প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-
আজ সকলেরই নজর ছিল সুপ্রিম কোর্টের দিকে। কারণ সেখানে আইপ্যাক মামলার শুনানি ছিলো। যে আইপ্যাক মামলাকে কেন্দ্র করে উত্তাল হয়েছে রাজ্য রাজনীতি। যেখানে সকলের মধ্যেই মুখ্যমন্ত্রী তদন্তকারী সংস্থার তল্লাশি চলাকালীন সেখানে পৌঁছে যাওয়া এবং নথি নিয়ে চলে আসার ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রশ্ন তৈরি হয়েছিল। এর আগের দিন শুনানির সময় মুখ্যমন্ত্রীর পক্ষ থেকে হলফনামা দেওয়া হয়। আর আজ সেই শুনানির পরবর্তী দিন ধার্য করে শীর্ষ আদালত। অনেকেই আশা করেছিলেন যে, আজ সেই শুনানি হওয়ার পরে বেশ কিছু তথ্য উঠে আসতে পারে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত আজকেও হলো না শুনানি। যেখানে মুখ্যমন্ত্রীর আইনজীবী অসুস্থ থাকার কারণে সেই শুনানি পিছিয়ে দেওয়ার আর্জি জানানো হলো।
আজ সকলেরই আশা ছিল যে, সুপ্রিম কোর্টে একটা বড় কিছু হবে। কেননা এই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী যেভাবে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার তল্লাশি চলাকালীন সেখানে ঢুকে বেশ কিছু নথি ছিনিয়ে এনেছিলেন, তার পরিপ্রেক্ষিতে তার বিরুদ্ধে নথিচুরির মত অভিযোগ উঠেছিল। আর সেই অভিযোগ তুলেই মুখ্যমন্ত্রী সহ রাজ্যের বেশ কিছু প্রশাসনিক কর্তার বিরুদ্ধে শীর্ষ আদালতে পৌঁছে গিয়েছিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। স্বাভাবিকভাবেই গোটা বিষয় নিয়ে যে রাজ্য অত্যন্ত চাপে রয়েছে, তা বলার অপেক্ষায় রাখে না। তবে শেষ পর্যন্ত আজ যখন শুনানি হওয়ার ব্যাপারে সমস্ত কিছু ফাইনাল, যখন বিচারপতিরাও এজলাসে পৌঁছে গিয়েছেন, ঠিক তখনই মুখ্যমন্ত্রীর আইনজীবী কপিল সিব্বল অনুপস্থিত থাকায় সেই শুনানির দিন পিছিয়ে দেওয়ার আবেদন জানানো হলো। আর তার পরিপ্রেক্ষিতেই পিছিয়ে গেল এই আইপ্যাক মামলার শুনানি।
সূত্রের খবর, আজ সুপ্রিম কোর্টে আইপ্যাক মামলার শুনানি হওয়ার কথা ছিলো। সেই মত বিচারপতিরাও এজলাসে পৌঁছে গিয়েছিলেন। কিন্তু তারা যখন এজলাসে পৌঁছে যান, ঠিক তখনই কপিল সিব্বলের এক জুনিয়র আইনজীবী অনুরোধ করেন যে, এই শুনানি যেন পিছিয়ে দেওয়া হয়। কেননা কপিল সিব্বল অসুস্থ আছেন। তাই তিনি মুখ্যমন্ত্রীর আইনজীবী হিসেবে উপস্থিত হতে পারছেন না। আর তার পরিপ্রেক্ষিতেই শেষ পর্যন্ত ফের পিছিয়ে গেল এই আইপ্যাক মামলার শুনানি। আগামী ১৮ ফেব্রুয়ারি এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে বলে জানিয়ে দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। স্বাভাবিকভাবেই যারা অনেক আশা নিয়ে তাকিয়েছিলেন আজ আইপ্যাক মামলায় বড় কিছু নির্দেশ আসতে পারে, তাদের সেই আশায় অনেকটাই জল পড়ে গেল বলেই মনে করা হচ্ছে।
