Site icon প্রিয় বন্ধু মিডিয়া

মুর্শিদাবাদে মুখ্যমন্ত্রী! বহরমপুর স্টেডিয়ামে মেগা অনুষ্ঠান থেকে বড় ঘোষণা সরকারের!

 

 

প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-উৎসবের মরশুমে মুর্শিদাবাদ জেলায় প্রশাসনিক সফরে এলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। আজ, ১৫ অক্টোবর ২০২৬ (বৃহস্পতিবার) বহরমপুর স্টেডিয়ামে আয়োজিত রাজ্যের একটি মেগা সরকারি অনুষ্ঠান থেকে জেলার একাধিক দুর্গাপুজোর ভার্চুয়াল ও সরাসরি উদ্বোধন সম্পন্ন করেন তিনি। তবে উৎসবের উদ্বোধনের পাশাপাশি এদিনের সরকারি মঞ্চ থেকে মুর্শিদাবাদ জেলার দুটি পৃথক মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত ও শোকগ্রস্ত পরিবারগুলির পাশে দাঁড়িয়ে বড় ঘোষণা ও ক্ষতিপূরণ প্রদান করেছে রাজ্য সরকার।

গত জুলাই মাসে মুর্শিদাবাদের বহরমপুর ব্লকের গোবিন্দপুর (কর্ণসুবর্ণ এবং গোবিন্দপুর স্টেশনের মাঝে) রেল গেটে এক অত্যন্ত মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে। একটি স্কুল পুলকার লেভেল ক্রসিং পার হওয়ার সময় ট্রেনের ধাক্কায় ৩ জন স্কুল পড়ুয়াসহ মোট ৫ জনের মৃত্যু হয়। এই ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলির পাশে দাঁড়ানোর যে সরকারি প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল, আজ বহরমপুর স্টেডিয়ামের মঞ্চ থেকে তা বাস্তবায়ন করা হলো। কর্ণসুবর্ণের এই রেল দুর্ঘটনায় নিহতদের পরিবারের যোগ্য সদস্যের হাতে সিভিক ভলান্টিয়ার পদের সরকারি চাকরির নিয়োগপত্র (Job Letter) তুলে দেওয়া হয়।

গত সেপ্টেম্বর মাসের শেষের দিকে রেজিনগরে উপনির্বাচনের প্রচার চলাকালীন একটি অত্যন্ত দুঃখজনক দুর্ঘটনা ঘটেছিল। গণতান্ত্রিক তৃণমূল কংগ্রেসের (DTC) প্রার্থী শফিউজ্জামান শেখের সমর্থনে মদন মিত্র, ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় ও আবু তাহের খানের উপস্থিতিতে একটি হুডখোলা গাড়ির মিছিল বের হয়েছিল। লোকনাথপুর এলাকায় সেই প্রচার গাড়ি থেকে শিশুদের উদ্দেশ্যে লজেন্স ছোড়ার সময় হুড়োহুড়ি তৈরি হয়। লজেন্স কুড়োতে গিয়ে গাড়ির ধাক্কায় গুরুতর জখম হয় ৬ বছরের শিশু জাসমিনা খাতুন। পরবর্তীতে কলকাতার এনআরএস (NRS) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
এই ঘটনার পর রাজ্য সরকারের নির্দেশে এবং প্রশাসনের পক্ষ থেকে শোকগ্রস্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানানো হয়েছিল। আজ বহরমপুর স্টেডিয়ামের সরকারি অনুষ্ঠান থেকে মৃত শিশু জাসমিনার পরিবারের হাতে ১০ লক্ষ টাকার আর্থিক সাহায্যের চেক তুলে দেওয়া হয়। বহরমপুর স্টেডিয়ামের এই মেগা অনুষ্ঠান থেকে মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট জানান, উৎসবের আনন্দের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের আপদে-বিপদে তাদের সামাজিক ও আর্থিক নিরাপত্তা দিতে বর্তমান সরকার সর্বদা দায়বদ্ধ।

Exit mobile version