো যাবে না, যত পতাকা খুলবেন, পোড়াবেন, তত জয়ের ব্যবধান বাড়বে বিজেপির। গতবারে নন্দীগ্রামের মানুষ প্রত্যাখ্যান করেছিলেন, এবারে ভবানীপুরের মানুষ বিদায় জানাবেন।”

Exit mobile version