প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-
এই রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস যে একেবারে পুলিশ নির্ভর পার্টি হয়ে গিয়েছে, তা সকলেই খুব ভালো করেই বুঝতে পারছেন। তাদের নেতাদের সঙ্গে পুলিশ ছাড়া সাধারণ মানুষ বলে যে আর কিছু নেই, তা স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে। এক সময় পুলিশ প্রশাসন কেন্দ্রিক বামফ্রন্ট সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন করে যে তৃণমূল কংগ্রেস ক্ষমতায় বসেছে, আজ সেই তৃণমূলের এই দুর্দিন নিয়ে সকলেই আশ্চর্য হচ্ছেন। প্রত্যেকটি নির্বাচনী বৈতরণী তৃণমূল কংগ্রেস যে পুলিশকে হাতিয়ার করেই পার হয়, সেটাও সকলে খুব ভালো মতই জানেন। সামনেই বিধানসভা নির্বাচন। আর এই নির্বাচনে তৃণমূলকে ক্ষমতা থেকে সরানোর বিজেপির একমাত্র টার্গেট বলে দাবি করছেন রাজ্য এবং কেন্দ্রীয় স্তরের নেতারা। তবে ক্ষমতা থেকে চলে যাওয়ার পর বামেদের মত সংগঠন নির্ভর দল এখন শূন্য হয়ে গিয়েছে। তাও বামেরা কিছু শতাংশ ভোট পায়। তবে তৃণমূলের যেখানে সংগঠন বলতে কিছু নেই, শুধুমাত্র পুলিশ নির্ভর পার্টি হয়ে গিয়েছে, সেখানে তারা ক্ষমতা থেকে সরে যাওয়ার পর তাদের যে কি ভয়ংকর পরিণতি হবে, এবার সেই কথাই উল্লেখ করে শাসক দলকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।
এক সময় এই রাজ্যে বামেদের সংগঠন ছিল আকাশচুম্বি। বামেরা ক্ষমতা থেকে চলে যেতে পারে, এটা কেউ স্বপ্নেও কল্পনা করতে পারেনি। কিন্তু ২০১১ সালের সেই বামেরা ক্ষমতা থেকে চলে যাওয়ার পর ধীরে ধীরে তাদের সংগঠন তলানিতে ঠেকেছে। তবে বামেদের থেকে তৃণমূলের সংগঠন বেশি শক্তিশালী, এটা কেউই স্বীকার করেন না। সকলেই বলেন যে, বামেরা তাদের সংগঠন নির্ভর দল হওয়া সত্বেও, তাদের এমন করুন পরিণতি হয়েছে। আর তৃণমূল কংগ্রেস, তারা যদি ক্ষমতা থেকে সরে যায়, তাহলে দুই মিনিটে তাদের পার্টি উঠে যাবে বলে নিশ্চিত রাজনৈতিক মহল। আর এই পরিস্থিতিতে সেই কথাই উল্লেখ করে তৃণমূলের করুন পরিণতির কথা জানিয়ে দিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা।
এদিন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। আর সেখানেই তিনি বলেন, “যেদিন এদের হাত থেকে ক্ষমতা চলে যাবে, সিপিএম তো এখনও ধিক ধিক করে জ্বলছে, শেষ লোকসভায় সাড়ে ৫ শতাংশ ভোট পেয়েছে। টিকে আছে এখনও। ব্রিগেড ডাকলে চল্লিশ, পঞ্চাশ হাজার লোক জড়ো করে। কিছু পুরনো বয়স্ক মানুষ রয়েছে। কিন্তু এদের তো এক মিনিট লাগবে না। হাওয়া হয়ে যেতে। আপনি পুলিশ তুলে নিন। হাওয়া হয়ে যাবে।”
