প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-
এসআইআর হওয়ার পর থেকেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তৃণমূল কংগ্রেসের আতঙ্ক অনেকটাই বৃদ্ধি পেয়েছে, তা নতুন করে বলার অপেক্ষা রাখে না। তারা সবসময় চেষ্টা করছে, এই এসআইআরকে যেভাবেই হোক আটকাতে। কিন্তু আদালতে গিয়েও তারা ধাক্কা খেয়েছে। আদালত স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দিয়েছে যে, এসআইআর কোনোভাবেই আটকানোর কাজ বরদাস্ত করা হবে না। আর কোনোভাবেই তার কৌশল প্রয়োগ করা যাচ্ছে না বুঝেই কি এখন আতঙ্কে ভুগতে শুরু করেছেন এই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী? কেননা এর আগে এতবার নিজের বিধানসভা কেন্দ্র নিয়ে তাকে এত তৎপর হতে দেখা যায়নি। তবে এবার অবৈধ ভোটারদের নাম বাদ গেলে মুখ্যমন্ত্রী নিজের বিধানসভা কেন্দ্রেও জিততে পারবেন না বলে দাবি করছেন বিজেপি নেতারা। আর সেই জায়গায় দাঁড়িয়ে গতকাল আবার বিএলএ ২ দের নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় একটি বৈঠক করেছেন এবং সেখানে তিনি বেশ কিছু নির্দেশ দিয়েছেন বলে খবর পাওয়া যাচ্ছে। তবে যতই এই বৈঠক তৃণমূল নেত্রী করার চেষ্টা করুন না কেন, তৃণমূল বলে যে রাজ্যে আর কিছু নেই, সেই কথা স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য।
যারা এই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে খুব কাছ থেকে দেখেছেন, তারা বলছেন যে, অতীতে কোনো ভোটের সময় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে এইরকম দেখা যায়নি। আসলে তিনি এবার এতটাই আতঙ্কিত যে, ক্ষমতা হারানোর ভয় পাচ্ছেন। আর এসআইআরের ফলে তার আতঙ্ক দ্বিগুণভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। যার কারণে দফায় দফায় তিনি দলীয় নেতা কর্মীদের বেশ কিছু নির্দেশ দিচ্ছেন। নিজের বিধানসভা কেন্দ্র নিয়েও আতঙ্ক এতটাই বেড়েছে যে, বিএলএ ২ দের মাঝেমধ্যেই নিয়ে বৈঠক করছেন তৃণমূল নেত্রী। তবে সেই বিষয়েই বলতে গিয়ে মৃত সন্তানকেও যে মা শেষ মুহূর্তে আঁকড়ে রাখতে চায়, আর সেটাই যে তৃণমূল করছে, তা বুঝিয়ে দিলেন রাজ্য বিজেপির সভাপতি।
এদিন এই ব্যাপারে বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যকে প্রশ্ন করেন সাংবাদিকরা। আর সেই ব্যাপারে প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে তিনি বলেন, “তৃণমূল চলে গেছে। তৃণমূল নেই। যেটা দেখছেন, সেটা জীবন্ত জীবাশ্ম। এটাকে দীর্ঘদিন বয়ে নিয়ে যাওয়া যায় না। সন্তান মারা যাওয়ার পরেও সব মা-ই তাকে কোলে আটকে রাখতে চায়। তবে যত তাড়াতাড়ি তাকে সরিয়ে দেওয়া যায় তাতে ওই মৃতেরও মঙ্গল, মায়েরও মঙ্গল।”
