Site icon প্রিয় বন্ধু মিডিয়া

কলকাতা হাইকোর্টে শুভেন্দুর বড় জয়! রক্ষাকবচ পেয়ে গেলেন বিরোধী দলনেতা!

 

 

 

প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-
এই রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকে যতবারই কাবু করতে উদ্যত হয় এই রাজ্যের প্রশাসন, ততবারই তারা আইনের দরজায় গিয়ে মুখ থুবড়ে পড়ে। বারবার শুভেন্দু অধিকারীর কর্মসূচিতে পুলিশ দিয়ে বাধাদান করার চেষ্টা হয়েছিল। কিন্তু বিভিন্ন সময় প্রায় ১০০ এর বেশি কর্মসূচি আদালত থেকে অনুমতি নিয়ে এসে করে দেখিয়েছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা। সম্প্রতি চন্দ্রকোনায় তার কনভয়ে হামলার ঘটনায় তিনি থানায় দীর্ঘক্ষণ বসে ধর্না দিয়েছিলেন। পরবর্তীতে আদালতে যাওয়ার কথাও জানিয়ে দিয়েছিলেন। তবে এই ঘটনাতেই উল্টে শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে এই অভিযোগ দায়ের করা হয়েছিল। তবে সেই বিষয়েই এবার আদালতে বড় জয় পেয়ে গেলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা।

অতীতে এই রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকে একতরফা রক্ষাকবচ দেওয়া হচ্ছে বলে বিভিন্ন সময় প্রশ্ন তুলেছিল রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস। এক্ষেত্রে শুভেন্দু অধিকারীকে কাবু করতে না পেরে তাদের ছটফটানি এতটাই বৃদ্ধি পেয়েছিল যে, তারা বেশ কিছু বিচারপতি সম্পর্কেও ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য করতে শুরু করেছিলেন। তবে কোনোভাবেই যে তারা রাজ্যের বিরোধী দলনেতাকে কাবু করতে পারছে না, তা আরও একবার স্পষ্ট হয়ে গেল। যেখানে আজ চন্দ্রকোনায় শুভেন্দু অধিকারীর কনভয়ে হামলার ঘটনায় রাজ্যের বিরোধী দলনেতা যেভাবে আদালতের শরণাপন্ন হয়েছিলেন এবং পাল্টা শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধেই যেভাবে মামলা দায়ের করা হয়েছিল তাকে হেনস্থা করার জন্য, তাতে আদালতের পক্ষ থেকে দেওয়া হলো বড় নির্দেশ। বিচারপতি শুভ্রা ঘোষ অন্তর্বর্তী রক্ষাকবচ দিয়ে আগামী ২৯ জানুয়ারি পর্যন্ত শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে কোনো পদক্ষেপ করা যাবে না বলে জানিয়ে দিলেন।

সূত্রের খবর, এদিন কলকাতা হাইকোর্টে চন্দ্রকোনায় শুভেন্দু অধিকারীর কনভয়ে হামলার ঘটনায় যে মামলা দায়ের হয়, তার শুনানি হয়। আর সেখানেই বিচারপতি শুভ্রা ঘোষ শুভেন্দু অধিকারীকে অন্তর্বর্তী রক্ষাকবচ দেন। বিচারপতি জানান যে, আগামী ২৯ জানুয়ারি পর্যন্ত রাজ্যের বিরোধী দলনেতার বিরুদ্ধে কোনো পদক্ষেপ নেওয়া যাবে না। স্বাভাবিকভাবেই যারা শুভেন্দুবাবুকে এক্ষেত্রেও মেলাইন করার চেষ্টা করেছিলেন, যারা ভেবেছিলেন যে, তার বিরুদ্ধেই পাল্টা মামলা করে তাকে কোণঠাসা করবেন, তাদের সেই চেষ্টা কার্যত ব্যর্থ হয়ে গেল। এক্ষেত্রেও আদালতের দরজায় গিয়ে রক্ষাকবচ পেয়ে বিরাট জয় পেয়ে গেলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

Exit mobile version