প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-
এই রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা কর্মীরা বারবার খেলা হবে বলে স্লোগান দেয়। কিন্তু এবার যে পাল্টা তাদের বিরুদ্ধেই খেলা হতে চলেছে, সেই কথা প্রতিনিয়ত স্মরণ করিয়ে দিচ্ছেন বিজেপি নেতারা। তৃণমূল কংগ্রেসের নেতারা যতই ভেবে থাকুন যে, এবার তারা ক্ষমতায় আসবেন, তারা যে মূর্খের স্বর্গে বাস করছেন, তৃণমূলের বিদায় যে শুধুমাত্র সময়ের অপেক্ষা, সেই ব্যাপারে নিশ্চিত বিরোধীরা। আর তার মধ্যেই বাংলার অভিনয় জগতের সুপারস্টার বলে পরিচিত, যার সঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়েরও যথেষ্ট সখ্যতা রয়েছে বলে শোনা যায় সেই প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের বাড়িতে পৌঁছে গেলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার। আর এই খবর সামনে আসার পরেই রীতিমত জল্পনা তৈরি হয়েছে বিভিন্ন মহলে।
সূত্রের খবর, কিছুক্ষণ আগেই টলিউডের সুপারস্টার প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের বাড়িতে পৌঁছে যান কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার। যেখানে তার হাতে রামলালার মূর্তি তুলে দেন তিনি। তবে হঠাৎ করে বিধানসভা নির্বাচন যখন দরজায় কড়া নাড়ছে, তখন এই সুপারস্টারের বাড়িতে রাজ্য বিজেপির প্রাক্তন সভাপতি তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী পৌঁছে যাওয়ার পেছনে কি অন্য কোনো অংক রয়েছে? তাহলে কি রাজনীতির ময়দানে নামতে চলেছেন সকলের প্রিয় বুম্বাদা? অনেকেই যখন এই প্রশ্ন করছেন, তখন রাজনীতির যে একসঙ্গে কোনো যোগ নেই, তা স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দিয়েছেন সুকান্তবাবু। এক্ষেত্রে তিনি কিছুদিন আগেই যে পদ্মশ্রী সম্মানে ভূষিত হয়েছেন, তার জন্যই যে প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে দেখা করে তাকে শুভেচ্ছা জানাতে তিনি এসেছেন, সেই কথাও উল্লেখ করেছেন রাজ্য বিজেপির প্রাক্তন সভাপতি।
এদিন প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে দেখা করার পরেই বাইরে বেরিয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন সুকান্ত মজুমদার। আর সেখানেই রাজনীতির সমস্ত জল্পনা উড়িয়ে দেন তিনি। সুকান্তবাবু বলেন, “এই সাক্ষাৎ একেবারেই রাজনৈতিক সাক্ষাৎ নয়। সবকিছুর পেছনে রাজনীতি না খোজাই ভালো। পদ্মশ্রী পাওয়ার জন্য প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়কে সংবর্ধনা জানাতে এসেছিলাম। সিনেমা হলেও তার নতুন ছবি দারুন ব্যবসা করছে। তার উত্তরোত্তর শ্রীবৃদ্ধি প্রার্থনা করি।”
