প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-
২০২৬ এর বিধানসভা নির্বাচনে দেখার মত লড়াই হবে ভবানীপুর এবং নন্দীগ্রামে। ২০২১ এ নন্দীগ্রাম বিধানসভা কেন্দ্রে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে পরাজিত করে দিয়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। আর তারপর থেকেই যত ২০২৬ এর নির্বাচন এগিয়ে এসেছে, ততই তিনি চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছেন তৃণমূলের দিকে। তিনি দাবি করেছেন যে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ভবানীপুর কেন্দ্রেও তিনি এবার পরাজিত করে দেখাবেন। আর শেষ পর্যন্ত গতকাল বিজেপির প্রার্থী তালিকা ঘোষনার পর দেখা গিয়েছে যে, নন্দীগ্রামের পাশাপাশি ভবানীপুরেও বিজেপির প্রার্থী সেই শুভেন্দু অধিকারী। বর্তমানে দিল্লিতে রয়েছেন তিনি। আর আজ দিল্লি থেকে ফিরেই সরাসরি সেই ভবানীপুরেই যেতে পারেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা।
গতকাল বিজেপির প্রার্থী তালিকা ঘোষণা হয়েছে। যেখানে সবথেকে চমকপ্রদ নাম হয়ে উঠেছেন শুভেন্দু অধিকারী। এমনিতেই তিনি রাজ্য রাজনীতিতে অত্যন্ত জনপ্রিয় নেতা। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ২০২১ এর বিধানসভা নির্বাচনে পরাজিত করে শুভেন্দু অধিকারী বুঝিয়ে দিয়েছিলেন, রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী অপরাজেয় নন। আর তারপর তিনি যত সময় এগিয়েছে, ততই আরও জোরালোভাবে দাবি করেছেন যে, এবার ভবানীপুরেও তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হারাবেন। আর বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব গতকাল প্রার্থী তালিকা ঘোষণার মধ্যে দিয়ে স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে যদি কেউ লড়াই করতে পারে, তাহলে একমাত্র তাদের মুখ হচ্ছেন শুভেন্দু অধিকারী। তাই নন্দীগ্রামের পাশাপাশি তাকে ভবানীপুরেও প্রার্থী করা হয়েছে। আর দিল্লি থেকে ফিরেই সরাসরি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের খাসতালুক সেই ভবানীপুরেই পৌঁছে যেতে পারেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা।
সূত্রের খবর, আজ বিকেলেই দিল্লি থেকে রাজ্যে ফিরতে পারেন শুভেন্দু অধিকারী। আর কলকাতায় পা রাখার পরেই বিন্দুমাত্র সময় নষ্ট না করে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর বিধানসভা কেন্দ্র ভবানীপুরেই পৌঁছে যেতে পারেন তিনি। যেহেতু তাকে এই কেন্দ্রে প্রার্থী করা হয়েছে, তাই নন্দীগ্রাম কেন্দ্রে তিনি লড়াই করলেও আগে দিল্লি থেকে রাজ্যে ফিরে সরাসরি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের খাসতালুকে পৌঁছে গিয়ে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর চাপ বাড়িয়ে দিতে পারেন বিরোধী দলনেতা। আর সেই কারণেই তার এই পদক্ষেপ বলেই মনে করা হচ্ছে। স্বাভাবিকভাবেই রাজ্যে ফেরার পর কোথায় যান শুভেন্দু অধিকারী, নন্দীগ্রাম নাকি ভবানীপুরে, সেদিকেই নজর থাকবে রাজনৈতিক মহলের।
