Site icon প্রিয় বন্ধু মিডিয়া

দেখ কেমন লাগে! মমতার বিরুদ্ধে ১০০ কোটি টাকার মানহানির মামলা, খেলা জমিয়ে দিলেন শুভেন্দু!

 

 

 

 

 

প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-
সম্প্রতি মুখ্যমন্ত্রীর একটি মন্তব্যকে কেন্দ্র করে বাড়তি হাতিয়ার পেয়ে যান রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। আইপ্যাকের দপ্তর এবং প্রতীক জৈনের বাড়িতে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার তল্লাশি পরেই সেখানে পৌঁছে গিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পরবর্তীতে তিনি কয়লার টাকা শুভেন্দু অধিকারীর মাধ্যমে অমিত শাহের কাছে যায় বলে একটি সভা থেকে মন্তব্য করেছিলেন। আর তারপরেই গোটা ঘটনায় উপযুক্ত প্রমাণ দিতে হবে মুখ্যমন্ত্রীকে বলে তাকে একটি নোটিশ পাঠিয়ে সময়সীমা বেঁধে দিয়েছিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা। কিন্তু এখনও পর্যন্ত সেই সময়সীমা পার হয়ে গেলেও মুখ্যমন্ত্রী তার বক্তব্য জানাননি। যার পরিপ্রেক্ষিতে সম্প্রতি শুভেন্দু অধিকারী জানিয়ে দিয়েছিলেন যে, তিনি মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করবেন। অবশেষে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে ১০০ কোটি টাকার মানহানির মামলা দায়ের করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।

এই রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী প্রতি পদে পদে শাসক দলকে চ্যালেঞ্জ জানাচ্ছেন। রাজনৈতিকভাবে তো বটেই, আইনের দরজাতে গিয়েও প্রতিমুহূর্তে কি করে তৃণমূল সরকার এবং তাদের প্রশাসনকে জব্দ করতে হয়, তা দেখিয়ে দিচ্ছেন তিনি। আর এবার সরাসরি মুখ্যমন্ত্রীকে চাপে ফেলে দিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা। যেখানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পক্ষ থেকে সম্প্রতি যে মন্তব্য করা হয়েছিল শুভেন্দু অধিকারীকে নিয়ে, তার পরিপ্রেক্ষিতেই বড় পদক্ষেপ গ্রহণ করলেন নন্দীগ্রামের বিজেপি বিধায়ক।

প্রসঙ্গত, সম্প্রতি মুখ্যমন্ত্রী কয়লা পাচারের টাকা জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়ের মাধ্যমে শুভেন্দু অধিকারীর কাছে যায় এবং শুভেন্দু অধিকারীর মাধ্যমে তা অমিত শাহের কাছে যায় বলে মন্তব্য করেছিলেন। আর তারপরেই রাজ্যের বিরোধী দলনেতা মুখ্যমন্ত্রীকে একটি নোটিশ পাঠিয়ে উপযুক্ত প্রমাণ দেওয়ার দাবি জানান। তবে সেই সময়সীমা পেরিয়ে যাওয়ার পরেই শুভেন্দুবাবু জানিয়ে দিয়েছিলেন যে, তিনি মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করবেন। অবশেষে সেই পদক্ষেপই গ্রহণ করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা। যেখানে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে ১০০ কোটি টাকার মানহানির মামলা দায়ের করলেন শুভেন্দু অধিকারী। আর বিধানসভা নির্বাচনের আগে মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে শুভেন্দুবাবুর এই পদক্ষেপ ঘিরে রীতিমত সরগরম হয়ে উঠেছে রাজ্য রাজনীতি। তবে শেষ পর্যন্ত এই আইনি লড়াইয়ে কার জয় হয়, সেদিকেই নজর থাকবে সকলের।

Exit mobile version