প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-
এই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী আদালতের নির্দেশকেও যে মানেন না এবং আদালত যেখানে রায় দিয়ে দিয়েছে, তারপরেও গোটা প্রক্রিয়াকে বিচারাধীন বলে তিনি এড়িয়ে যান, তা খুব ভালো মতই বুঝতে পারছেন সরকারি কর্মচারী থেকে শুরু করে বিরোধীরা। আর সেই কারণেই এবার বিকল্প কোনো রাস্তা না পেয়ে আবার ফের রাজ্যের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার অভিযোগ তুলে সুপ্রিম কোর্টে চলে গিয়েছে সংগ্রামী যৌথ মঞ্চ। তবে বর্তমান সরকার শেষ পর্যন্ত কি সিদ্ধান্ত নেবে, আদৌ তারা বকেয়া মহার্ঘ ভাতা দেবে কি দেবে না, তা নিয়েও বিভিন্ন মহলে জল্পনা রয়েছে। আর তার মধ্যে আজ বিজেপি সরকারে এলে কেন্দ্রীয় হারেই যে বকেয়া মহার্ঘ ভাতা দেওয়া হবে, সেই নিয়ে বড় ঘোষণা করলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার।
বাংলায় বর্তমান যে সরকারটা চলছে, তারা আইন-কানুন কিছুই মানে না। ইতিমধ্যেই সুপ্রিম কোর্টের পক্ষ থেকে রায় দিয়ে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে, ২৫ শতাংশ বকেয়া মহার্ঘভাতা মার্চের মধ্যে দিয়ে দিতে হবে। কিন্তু রায় আসার পরেও তা পালন করার ব্যাপারে কোনো উদ্যোগ সরকারের পক্ষ থেকে দেখা যাচ্ছে না। তাই বাধ্য হয়েই সংগ্রামী যৌথ মঞ্চ আদালত অবমাননার অভিযোগ নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে গিয়েছে। ফলে একটা চরম বেকায়দায় পড়ে যেতে পারে রাজ্য বলেই মনে করা হচ্ছে। আর এই পরিস্থিতিতে বিরাট প্রতিশ্রুতি দিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার। এতদিন যেভাবে লক্ষ্মীর ভান্ডারের বিকল্প হিসেবে আরও টাকা বাড়িয়ে অন্নপূর্ণা ভান্ডার বিজেপি ক্ষমতায় এনে করা হবে বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন তিনি, সেই একই আঙ্গিকে বর্তমান তৃণমূল সরকার যদি মহার্ঘ ভাতা না দেয়, তাহলে বিজেপি ক্ষমতায় আসার পর কেন্দ্রীয় হারে এই মহার্ঘ ভাতা দেওয়া হবে বলেই জানিয়ে দিলেন তিনি।
এদিন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার। আর সেখানেই সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও রাজ্য যেভাবে এখনও পর্যন্ত বকেয়া মহার্ঘ ভাতা মেটানোর ব্যাপারে কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছে না, তা নিয়ে তাকে প্রশ্ন করা হয়। আর সেই ব্যাপারে প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে তিনি বলেন, “এই রাজ্য সরকার ডিএ দেবে না। তাদের বিরুদ্ধে কর্মচারীরা আদালতে গিয়ে লড়াই করছেন। তাদের সাথে আমাদের পূর্ণ সমর্থন রয়েছে। ভারতীয় জনতা পার্টির সরকার আর কয়েক মাসের মধ্যেই গঠন হতে চলেছে। সেই সরকার ক্ষমতায় এসে কেন্দ্রীয় হারে ডিএ দেওয়ার ব্যবস্থা করবে।”
