প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-
এই রাজ্যের বুকে বা এই দেশের বুকে যখনই ভালো কিছু হয়, যখনই বড় কোনো ঘটনা হয়, তখনই মুখ্যমন্ত্রী ক্রেডিট নিতে শুরু করেন। এই যেমন, গতকাল কেন্দ্রীয় বাজেট পেশ হয়েছে। তিনি একদিকে সেই বাজেটকে কটাক্ষ করেছেন, আবার অন্যদিকে যখন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী ফ্রেট করিডরের ঘোষণা করেছেন, তখন তিনি আবার দাবি করেছেন যে, তিনি যখন রেলমন্ত্রী ছিলেন, তখন তিনি নাকি এই ঘোষণা করেছিলেন। আর সব ব্যাপারেই মুখ্যমন্ত্রীর এই ক্রেডিট নেওয়ার যে বাড়তি চেষ্টা, তা নিয়ে ইতিমধ্যেই বিজেপির পক্ষ থেকে কটাক্ষ এসেছে। আর এবার মুখ্যমন্ত্রীর সেই ঘোষণা নিয়ে যে কটাক্ষ করে দিলেন রাজ্য বিজেপির সভাপতি, তাতে নানা মহলে হাসির রোল পড়ে গিয়েছে।
এই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী সবজান্তা। এই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী সব ব্যাপারেই সৃষ্টিশীল অবদান রাখেন। মাঝেমধ্যেই এইরকম মন্তব্য করে তাকে সূক্ষ্ম ভাষায় আক্রমণ করেন রাজ্য বিজেপির সভাপতি। আর গতকাল কেন্দ্রীয় বাজেট পেশ হওয়ায়ার পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাকে হামটি ডামটি বলে কটাক্ষ করেছেন। এমনকি ফ্রেটট করিডরের ঘোষণা যখন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী করেছেন, তখন আবার মুখ্যমন্ত্রী দাবি করেছেন যে, তিনি যখন রেলমন্ত্রী ছিলেন, তখন তিনি এই ঘোষণা করেছিলেন। অর্থাৎ বাজেটকে সমালোচনা করলেও, এই ঘোষণাকে তিনি নিজের ক্রেডিট বলে দাবি করার একটা মরিয়া চেষ্টা শুরু করে দিয়েছেন। আর তা নিয়েই এবার মোক্ষম জবাব দিলেন রাজ্য বিজেপির সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য।
এদিন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন রাজ্য বিজেপির সভাপতি। আর সেখানেই মুখ্যমন্ত্রীর এই ফ্রেট করিডর নিয়ে যে ক্রেডিট নেওয়ার চেষ্টা, তা নিয়ে তাকে প্রশ্ন করা হয়। আর সেই ব্যাপারে প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে শমীকবাবু বলেন, “মুখ্যমন্ত্রী অনেক কিছু ঘোষণা করেছিলেন। শিলান্যাসের পর শিলান্যাস। প্রস্তর যুগে চলে গিয়েছিল পশ্চিমবঙ্গ। তারপর তার দলেরই রেলমন্ত্রী বললেন যে, ভারতীয় রেল এখন আইসিইউতে আছে, আমি টেনে বের করার চেষ্টা করছি। সঙ্গে সঙ্গে তারও আবার চাকরি চলে গেল। মুখ্যমন্ত্রী সব কিছুই ঘোষণা করেছেন। এই যে চন্দ্রাভিযান হলো, ওটাও ওনার ঘোষণা। ওনারই পরিকল্পনা। বিজ্ঞানীরা হয়ত ওনার থেকেই পরামর্শ নিয়েছেন।”
