Site icon প্রিয় বন্ধু মিডিয়া

“কমিশনের উচিত, পুলিশকে সহবত শেখানো” অসভ্যতা বন্ধ করতে কড়া ট্রিটমেন্টের দাবি সুকান্তর!

 

 

 

প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-
এই রাজ্যের পুলিশদের তৃণমূলের দলদাস হয়ে কাজ করে, তা বুঝতে বাকি নেই কারোরই। বিভিন্ন সময় পুলিশের এই নির্লজ্জতা দেখেছে রাজ্যবাসী। এতদিন বিরোধীদের সভা, সমিতিতে বাধা দান করার অভিযোগ উঠেছে পুলিশের বিরুদ্ধে। তবে নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চ যখন রাজ্যে এসেছে, যখন দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার নিজে এসেছেন, তখন তাকে উদ্দেশ্য করে বিভিন্ন জায়গায় স্লোগান দেওয়া হচ্ছে। এক্ষেত্রে পুলিশের বাধাধান বা অতি সক্রিয়তাও নজরে আসছে। আসলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পক্ষ থেকে এই জ্ঞানেশ কুমারকে উদ্দেশ্য করে এই বিক্ষোভ এবং তাতে পুলিশ প্রশ্রয় দিচ্ছে বলেই মনে করছে বিরোধীরা। আর পুলিশের এই ভূমিকা নিয়েই উঠতে শুরু করেছে প্রশ্ন। আর সেই ব্যাপারে এবার নির্বাচন কমিশনের উচিত এই পুলিশকে উপযুক্ত জবাব দেওয়া বলেই দাবি করলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার।

এই রাজ্যের পুলিশ কতটা দলদাসের মত কাজ করতে পারে, তা অতীতেও দেখতে পাওয়া গিয়েছে। বিরোধীরা যখন কোনো কর্মসূচি করে, তখন সেখানে পুলিশের বাধা দান এবং অতি সক্রিয়তা নজরে আসে‌। কিন্তু এরা সংবিধানকে মানে না, তৃণমূলকে মানে। যার কারণে দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে বারবার বিব্রত করা হলেও, যারা এই কাজের সঙ্গে যুক্ত, তাদের বাধা দান করতে পুলিশের কোনো সক্রিয়তা নজরে আসেনি। আর এক্ষেত্রেই স্পষ্ট হয়ে যাচ্ছে যে, তৃণমূলের পক্ষ থেকে এই বিক্ষোভ জ্ঞানেশ কুমারকে দেখানো হয়েছে। আর তাতে পুলিশ বাধাদান করার বদলে উল্টে প্রশ্রয় দিয়েছে। তাই পুলিশকে এবার সহবত শেখানো উচিত বলেই দাবি করলেন রাজ্য বিজেপির প্রাক্তন সভাপতি।

এদিন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন সুকান্ত মজুমদার। আর সেখানেই তিনি বলেন, “নির্বাচন কমিশনের উচিত, কড়া হাতে পশ্চিমবঙ্গের পুলিশকে সহবত শেখানো। পশ্চিমবঙ্গের পুলিশ জানে না, কিভাবে সরকারি কাজ করতে হয়। নিরপেক্ষ ভাবে কিভাবে কাজ করতে হয়, এটা জানে না। ভুলে গেছে। বহুদিন ধরে হাওয়াই চটি চাটতে চাটতে। স্বাভাবিকভাবেই তাদেরকে শেখাতে হবে।”

Exit mobile version