Site icon প্রিয় বন্ধু মিডিয়া

বিষ্ণুপ্রসাদ ফ্যাক্টরই নয়, জনপ্রতিনিধিরা চলে গেলেও ভোটাররা থাকে! সাফ জানালেন দিলীপ!

 

 

 

প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-
গতকাল অনুপ্রাণিত মিডিয়ারা সারাদিন ধরে খবর করতে শুরু করে যে, বিষ্ণুপ্রসাদ শর্মা তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিচ্ছেন। এমন একটা ভাব দেখানো হয়, যেন তিনি তৃণমূলে যোগ দেওয়াতে বিজেপি পুরো ভেঙে পড়বে। কিন্তু এই বিষ্ণুপ্রসাদ শর্মার মত অপ্রাসঙ্গিক হয়ে যাওয়া ব্যক্তিকে তৃণমূল কংগ্রেস এখন দলে নিয়ে অন্য একটা প্রচার তৈরি করার চেষ্টা করছে। কিন্তু এতে যে বিজেপি বিন্দুমাত্র ভাবিত নয়, তা গতকালই স্পষ্ট করে দিয়েছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। এমনকি যে মানুষটি বিজেপির টিকিটে জেতার পরেও লোকসভার বিজেপি প্রার্থীর বিরুদ্ধে লড়াই করে মাত্র পাঁচ হাজার ভোট পায়, তার যে গ্রহণযোগ্যতা নেই এবং বিজেপি যে তাকে টিকিট দেবে না এবং সেই বুঝেই যে তিনি অপ্রাসঙ্গিক হয়ে তৃণমূল কংগ্রেস যুক্ত হয়েছেন, তা বুঝিয়ে দিয়েছিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা। আর আজ সেই শুভেন্দু অধিকারীর সুরেই সুর মিলিয়ে দিলীপ ঘোষও বুঝিয়ে দিলেন, বিজেপিতে থাকলেও তিনি দীর্ঘদিন ধরেই দলের বিরুদ্ধে কথা বলছিলেন। এমনকি এই বিষ্ণুপ্রসাদ শর্মা যে কোনো ফ্যাক্টর নয়, তিনি তৃণমূলে যোগদান করলেও যে ভোটাররা বিজেপির পক্ষেই থাকবে, তা স্পষ্ট করলেন দিলীপ ঘোষ।

সামনেই ২৬ এর বিধানসভা নির্বাচন। আর তার আগে তৃণমূল কংগ্রেস বুঝতে পেরেছে যে, উত্তরবঙ্গে তাদের ভরাডুবি হবে। তারা হয়ত খাতা খুলতে পারবে না। আর সেই কারণেই উত্তরবঙ্গে ক্রমশ অপ্রাসঙ্গিক হয়ে যাওয়া কার্শিয়াংয়ের বিধায়ক বিষ্ণুপ্রসাদ শর্মাকে গতকাল দলে নিয়ে তৃণমূল একটা আলাদা প্রচার করতে শুরু করেছে অনুপ্রাণিত মিডিয়াকে দিয়ে। কিন্তু যতই প্রচার হোক, এই বিষ্ণুপ্রসাদ শর্মা যে বিজেপিতে দীর্ঘদিন ধরে প্রাসঙ্গিক নয় এবং তিনি যে এলাকায় জনপ্রিয় নয় এবং তার এই যোগদান যে বিজেপিতে কোনো প্রভাব ফেলবে না, তা খুব ভালো মতই জানেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা। তাই বিষ্ণুপ্রসাদ শর্মা তৃণমূল কংগ্রেসের যোগদান করলে সবাই তৃণমূলে চলে যাবে এবং সেখানে তৃণমূল জিতবে, তা যে একেবারেই অবাস্তব এবং ভিত্তিহীন একটি ভাবনা, তা বুঝিয়ে দিলেন বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ।

এদিন বিষ্ণুপ্রসাদ শর্মার তৃণমূলে যোগদান নিয়ে বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষকে প্রশ্ন করা হয়। আর সেই ব্যাপারে প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে তিনি বলেন, “তিনি বিজেপির কার্যকর্তা ছিলেন না। তিনি গজমমর কার্যকর্তা ছিলেন। তিনি কোনোদিন বিজেপির আদর্শের পক্ষে বলেন না। তার জন্য তাকে সতর্কও করা হয়েছিল। তিনি তৃণমূলের বিরুদ্ধে লড়াই করে আবার যদি তৃণমূলে যেতে চান, সেটা এখানকার মানুষ ঠিক করবে। উত্তরবঙ্গ আগেও বিজেপির শক্ত ঘাঁটি ছিলো, এখনও আছে। প্রতিনিধিরা চলে যায়, কিন্তু ভোটাররা থাকে। যারা জিতিয়েছে ওদেরকে। সুতরাং, তারা এবারেও বিজেপিকে জেতাবে ওখানে।”

Exit mobile version