প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-
এই রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস বুঝে গিয়েছে যে, তারা আর ক্ষমতায় আসতে পারবে না। আর সেই কারণে এখন ধর্না দেওয়ার মত নাটক শুরু করেছেন এই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মানুষের জন্য নাকি কত দুঃখ তার। মানুষের নাকি নাম কাটা যাচ্ছে অবৈধভাবে, তাই নাকি তিনি এই ধর্না দিচ্ছেন। আবার গতকাল সেই মঞ্চে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আদিবাসীদের সঙ্গে কোমর দোলাতেও দেখা গিয়েছে। আর সেই বিষয় নিয়েই এবার পাল্টা খোঁচা দিলেন রাজ্য বিজেপির সভাপতি। বিজেপির পক্ষ থেকে প্রতিনিয়ত দাবি করা হচ্ছে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এরপর শুধুমাত্র ধর্না দেওয়ার কাজটাই করবেন। কারণ আগামী বিধানসভা ভোটের পর তিনি আর মুখ্যমন্ত্রী থাকবেন না। তখন তাকে প্রতিনিয়ত ওই ধর্নাতেই বসতে হবে। আর গতকাল যেভাবে সেই মঞ্চে তিনি আদিবাসীদের সঙ্গে কোমর দুলিয়েছেন, সেই নিয়ে পাল্টা প্রতিক্রিয়া দিলেন শমীক ভট্টাচার্য।
নির্বাচনের আগে তৃণমূলের এখন ব্যাপক চিন্তা। তৃণমূল রীতিমত মরিয়া হয়ে উঠেছে এসআইআর আটকানোর জন্য। কিন্তু কোনোভাবেই এসআইআর যে বন্ধ করা যাচ্ছে না, তা বুঝতে পেরেই এখন কমিশনের ঘাড়ে দোষারোপ করে অবৈধ ভাবে ভোটারদের নাম কাটা হচ্ছে বলে ধর্নায় বসে পড়েছেন এই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী। কিন্তু তার এই সব ধর্নাতে যে চিড়ে ভিজবে না, তা বুঝতে পারছেন সকলেই। আর এই পরিস্থিতিতে মুখ্যমন্ত্রী গতকাল সেই ধর্না মঞ্চ থেকে অনেক কথা বললেও এবং সমাজের সর্বস্তরের মানুষকে একত্রিত করে নিজের স্বভাব সিদ্ধ ভঙ্গিমায় আদিবাসীদের সঙ্গে কোমর দোলালেও, তাতে বিচলিত হচ্ছে না বিরোধীরা। বরঞ্চ এক্ষেত্রে মুখ্যমন্ত্রী ভবিষ্যতে অনেক সময় পাবেন এই সমস্ত কাজ করার জন্য বলে পাল্টা জানিয়ে দিলেন রাজ্য বিজেপির সভাপতি।
এদিন এই ব্যাপারে রাজ্য বিজেপির সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যকে একটি প্রশ্ন করা হয়। আর সেই ব্যাপারে প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে তিনি বলেন, “এরপর তো অনেক সময় পাবেন। এখন থেকে প্র্যাকটিস করে নিন। জুন মাস থেকে হাতে অনেক সময়। তখন আদিবাসীদের সঙ্গে নাচতে পারবেন। ওখানে গিয়ে মোমোর নতুন নতুন রেসিপি তৈরি করতে পারবেন। উনি তো শিল্পী মানুষ। এরপর নতুন নতুন এক্সপেরিমেন্ট করবেন।”
