প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসব দুর্গাপূজার কাউন্টডাউন শুরু। মহালয়ার এই পবিত্র দিনে কলকাতার বুকে এক ঐতিহাসিক ও অভূতপূর্ব মুহূর্তের সাক্ষী থাকল আপামর রাজ্যবাসী। রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে আয়োজিত মহালয়ার বিশেষ বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানে আজ চাঁদের হাট বসেছিল তিলোত্তমায়। তবে সমস্ত আলো আর প্রচারের আলো এক নিমেষে কেড়ে নিলেন রাজ্যের দূরদর্শী ও জনপ্রিয় মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। আজকের এই মহা-অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী সম্পূর্ণ খাঁটি সাবেকি সাজে, অর্থাৎ হলুদ রঙের ঐতিহ্যবাহী পাঞ্জাবি এবং ধুতি পরে উপস্থিত হন। তাঁর এই অনবদ্য ‘বাঙালিয়ানা’ রূপ অনুষ্ঠানস্থলে উপস্থিত হাজার হাজার মানুষের মধ্যে এক বিপুল উন্মাদনা তৈরি করে। উৎসবের আবহে একজন প্রকৃত রাষ্ট্রনায়কের এই সংস্কৃতি-মনস্ক ও মাটির কাছাকাছি থাকা রূপটি দেখে প্রশংসায় পঞ্চমুখ আপামর জনতা থেকে শুরু করে বিশিষ্টজনেরা।
বাঙালির সবচেয়ে বড় উৎসবকে কীভাবে বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরতে হয়, তা আজ নিজের দূরদর্শিতা দিয়ে প্রমাণ করে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। ক্রিকেটের নন্দনকানন ঐতিহাসিক ইডেন গার্ডেন্স স্টেডিয়ামকে এক অভূতপূর্ব সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে রূপান্তর করে আজ ইতিহাস গড়েছে রাজ্য সরকার। এই বিশাল কর্মযজ্ঞের পেছনে মুখ্যমন্ত্রীর নিজস্ব পরিকল্পনা ও সুযোগ্য নেতৃত্বের প্রশংসা আজ দলমত নির্বিশেষে সকলের মুখে মুখে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত দর্শনার্থী ও বিশিষ্টজনদের মতে, শুভেন্দু অধিকারী কেবল একজন দক্ষ প্রশাসকই নন, তিনি বাংলার কৃষ্টি ও সংস্কৃতির একজন পরম ধারক ও বাহক। তাঁরই আন্তরিক উদ্যোগে আজ ইডেনের মূল মঞ্চে একসঙ্গে প্রায় ১০,০০০ ঐতিহ্যবাহী ঢাকি কাঠি ছুঁইয়ে বাংলার আকাশ-বাতাস কাঁপিয়ে তোলেন। সেই সঙ্গে প্রযুক্তির মেলবন্ধনে কলকাতার আকাশে ৩,০০০ ড্রোনের এক অবিশ্বাস্য লাইট শো এবং অত্যাধুনিক থ্রি-ডি প্রজেকশন ম্যাপিং দর্শনার্থীদের মন্ত্রমুগ্ধ করে রাখে।
বাংলার মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণ করার পর থেকেই রাজ্যের প্রতিটি উৎসব ও ঐতিহ্যকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে নিরলস পরিশ্রম করে চলেছেন শুভেন্দু অধিকারী। আজকের অনুষ্ঠানে তাঁর সাবলীল উপস্থিতি, মিষ্টি হাসি এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে সরাসরি সংযোগ স্থাপনের চেনা ভঙ্গিটি আরও একবার প্রমাণ করে দিল যে তিনি কেন বাংলার মানুষের এত কাছের এবং প্রিয় জননেতা। তাঁর এই হলুদ পাঞ্জাবি ও ধুতির ঐতিহ্যবাহী লুক সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ইতিমধ্যেই ভাইরাল এবং প্রশংসার জোয়ারে ভাসছেন মুখ্যমন্ত্রী। মহালয়ার এই পুণ্যলগ্নে রাজ্যবাসীর উদ্দেশ্যে শারদীয়ার আন্তরিক শুভেচ্ছা জানান মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর এই বলিষ্ঠ ও দূরদর্শী নেতৃত্বে বাংলার দুর্গাপূজা এবার এক নতুন এবং আরও গৌরবময় উচ্চতায় পৌঁছে গেল বলেই মনে করছে ওয়াকীফহাল মহল।
