প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-
এই রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের যে সমস্ত নেতা-মন্ত্রীরা কথায় কথায় বলেন যে, বিজেপি বাংলাকে সম্মান করে না, বিজেপি বাংলার মনীষীদের সম্পর্কে কিছুই জানে না, তারা যে মূর্খের স্বর্গে বাস করছেন, তা স্পষ্ট ভাষায় বুঝিয়ে দিলো ভারতবর্ষের কেন্দ্রীয় সরকার। তারা এবার যে বড় সিদ্ধান্তটা নিয়ে ফেললো, তার ফলে বাংলার মানুষ হিসেবে আমরা সকলে যেমন গর্বিত হবো, ঠিক তেমনই গর্বিত হবে গোটা দেশ। কিছুক্ষণ আগেই একটি খবর পাওয়া গিয়েছে। আর সেই খবর সামনে আসার পর রীতিমত উচ্ছ্বাস এবং আবেগে ভাসছেন দেশের সর্বস্তরের মানুষ। যেখানে কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে রীতিমত বিজ্ঞপ্তি জারি করে বন্দেমাতরমের যখন সার্ধশতবর্ষ চলছে, ঠিক তখনই সেই বন্দেমাতরম সংগীত নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।
বর্তমানে বন্দেমাতরম সংগীতের সার্ধশতবর্ষ চলছে গোটা দেশজুড়ে। বিভিন্ন সময়ে এই উপলক্ষে বিভিন্ন রকম অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। তবে পশ্চিমবঙ্গে যে বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় দ্বারা এই বন্দেমাতরম রচিত হয়েছে, যে সংগীতের সার্ধশতবর্ষ চলছে, সেখানে এখানকার সরকারের পক্ষ থেকে কেন কোনো আয়োজন নেই, তা নিয়ে বিভিন্ন প্রশ্ন উঠেছে। আর যখনই সেই প্রশ্ন কেউ বা কারা তুলেছে, তখনই এই রাজ্যের তৃণমূল সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে যে, বিজেপি বাংলা বিরোধী একটা রাজনৈতিক দল। কিন্তু তৃণমূলের সেই সমস্ত নেতা কর্মীদের মুখে রীতিমত ঝামা ঘষে দিয়ে ভারতবর্ষের বিজেপির সরকার যে সিদ্ধান্তটা গ্রহণ করলো, তা জীবনে তৃণমূল কংগ্রেস করে দেখাতে পারেনি বলেই মনে করা হচ্ছে। যেখানে বন্দেমাতরম সংগীত এবার থেকে যে কোনো সরকারি অনুষ্ঠানের আগে সমবেতভাবে গাইতে হবে বলে জানিয়ে দিলো কেন্দ্রীয় সরকার।
সূত্রের খবর, ইতিমধ্যেই কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে বন্দেমাতরম সংগীত নিয়ে একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে। যেখানে জানানো হয়েছে, দেশের জাতীয় পতাকা উত্তোলন এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের সময় সমবেতভাবে এই বন্দেমাতরম সংগীত গাইতে হবে। এমনকি কোনো সরকারি অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতির উপস্থিতিতেও এই সংগীত গাওয়ার ব্যাপারে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। শুধু তাই নয়, বিদ্যালয় শুরুর আগেও এই বন্দেমাতরম সংগীত গাইতে হবে বলে জানানো হয়েছে কেন্দ্রীয় সরকারের এই বিজ্ঞপ্তিতে। স্বাভাবিকভাবেই যখন বন্দেমাতরম সংগীতের সার্ধশতবর্ষ চলছে, তখন তাকে সম্মান জানিয়ে কেন্দ্রের এই বিজ্ঞপ্তি অত্যন্ত গর্বিত করছে গোটা দেশবাসীকে বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
