প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-
এই রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস খুব ভালো মতই বুঝতে পেরেছে যে, এবার তারা খুব সহজে ক্ষমতায় আসতে পারবে না। আর এটা বুঝতে পেরেই তাদের মধ্যে আতঙ্ক এত বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে যে, কিছুদিন আগে একটি সভা থেকে ডিজে বাজানোর কথা বলে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য করতে দেখা গিয়েছিল অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে। অর্থাৎ তৃণমূল যে এখন ভালোমত ক্ষমতায় না আসতে পেরে বদলার রাজনীতি কায়েম করতে চলেছে, তা স্পষ্ট হয়ে গিয়েছিল সেই মন্তব্যের পরেই। বিরোধীরা তেমনটাই বলতে শুরু করেছিলেন। আর এই পরিস্থিতিতে এবার অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কথাকে তুলে ধরেই ডিজে বাজানোর হুমকি দিয়ে বিতর্কের মুখে পড়ে গেলেন সবংয়ের তৃণমূল বিধায়ক তথা রাজ্যের মন্ত্রী মানস ভুঁইয়া।
২০১১ সালে তৃণমূল কংগ্রেস ক্ষমতায় আসার আগে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন, বদলা নয়, বদল চাই। কিন্তু ক্ষমতায় আসার পর তারা তাদের স্লোগানকে পাল্টে গিয়ে সবথেকে বেশি বিরোধীদের প্রতি প্রতিহিংসা পরায়ন রাজনীতি করে বদলার রাজনীতি বেশি প্রতিষ্ঠিত করেছে এই বাংলার বুকে। বিভিন্ন ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে তেমনটাই উপলব্ধি করেছেন বাংলার সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে বিরোধী নেতারা। আর এবার বর্ষীয়ান মন্ত্রী হয়েও মানস ভূঁইয়া যে কথা বললেন, যেভাবে তিনি বিরোধীদের ভয় দেখানোর মত ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য করলেন, তাতে এর প্রভাব যদি তৃণমূলের নীচুতলায় পড়ে এবং তারা যদি সত্যিই ডিজে বাজানোর মত প্রতিহিংসা পরায়ণ রাজনীতির রাস্তা বেছে নেয়, তাহলে ভোটের আগে তো পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হতে শুরু করবে। অন্তত তেমনটাই বলছেন বিশেষজ্ঞরা।
এদিন একটি সভায় বক্তব্য রাখেন রাজ্যের মন্ত্রী মানস ভুঁইয়া। আর সেখানেই তিনি বলেন, “এবার এরা একটু বাড়াবাড়ি করছে। সেই জন্য অভিষেক ব্যানার্জি বলে দিয়েছেন, বদলা নয়, বদল চাই। রবীন্দ্র সংগীত চলবে, একটু ডিজেও বাজবে। ডিজে মানে বুঝতে পারছেন? আমরা একটু সুইচ টিপে যদি ছেলেগুলোকে বলে দিই, একটু ডিজে বাজিয়ে দে, তাহলে কি হবে? বেরোতে পারবেন রাস্তায়? চায়ের দোকান, মিষ্টির দোকান, সেলুনের দোকান খোলা থাকবে? একটু ডিজে বেজে যাবে। কি হবে তাহলে? অতএব সাধু সাবধান, খুব সাবধান।”
