প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-
আর কিছুক্ষণ সময়ের অপেক্ষা। তারপরেই সুপ্রিম কোর্টে স্পষ্ট হয়ে যাবে যে, বকেয়া মহার্ঘভাতা মামলায় যে রায়দান হতে চলেছে, সেই রায়দান কার পক্ষে যাবে। সরকারি কর্মচারীরা তাদের বকেয়া মহার্ঘ ভাতা নিয়ে এতদিন ধরে যে আন্দোলন করছেন, সেই আন্দোলনে তারা সফলতা পাবেন, নাকি রাজ্য সরকারের পক্ষে যাবে এই রায়! সকলেই সেই দিকে তাকিয়ে রয়েছেন। তবে বিরোধীরা রীতিমত নিশ্চিত, এতদিন ধরে যে শুনানি হয়েছে, যেভাবে গোটা বিষয়টি শুনেছে সুপ্রিম কোর্ট, তাতে দিনের শেষে জয় হবে সরকারি কর্মচারীদের। এমনকি যে রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের মহার্ঘ ভাতা দিতে অনীহা প্রকাশ করেছে, তাদের সেই মহার্ঘ ভাতা দিতে হবে বলেও নিশ্চিত কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার।
দীর্ঘদিন ধরেই এই রাজ্যের সরকারি কর্মচারীদের মধ্যে মহার্ঘ ভাতা নিয়ে ব্যাপক অভাব, অনুযোগ রয়েছে। এমনকি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর কাছে যখন তারা মহার্ঘভাতার দাবি জানানোর মত পরিস্থিতি তৈরি করেছিলেন, যখন গোটা রাজ্যজুড়ে সরকারি কর্মচারীরা এই মহার্ঘ ভাতার দাবিতে আন্দোলনে নেমেছিলেন, তখন মুখ্যমন্ত্রীর ঘেউ ঘেউ মন্তব্য নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা তৈরি হয়। এই রাজ্যের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে যায় সরকারি কর্মচারীরা। গত সেপ্টেম্বর মাসে শুনানি শেষ হয়। অবশেষে আজ সেই মামলার রায়দান হতে চলেছে। আর তারপরেই স্পষ্ট হয়ে যাবে যে, বকেয়া মহার্ঘভাতা মামলায় কার জয় হচ্ছে। রাজ্য সরকারকে কি সরকারি কর্মচারীদের যে বকেয়া মহার্ঘভাতা রয়েছে, তার সমস্ত টাকা দিতে হবে? নাকি সরকারি কর্মচারীদের আবেদনে মান্যতা দেবে না দেশের শীর্ষ আদালত? বিভিন্ন মহলে এই সমস্ত প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে। তবে তার মাঝেই সুপ্রিম কোর্টের এই রায়দানের আগেই সরকারি কর্মচারীদের পক্ষে যাওয়া নিয়ে আশা প্রকাশ করলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার।
এদিন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার। আর সেখানেই বকেয়া মহার্ঘ ভাতা মামলায় সুপ্রিম কোর্টের রায়দান নিয়ে তাকে প্রশ্ন করা হয়। আর সেই ব্যাপারে প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে তিনি বলেন, “সুপ্রিম কোর্টের এই রায় কর্মচারীদের পক্ষে যাবে। তাদের ডিএ তারা পাবেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যে ১০ হাজার কোটি টাকা দিতে চাইছিলেন না, তাকে সুপ্রিম কোর্ট বাধ্য করবে, ৪০ হাজার কোটি টাকা দেওয়ার জন্য। কর্মচারীদের অধিকার, আমরা মনে করি, সেই অধিকার থেকে তাদের বঞ্চিত করা উচিত নয়।”
