Site icon প্রিয় বন্ধু মিডিয়া

বিধানসভায় রাজ্যপাল, জাতীয় সংগীত শেষ হতেই ভারত মাতার জয়ধ্বনি শুভেন্দুর! পাল্টা স্লোগান তৃণমূলের!

 

 

 

 

প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-
আজ রাজ্য বিধানসভায় বাজেট পেশ হবে। সেই বাজেটে কি কি চমকপ্রদ ঘোষণা থাকবে, ভোটের আগে জনমোহিনী কোনো ঘোষণা তৃণমূল সরকারের পক্ষ থেকে করা হবে কিনা, তা নিয়ে চর্চা চলছে। অনেকেই বলছেন, লক্ষীর ভান্ডারের বরাদ্দ বৃদ্ধি করা হতে পারে। অনেকে আবার বলছেন যে, মহার্ঘ ভাতার নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের পক্ষ থেকে দেওয়া হয়েছে, সেই ব্যাপারে কোনো ঘোষণা করতে পারে রাজ্য। তবে সবটাই জল্পনার পর্যায়ে রয়েছে। আর তার মাঝেই আজ রাজ্য বিধানসভার বাজেট অধিবেশনের আগে পৌঁছে গেলেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। কিন্তু একেবারে প্রথম থেকেই শুরু হলো উত্তপ্ত পরিস্থিতি।

আজ বিধানসভায় রাজ্য বাজেট রয়েছে। প্রথা অনুযায়ী সেই রাজ্য বাজেট পেশ হওয়ার আগেই বিধানসভায় পৌঁছে গিয়েছেন রাজ্যপাল। যেখানে আম্বেদকরের মূর্তিতে মাল্যদান করেছেন তিনি। আর তারপরেই তিনি বিধানসভার কক্ষে প্রবেশ করেন। শুরু হয় জাতীয় সংগীত। আর জাতীয় সংগীত শেষ হওয়ার পরেই ভারতমাতার নামে জয়ধ্বনি দিতে শুরু করেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী সহ বিজেপির বিধায়করা। সাথে সাথেই তৃণমূলের পক্ষ থেকে পাল্টা স্লোগান দেওয়া হয়। তারা জয় বাংলা স্লোগান তুলতে শুরু করেন। আর এই ঘটনাকে কেন্দ্র করেই প্রাথমিকভাবে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে রাজ্য বিধানসভায়।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জাতীয় সংগীতের পর ভারত মাতার নামে জয়ধ্বনি দেওয়াটা তো স্বাভাবিক বিষয়। কিন্তু তার পাল্টা কেন জয় বাংলা স্লোগান দিতে গেলেন তৃণমূলের বিধায়করা? এখন তৃণমূলের পক্ষ থেকে বলা হতেই পারে যে, তারা বাংলায় রয়েছেন, তাই বাংলা মায়ের নামে জয়ধ্বনি করছেন। কিন্তু পাল্টা বিরোধীরা বলছে যে, এই জয় বাংলা স্লোগান তো বাংলাদেশের স্লোগান। ফলে সেই স্লোগান দিয়ে কি রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশকারীদের আশ্রয় দেওয়ার চেষ্টা করছে এই রাজ্যের শাসক দল? তাই যারা দেশপ্রেমের বদলে জয়বাংলা স্লোগান দিয়ে কোনো একটি দেশ, যা হিন্দুদের প্রতি মুহূর্তে সর্বনাশ করছে, তাদের নকল করার চেষ্টা করে, তাহলে তা রাজ্যের পক্ষে অত্যন্ত ভয়াবহ বলেই দাবি করছে বিরোধীরা। তবে অধিবেশনের প্রথমেই যেভাবে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লো, তাতে পরিস্থিতি কোন দিকে মোড় নেয়, সেদিকেই নজর থাকবে সকলের।

Exit mobile version