প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-
আজ সকাল থেকেই সরগরম হয়ে উঠেছে জাতীয় রাজনীতি। যেখানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বর্তমানে দিল্লিতে রয়েছেন। কিন্তু আজ সকালেই তিনি হঠাৎ করেই নিজের বাড়ি থেকে বেরিয়ে এসে অভিযোগ করেছেন যে, দিল্লির বঙ্গভবনে তিনি যে সমস্ত মানুষদের নিয়ে এসে রেখেছেন, সেখানে দিল্লি পুলিশ ইচ্ছাকৃতভাবে তল্লাশি চালাচ্ছে, যা তারা করতে পারে না। তৃণমূলের দাবি, যে সমস্ত ব্যক্তিকে বঙ্গভবনে নিয়ে আসা হয়েছে, তারা এসআইআরে যে সমস্ত মানুষের মৃত্যু হয়েছে, তাদের আত্মীয় পরিজন। আর সেই বঙ্গভবনের সামনে দিল্লি পুলিশ ইচ্ছাকৃতভাবে তাদের হেনস্থা করছে বলে সাত সকালেই অভিযোগ করেছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে মুখ্যমন্ত্রী যখন এই কথা বলছেন, তখন পাল্টা সাংবাদিক বৈঠক থেকে তৃণমূলের বিরুদ্ধে মারাত্মক অভিযোগ করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।
আজ দিল্লিতে নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করার কথা রয়েছে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সহ তৃণমূলের একটি প্রতিনিধি দলের। পাশাপাশি বঙ্গভবনে এসআইআরে বাংলায় যে সমস্ত ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে বলে তৃণমূল দাবি করছে, তাদের আত্মীয় পরিজনকে রাখা হয়েছে। আর সেখানে দিল্লি পুলিশের পৌঁছে যাওয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ঘটনাস্থলে গিয়ে গোটা বিষয়ের প্রতিবাদ জানিয়েছেন তিনি। তবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যতই এই সমস্ত বিষয়ে লাফালাফি করুন না কেন, এবার তার বিরুদ্ধেই পাল্টা উস্কানি দেওয়ার অভিযোগ তুললেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। এমনকি দিল্লির মত জায়গায় প্রশাসনের কাছে বেশকিছু গুরুত্বপূর্ণ খবর থাকতে পারে এবং সেই কারণেই তারা সেখানে এসেছেন বলেও মনে করছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা।
এদিন বঙ্গভবনে দিল্লি পুলিশের পৌঁছে যাওয়া নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর প্রতিবাদ সম্পর্কে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকে প্রশ্ন করেন সাংবাদিকরা। আর সেই ব্যাপারে প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে শুভেন্দুবাবু বলেন, “নিশ্চিত ভাবেই দিল্লি পুলিশের কাছে কিছু ইনপুট রয়েছে। আনসারুল বাংলার লোকেরা যদি মুর্শিদাবাদের হরিহর পাড়ায় থাকতে পারে, কাশ্মীরের জঙ্গি যদি ক্যানিংয়ে থাকতে পারে, আর যদি সেই পিএফআই সিমির লোকেদের সঙ্গে তৃণমূলের সম্পর্ক থাকতে পারে, সেক্ষেত্রে তারা খোঁজখবর, তল্লাশি তো রাখবেই। দিল্লির মত হাইপ্রোফাইল জায়গায় জাতীয় সুরক্ষা সব থেকে আগে। আমার মনে হয়, মুখ্যমন্ত্রীর এই উস্কানি না দিয়ে দিল্লি পুলিশকে সহযোগিতা করা উচিত।”
