Site icon প্রিয় বন্ধু মিডিয়া

দলে সক্রিয় হলেও মূল মাঠের বাইরেই দিলীপ? মোদীর সভায় আমন্ত্রণ না পেয়ে কি বললেন বিজেপি নেতা?

 

 

 

প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-
দীঘার জগন্নাথ মন্দিরের উদ্বোধনের দিন সেখানে যাওয়ার পর থেকেই তার সঙ্গে দলের দূরত্ব বেড়েছিল। এমনকি তারপর রাজ্যে প্রধানমন্ত্রী থেকে শুরু করে বিজেপির কেন্দ্রীয় স্তরের হাই প্রোফাইল নেতারা এলেও সেখানে আমন্ত্রণ পেতে দেখা যায়নি দিলীপ ঘোষকে। তবে কিছুদিন আগেই তিনি সমস্ত দূরত্বকে মিটিয়ে নিয়ে দলের মূল স্রোতে ফেরার চেষ্টা করেছেন। এমনকি অমিত শাহের সঙ্গে বৈঠকে করেছিলেন তিনি। তারপর বিজেপির রাজ্য অফিসে গিয়ে রাজ্য সভাপতির সঙ্গে বৈঠক করে সাংবাদিক বৈঠক করতেও দেখা গিয়েছিল দিলীপ ঘোষকে। আর এমন একটা পরিস্থিতিতে আজ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী একদিকে প্রশাসনিক সভা এবং অন্যদিকে পরিবর্তন সংকল্প সভা করতে রাজ্যে আসছেন। আজ মালদহের পর আগামীকাল সিঙ্গুরে সভা করবেন তিনি। কিন্তু সেখানেও কেন আমন্ত্রিত নন রাজ্য বিজেপির প্রাক্তন সভাপতি দিলীপ ঘোষ, তাহলে দলে তিনি সক্রিয় হওয়ার চেষ্টা করলেও এখনও পর্যন্ত কি মূল মাঠের বাইরেই রাখা হয়েছে তাকে? আর সেই কারণেই কি রাজ্য বিজেপির এই প্রাক্তন সভাপতি কিছুদিন আগে যেভাবে দলের কোনো কর্মসূচিতে ডাক পাচ্ছিলেন না, সেই একই সিচুয়েশন রয়েছে তার? এই সমস্ত বিষয় নিয়ে গুঞ্জনের মাঝেই আজ প্রধানমন্ত্রীর সভায় আমন্ত্রণ না পাওয়া প্রসঙ্গে মন্তব্য করলেন দিলীপ ঘোষ।

কিছুদিন আগে থেকে যেভাবে দিলীপ ঘোষ আবার দলে সক্রিয় থাকার চেষ্টা করেছেন, তাতে সকলেই তাকিয়ে ছিলেন, আজ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর মালদহের সভার দিকে। কারণ সেখানে রাজ্য বিজেপির সমস্ত হাইপ্রোফাইল নেতারা ডাক পেলেও দিলীপ ঘোষও হয়ত ডাক পাবেন, তেমনটাই মনে করা হয়েছিল। কেননা দীঘার জগন্নাথ মন্দিরে যাওয়ার আগে এই দিলীপ ঘোষের নাম প্রধানমন্ত্রী থেকে শুরু করে বিজেপির হাইপ্রোফাইল নেতারা রাজ্যে যদি কোনো সভা করতেন, সেখানে আমন্ত্রিতদের তালিকায় থাকতেন। মাঝে সেই প্রবণতা বন্ধ হলেও দিলীপ ঘোষ যখন আবার সক্রিয় হয়েছে, তখন এবারের সভায় তার আমন্ত্রণ থাকবে কিনা, তার দিকে সকলের নজর ছিলো। তবে শেষ পর্যন্ত আমন্ত্রণ না থাকায় সেই সভায় থাকছেন না রাজ্য বিজেপির প্রাক্তন সভাপতি।

এদিন মোদীর মালদহের সভায় আমন্ত্রণ না পাওয়া নিয়ে দিলীপ ঘোষকে প্রশ্ন করেন সাংবাদিকরা। আর সেই প্রশ্নের উত্তরে দিলীপবাবু বলেন, “সব নেতা যান না সব জায়গায়। পার্টি ঠিক করে দেন, কোন নেতা কোন প্রোগ্রামে থাকবেন। যাকে যেখানে যেতে বলা হয়, তারাই যান। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এখন আসছেন, উন্নয়নের যে সমস্ত কাজগুলো আছে, তার উদ্বোধন করতে। আর সেই সঙ্গে আমাদের ইচ্ছে থাকে, এখানকার কর্মীদের উজ্জীবিত করার জন্য, পশ্চিমবঙ্গের মানুষ পরিবর্তন চাইছে, তাদেরকে এই বার্তা দেওয়ার জন্য যে, আমরা সঙ্গে আছি এবং এটা উনি বারবার বলছেন। সেই জন্য কোনো কোনো জনসভা হয়। সরকারি কাজের সঙ্গে সঙ্গে সেই জনসভাও আছে।”

Exit mobile version