Site icon প্রিয় বন্ধু মিডিয়া

কলকাতার পুজো রাজনীতিতে চরম ট্রুইস্ট! এতদিন যেখানে সব ছিলেন মমতা, ফিরহাদের সেই চেতলায় এবার রাজকীয় এন্ট্রি শুভেন্দুর!

 

 

প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-কলকাতার দুর্গাপূজার ইতিহাসে এবার সবচেয়ে বড় এবং নজিরবিহীন রাজনৈতিক মোড়! দক্ষিণ কলকাতার ঐতিহ্যবাহী চেতলা অগ্রণী ক্লাবের দুর্গাপূজা এবার ৩২ বছরে পা দিচ্ছে। আর ‘চেতলা অগ্রণী’ মানেই বিগত দিনে যাঁর নাম ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে থাকত, তিনি হলেন কলকাতার প্রাক্তন মেয়র তথা বর্ষীয়ান নেতা ফিরহাদ হাকিম। তবে রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর, এবারের শারদোৎসবের প্রেক্ষাপট সম্পূর্ণ আলাদা। এতদিন যে মণ্ডপে মহালয়ার পুণ্যলগ্নে সশরীরে হাজির হয়ে মা দুর্গার চোখ আঁকতেন কিংবা চক্ষুদান করতেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, এবার সেই চেনা ঐতিহ্য ভেঙে এই মেগা পুজোর উদ্বোধনে আসছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী তথা ভবানীপুর কেন্দ্রের বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী। রাজনৈতিক মহলের মতে, কলকাতার পুজো সংস্কৃতির ইতিহাসে এটি অন্যতম বড় এক ক্ষমতার হাতবদল এবং নতুন সমীকরণ হতে চলেছে।

বিগত বছরগুলিতে চেতলা অগ্রণীর পুজো মানেই সেখানে শেষ কথা ছিলেন মমতাই। উৎসবের চেনা জৌলুস থেকে শুরু করে পুজোর দিনক্ষণ নির্ধারণ—সবটাই তাঁকে কেন্দ্র করে আবর্তিত হতো। কিন্তু ২০২৬ সালের পরিবর্তিত রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে দক্ষিণ কলকাতার এই হাইপ্রোফাইল পুজোর রাশ এখন সম্পূর্ণ নতুন সমীকরণের মুখে। ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্রের বর্তমান বিধায়ক তথা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী নিজেই এবার এই পুজোর উদ্বোধন করবেন। প্রাক্তন পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিমের পুজো মণ্ডপে বর্তমান সরকারের মুখ্যমন্ত্রীর এই উপস্থিতি এবং চক্ষুদান ও উদ্বোধনের এই নতুন অধ্যায় নিয়ে ইতিমধ্যেই চেতলা তথা গোটা কলকাতার অলিন্দে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।

রাজনৈতিক আবহ যা-ই হোক না কেন, চেতলা অগ্রণীর পূজার থিম ও সাবেকিয়ানার প্রস্তুতিতে কোনো খামতি রাখছেন না উদ্যোক্তারা। ৩২ বছরের এই মাইলফলককে স্মরণীয় করে রাখতে মণ্ডপ সজ্জা এবং আলোকসজ্জায় আনা হচ্ছে এক বিশেষ বৈচিত্র্য। ক্লাব কর্তৃপক্ষের একাংশের মতে, দুর্গাপূজা সবার উৎসব, তাই এলাকার বিধায়ক তথা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে উদ্বোধক হিসেবে পাওয়া অত্যন্ত আনন্দের বিষয়।

Exit mobile version