প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট- দিলীপ ঘোষের বিবাহ নিয়ে বহু চর্চা হয়েছে বঙ্গ রাজনীতিতে। তিনি যার সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন, সেই রিংকু মজুমদার দিলীপ ঘোষের আগে থেকেই নাকি বিজেপির সঙ্গে জড়িত ছিলেন। দিলীপ ঘোষ নিজেই সেটা একসময় বলেছিলেন। পরবর্তীতে দীঘার জগন্নাথ মন্দিরে সস্ত্রীক তার পৌঁছে যাওয়া এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে কথা বলার ঘটনাকে বিজেপি নেতৃত্ব যে ভালো মত নেয়নি, তা বিভিন্ন ঘটনার মধ্যে দিয়েই স্পষ্ট হয়ে গিয়েছিল। এখনও দিলীপ ঘোষ দলে থাকলেও সেভাবে যে বিভিন্ন কর্মসূচিতে তাকে খুব একটা ডাকা হচ্ছে না বা তিনি পাত্তা পাচ্ছেন না, সেই ব্যাপারে নিশ্চিত একাংশ। বর্তমানে বিজেপি বাংলার ক্ষমতা দখলের ব্যাপারে সব রকম রণকৌশল স্থাপন করছে। মাঝে বিজেপির প্রার্থী তালিকা নিয়েও বড় বৈঠক হয়েছে বলে খবর পাওয়া যাচ্ছে। যেখানে একাধিক নাম রয়েছে বলেই চর্চা চলছে। আর তার মধ্যেই খবর পাওয়া গিয়েছে যে, বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের সহধর্মিনী রিঙ্কু মজুমদার প্রার্থী হতে চেয়ে নাকি দলের কাছে বায়োডাটা জমা দিয়েছেন। আর এই খবর সামনে আসার পরেই প্রশ্ন উঠছে, তাহলে কি দিলীপবাবুর স্ত্রী এবার বিজেপির প্রার্থী তালিকায় থাকবেন? অবশেষে সেই ব্যাপারেই এবার প্রতিক্রিয়া দিলেন দিলীপ ঘোষ।
সামনেই যেহেতু ২৬ এর বিধানসভা নির্বাচন, আর এই নির্বাচনে বিজেপি যেভাবে বাংলা জয়ের ব্যাপারে উঠে পড়ে লেগেছে, তাতে সকলেরই মনোযোগ বিজেপির প্রার্থী তালিকার দিকে। এবার ভারতীয় জনতা পার্টির প্রার্থী তালিকায় যে ব্যাপক চমক থাকবে, তা বলার অপেক্ষা রাখে না। ইতিমধ্যেই বেশ কিছু খবর আসছে যে, কোন আসনে কাকে প্রার্থী করা হতে পারে। আর তার মধ্যেই গতকাল থেকে একটি খবর নিয়ে চর্চা চলছে যে, বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের সহধর্মিনী রিঙ্কু মজুমদার প্রার্থী হওয়ার জন্য নাকি দলের কাছে আবেদন করেছেন। এখন তার আবেদন গ্রাহ্য হবে কিনা বা তাকে পার্থী করা হবে কিনা, সেটা বিজেপি নেতৃত্বের ব্যাপার। তবে সেই বিষয়েই এবার মন্তব্য করলেন দিলীপ ঘোষ।
এদিন এই ব্যাপারে দিলীপ ঘোষকে একটি প্রশ্ন করা হয়। আর সেই বিষয়ে প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে তিনি বলেন, “আমার স্ত্রী, তিনি পার্টির অনেক পুরোনো কার্যকর্তা। আমার থেকেও পুরোনো। আমি এমএলএ, এমপি হয়ে গেলাম। তারও একবার হওয়ার ইচ্ছে রয়েছে। পার্টির হাজার হাজার কর্মীরা আবেদন করেছেন। যে কেউ করতে পারে। পার্টি ঠিক করবে, কাকে কোথায় প্রার্থী করবে।”
