Site icon প্রিয় বন্ধু মিডিয়া

বড়সড় ওলটপালটের ইঙ্গিত! দিল্লিতে মহাসংগ্রামের মাঝেই চরম ‘ডেডলাইন’ দিলীপ ঘোষের!

 

প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের নাম, দলীয় ফান্ড এবং ‘জোড়াফুল’ প্রতীক শেষ পর্যন্ত কার দখলে থাকবে—তা নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের দুই শিবিরের আইনি লড়াই এবার চূড়ান্ত পর্যায়ে। ঠিক এই হাইপ্রোফাইল আবহে তৃণমূলের রাজনৈতিক অস্তিত্ব চিরতরে মুছে দেওয়ার ডাক দিয়ে এক নজিরবিহীন মন্তব্য করলেন রাজ্যের পঞ্চায়েত মন্ত্রী তথা প্রবীণ বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ। আজ, শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬) দিল্লিতে দুই শিবিরের শুনানির দিনই কলকাতায় সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে সরাসরি তোপ দাগেন তিনি।তৃণমূলের অন্দরের তীব্র কামড়াকামড়ি, দলীয় ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ হওয়া এবং অফিস বন্ধের মতো নজিরবিহীন পরিস্থিতিকে আক্রমণ করে দিলীপ ঘোষ স্পষ্ট বলেন:”TMC-র অ্যাকাউন্ট কার, অ্যাকাউন্ট বন্ধ। তৃণমূলের অফিস কার, অফিস বন্ধ হয়ে গেল। এখন প্রতীক কার, দেখা গেল কেউ ওই প্রতীক পাবে না। আমরা চাই দলটা চিরকালের জন্য উঠে যাক। সর্বনাশ অনেক হয়েছে পশ্চিমবঙ্গের। তৃণমূলটা কোথায় যেদিন এই প্রশ্ন আসবে সেদিন জানব সমাধান হয়েছে।”

রাজ্যে ঐতিহাসিক রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর থেকেই তৃণমূল কংগ্রেসের অন্দরে আড়াআড়ি ফাটল দেখা দিয়েছে। আজই দিল্লিতে জাতীয় নির্বাচন কমিশনের (ECI) সামনে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন বিদ্রোহী গোষ্ঠী এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন শিবিরের শীর্ষ আইনজীবীরা প্রতীক ও নামের অধিকারের সপক্ষে লড়াইয়ে নামেন। এই চরম সংকটজনক পরিস্থিতিকে হাতিয়ার করে দিলীপ ঘোষ দাবি করেন, পশ্চিমবঙ্গের মানুষ বিগত দিনে এই দলটির শাসনকালে ব্যাপক ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন। তাই বাংলার রাজনীতিকে মুক্ত করতে ঘাসফুল শিবিরের চিরতরে মুছে যাওয়াই শ্রেয়।নির্বাচন কমিশনের আইনি লড়াইয়ে শেষ পর্যন্ত কোনো পক্ষই যাতে এই ‘জোড়াফুল’ প্রতীক ব্যবহারের ছাড়পত্র না পায়, সেটাই এখন বিজেপির স্পষ্ট অবস্থান।

তৃণমূলের প্রতীক ও কয়েকশো কোটির ফান্ড কার দখলে যাবে তা নিয়ে যখন দেশজুড়ে তোলপাড়, তখন রাজ্যের হেভিওয়েট মন্ত্রীর এই সরাসরি “দল তুলে দেওয়ার” হুঁশিয়ারি বাংলার রাজনৈতিক পারদকে এক ধাক্কায় বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে।

Exit mobile version